আসন্ন ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরুর আগে চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীতে ইলিশ আহরণ বেড়ে যাওয়ায় ব্যস্ত সময় পার করছেন জেলার বড়স্টেশন মাছঘাট, আমিরাবাদ ও বাবুর বাজারের মৎস্য ব্যবসায়ীরা। আগামী ৮ অক্টোবর থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।
নিষেধাজ্ঞার আগে ইলিশ কিনতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ঘাটে ছুটে আসছেন ক্রেতারা। বাজারে ইলিশের সরবরাহ বাড়ায় কেজিতে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত দাম কমেছে। শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ক্রেতারা ভিড় জমান মাছঘাটগুলোতে, ফলে পুরো এলাকাটি জমে ওঠে ইলিশের কেনাবেচায়।
ব্যবসায়ীদের ভাষ্যমতে, বেশ কিছুদিন ধরে ঘাটে ইলিশের সরবরাহ বেশি থাকায় দাম কিছুটা কমেছে। বর্তমানে এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকায় এবং ৫০০ থেকে ৬০০ গ্রামের ইলিশের দাম রাখা হচ্ছে ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকা।
ব্যবসায়ী ফুলচান বর্মন জানান, গত দুই দিনের তুলনায় শুক্রবার ক্রেতার চাপ বেশি থাকায় দাম কিছুটা এদিক-সেদিক হচ্ছে। তবে নিষেধাজ্ঞার আগের দিনগুলোতে নদীতে ইলিশের জোগান আরও বাড়লে দাম আরও কমতে পারে বলে আশা করছেন তারা। আরেক ব্যবসায়ী জুয়েল মীরও জানান, নিষেধাজ্ঞা ঘনিয়ে আসায় ক্রেতাদের আগ্রহ বাড়ছে এবং সরবরাহ বাড়লে শেষ মুহূর্তে ব্যবসা আরও জমজমাট হবে।
ঢাকা থেকে ইলিশ কিনতে আসা মোবারক হোসেন বলেন, চাঁদপুরের ইলিশের আলাদা স্বাদ ও ঘ্রাণ থাকায় তিনি এখান থেকেই কিনতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। আগে এক কেজি ইলিশের দাম প্রায় ৩ হাজার টাকা থাকলেও এখন তা কিছুটা কমেছে। দাম আরও কমলে সাধারণ মানুষের জন্য কেনা সহজ হতো।
সবমিলিয়ে, নিষেধাজ্ঞার আগের শেষ মুহূর্তের এই ইলিশ বেচাকেনায় এখন জমজমাট চাঁদপুর বড়স্টেশন মাছঘাট। শেষ সময়ে নদীতে মাছ ধরা ও সরবরাহ আরও বাড়বে এমনটাই প্রত্যাশা ব্যবসায়ীদের।