জাতিসংঘ থেকে ফেনীর মাঠে : নীতি ও বাস্তবতার যোগসূত্র

ডা. মাহতাব হোসাইন মাজেদ

মতামত

একটি সরকারের কার্যক্রমের মূল্যায়ন শুধু রাজধানীর নীতিনির্ধারণী টেবিলে হয় না। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের জীবনে সরকারি কার্যক্রমের বাস্তব প্রতিফলন কতটা

2026-10-01T05:44:41+00:00
2026-10-01T05:44:41+00:00
 
  বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬,
১৬ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
মতামত
জাতিসংঘ থেকে ফেনীর মাঠে : নীতি ও বাস্তবতার যোগসূত্র
ডা. মাহতাব হোসাইন মাজেদ
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৪৪ এএম 
গ্রাফিক : সময়ের আলো
একটি সরকারের কার্যক্রমের মূল্যায়ন শুধু রাজধানীর নীতিনির্ধারণী টেবিলে হয় না। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের জীবনে সরকারি কার্যক্রমের বাস্তব প্রতিফলন কতটা ঘটছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি সরকার যে অগ্রাধিকার ও প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরে, তার বাস্তব অর্থ তৈরি হয় তখনই, যখন সেগুলো জাতীয় পরিকল্পনা পেরিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে মানুষের প্রয়োজনের সঙ্গে যুক্ত হয়।

বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের বক্তব্য

২৪ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তার বক্তব্যে জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, বিশ্ব শান্তি, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, মানবিক সংকট, রোহিঙ্গা সমস্যা এবং বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থের বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে।

বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে জলবায়ু ও পানি ব্যবস্থাপনা। প্রধানমন্ত্রী আগামী পাঁচ বছরে দেশে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর কর্মসূচি এবং বন্যা ও খরা মোকাবিলায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনর্খননের পরিকল্পনার কথা জানান। পাশাপাশি জলবায়ু অর্থায়ন, অভিযোজন সহায়তা এবং জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানান।

এ বক্তব্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো— জলবায়ু পরিবর্তনকে শুধু পরিবেশগত সমস্যা হিসেবে নয়; পানি, কৃষি, জনজীবন, খাদ্যনিরাপত্তা ও উন্নয়নের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয় হিসেবে দেখা। বাংলাদেশের মতো নদীমাতৃক ও জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশের জন্য এ দৃষ্টিভঙ্গির বাস্তব গুরুত্ব রয়েছে।

জাতিসংঘের বক্তব্য থেকে ফেনীর বাস্তবতা

জাতিসংঘের মঞ্চে যখন নদী-খাল, পানি সংরক্ষণ, বন্যা ও খরা মোকাবিলার কথা বলা হচ্ছে, তখন বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা ফেনীর মানুষও দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙন, বন্যা, পানি নিষ্কাশন ও কৃষি-সংশ্লিষ্ট সমস্যার মুখোমুখি। এই প্রেক্ষাপটে ১ অক্টোবর ফেনীর পরশুরামে মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন— প্রথম পর্যায় উদ্বোধন করার কথা রয়েছে। প্রকল্পটির আনুমানিক ব্যয় ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা। ১৬ জুন জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি-একনেক প্রকল্পটি অনুমোদন করে। এর আওতায় নদী ও জলাশয় পুনর্খনন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ পুনর্বাসন, নদীতীর সংরক্ষণ এবং সেচ অবকাঠামো সংস্কারের পরিকল্পনা রয়েছে।

এখানেই আন্তর্জাতিক বক্তব্য ও স্থানীয় উন্নয়ন পরিকল্পনার একটি সুস্পষ্ট যোগসূত্র পাওয়া যায়। জাতিসংঘে জলবায়ু সহনশীলতা ও পানি ব্যবস্থাপনার যে বৃহত্তর নীতির কথা বলা হয়েছে, ফেনীর এই প্রকল্প তার স্থানীয় বাস্তবতার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি উদ্যোগ।

তবে শুধু প্রকল্প গ্রহণ করলেই আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়িত হয়েছে এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই। প্রকল্পের কাজ কতটা মানসম্মতভাবে সম্পন্ন হয়, কতটা টেকসই হয় এবং সাধারণ মানুষ কী পরিমাণ সুফল পায়, তার ওপরই প্রকৃত মূল্যায়ন নির্ভর করবে।

ফেনীর মানুষের প্রত্যাশা

প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে ফেনীতে উন্নয়ন-সংক্রান্ত নানা প্রত্যাশার কথাও সামনে এসেছে। স্থানীয় পর্যায়ে বন্যা ও নদীভাঙনের স্থায়ী সমাধানের পাশাপাশি মেডিকেল কলেজ, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, কর্মসংস্থান এবং অবকাঠামো উন্নয়নের দাবি রয়েছে।

এসব দাবির মধ্যে কিছু দীর্ঘমেয়াদি, আবার কিছু অবকাঠামোগত। ফলে সব দাবি একসঙ্গে বাস্তবায়ন করা সম্ভব কি না তার জন্য প্রয়োজন অগ্রাধিকার নির্ধারণ, অর্থনৈতিক সক্ষমতা, কারিগরি সমীক্ষা এবং বাস্তবসম্মত সময়সূচি।
একটি জনপদের উন্নয়ন শুধু বড় প্রকল্পের সংখ্যায় মাপা যায় না। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, যোগাযোগ, কৃষি, পানি ব্যবস্থাপনা এবং নাগরিক সেবার সমন্বিত উন্নয়নই একটি অঞ্চলের মানুষের জীবনমান পরিবর্তনে ভূমিকা রাখে।

১ হাজার ৫৪২ কোটি টাকার প্রকল্পের গুরুত্ব

মুহুরী-কহুয়া প্রকল্পের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো এর বহুমাত্রিকতা। এটি শুধু বন্যা নিয়ন্ত্রণের প্রকল্প নয়; এর সঙ্গে পানি নিষ্কাশন, নদীতীর সংরক্ষণ, সেচ ও জলাশয় ব্যবস্থাপনাও যুক্ত। প্রকল্পের আওতায় নদীতীর সংরক্ষণ, বাঁধ পুনর্বাসন, জলাধার পুনর্খনন ও সেচ অবকাঠামো পুনর্বাসনের কাজ রয়েছে।

ফেনীর কৃষি অর্থনীতির জন্য সেচ ও পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ। অতিরিক্ত পানি যেমন কৃষির ক্ষতি করতে পারে, তেমনি প্রয়োজনের সময় পানির ঘাটতিও উৎপাদন ব্যাহত করতে পারে। তাই পানি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে বন্যা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি পানি সংরক্ষণ ও সুষ্ঠু ব্যবহারও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন।

প্রকল্পের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো রক্ষণাবেক্ষণ। নদী ও খাল পুনর্খনন বা বাঁধ সংস্কারের পর নিয়মিত তদারকি না থাকলে সময়ের সঙ্গে কাঙ্ক্ষিত কার্যকারিতা কমে যেতে পারে। তাই প্রকল্প বাস্তবায়নের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণ পরিকল্পনাও জরুরি।

সরকারের মূল্যায়নের জায়গা কোথায়

একটি সরকারের সাত মাসের কর্মকাণ্ড দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি ফলাফল নির্ধারণ করা কঠিন। বরং এই সময়কে নীতিনির্ধারণ, অগ্রাধিকার স্থির করা এবং ঘোষিত পরিকল্পনার প্রাথমিক বাস্তবায়ন পর্যায় হিসেবে দেখা যায়।

জাতিসংঘের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী দেশের পুনর্গঠন ও পুনরুদ্ধারের জন্য ‘থ্রি-আর’— রিকভারি, রেস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন কৌশলের কথা তুলে ধরেছেন। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জলবায়ু পরিবর্তন ও অভিযোজনের বিষয়েও বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরা হয়েছে। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ঝুঁকি মোকাবিলায় বৈশ্বিক নিঃসরণ কমানো, জলবায়ু অর্থায়ন, প্রযুক্তির সুযোগ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

এই বক্তব্যগুলোকে দেশের ভেতরের বাস্তবতার সঙ্গে যুক্ত করতে হলে স্থানীয় প্রকল্পের কার্যকারিতা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। ফেনীর মতো জলবায়ু ও বন্যা ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে পানি ব্যবস্থাপনা তাই জাতীয় উন্নয়ননীতির একটি বাস্তব পরীক্ষাক্ষেত্র।

উন্নয়নের সঙ্গে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি

বড় প্রকল্পের ক্ষেত্রে অর্থ বরাদ্দ যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি গুরুত্বপূর্ণ অর্থের যথাযথ ব্যবহার। নির্ধারিত ব্যয়ের মধ্যে কাজ শেষ করা, প্রকল্পের মান বজায় রাখা, সময়সীমা অনুসরণ এবং প্রয়োজনীয় তদারকি নিশ্চিত করা উন্নয়ন প্রকল্পের মৌলিক শর্ত।

বিশেষ করে নদী ও বাঁধ-সংক্রান্ত প্রকল্পে নিম্নমানের কাজ ভবিষ্যতে মানুষের জন্য নতুন ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই প্রকল্পের প্রতিটি পর্যায়ে কারিগরি মান, পরিবেশগত প্রভাব এবং স্থানীয় মানুষের প্রয়োজন বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন।
উন্নয়ন প্রকল্পের সবচেয়ে বড় পরীক্ষাও এখানেই। প্রকল্পের উদ্বোধন একটি আনুষ্ঠানিক ঘটনা, কিন্তু প্রকল্পের সুফল মানুষের ঘরে পৌঁছানোই প্রকৃত অর্জন।

আন্তর্জাতিক অঙ্গন ও স্থানীয় উন্নয়ন

জাতিসংঘের অধিবেশনে জলবায়ু ছাড়াও রোহিঙ্গা সংকট, আন্তর্জাতিক শান্তি ও মানবিক সহযোগিতার বিষয় উঠে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনকে সংকট সমাধানের পথ হিসেবে তুলে ধরেছেন।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের স্বার্থ তুলে ধরার পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন নিশ্চিত করাও সরকারের দায়িত্বের অংশ। কারণ আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি ও জাতীয় উন্নয়ন— দুটিই শেষ পর্যন্ত মানুষের জীবনমানের সঙ্গে সম্পর্কিত।

একদিকে জলবায়ু ঝুঁকির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাওয়া, অন্যদিকে দেশের নদী-খাল ও পানি ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা— এই দুই উদ্যোগ পরস্পরবিরোধী নয়; বরং একই বৃহত্তর বাস্তবতার দুটি স্তর।

সামনে যে প্রশ্নগুলো গুরুত্বপূর্ণ

ফেনীর মুহুরী-কহুয়া প্রকল্পের ক্ষেত্রে সামনে কয়েকটি প্রশ্ন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকবে— প্রকল্পটি নির্ধারিত সময়ে শেষ হবে কি না, ব্যয় নিয়ন্ত্রণে থাকবে কি না, নদী ও জলাশয়ের স্বাভাবিক প্রবাহ কতটা পুনরুদ্ধার হবে, বন্যা ও জলাবদ্ধতার ঝুঁকি কতটা কমবে এবং কৃষি ও স্থানীয় অর্থনীতিতে এর বাস্তব প্রভাব কী হবে।

একইভাবে সরকারের সাত মাসের কর্মকাণ্ডের মূল্যায়নেও শুধু ঘোষণার সংখ্যা নয়; বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতা, প্রশাসনিক দক্ষতা, অর্থনৈতিক সক্ষমতা, স্বচ্ছতা এবং নাগরিক সেবার মান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের বক্তব্যের সঙ্গে ফেনীর একটি উন্নয়ন প্রকল্পকে একই আলোচনায় আনার কারণ কেবল সময়ের নৈকট্য নয়; এর মধ্যে রয়েছে নীতির সঙ্গে বাস্তবতার সম্পর্ক। জাতিসংঘে জলবায়ু সহনশীলতা, পানি ব্যবস্থাপনা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার কথা বলা হয়েছে। ফেনীতে একই বাস্তবতার স্থানীয় রূপ হিসেবে নদী, বাঁধ, পানি নিষ্কাশন ও সেচ ব্যবস্থাপনা নিয়ে বড় প্রকল্প সামনে এসেছে।

এখন প্রয়োজন বক্তব্য ও প্রকল্পের মধ্যকার এই সংযোগকে বাস্তব ফলাফলে রূপ দেওয়া। ফেনীর কৃষক যদি নিরাপদ পানি ব্যবস্থাপনা পান, বন্যার ক্ষতি কমে, নদীতীর সুরক্ষিত হয় এবং সেচ ব্যবস্থা কার্যকর হয়, তখন উন্নয়ন পরিকল্পনার সুফল মানুষের জীবনে দৃশ্যমান হবে।

একই সঙ্গে ফেনীর অন্যান্য জনদাবিও বাস্তবতা, প্রয়োজন ও সক্ষমতার আলোকে পর্যায়ক্রমে বিবেচনা করা দরকার। কারণ একটি সরকারের দীর্ঘমেয়াদি মূল্যায়ন কোনো এক দিনের সফর, ভাষণ কিংবা একটি প্রকল্পের উদ্বোধনে নির্ধারিত হয় না; নির্ধারিত হয় ধারাবাহিক নীতি, সুশাসন, বাস্তবায়ন এবং মানুষের জীবনে তার পরিমাপযোগ্য প্রভাবে।

নতুন একটি সরকারের এই পর্যায় তাই চূড়ান্ত রায়ের সময় নয়; বরং ঘোষিত অগ্রাধিকার কতটা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হয়, তা পর্যবেক্ষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। বিশ্বমঞ্চে উচ্চারিত অঙ্গীকার যখন দেশের মাটিতে মানুষের প্রয়োজনের সঙ্গে যুক্ত হয়, তখনই রাষ্ট্রীয় নীতি তার বাস্তব অর্থ খুঁজে পায়।


লেখক : প্রাবন্ধিক
মতামত লেখকের নিজস্ব


সময়ের আলো/প্রিন্ট/এমকে
  বিষয়:   জাতিসংঘ  ফেনীর মাঠ  নীতি  বাস্তবতা  যোগসূত্র 


Advertisement
Loading...
Loading...
মতামত- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: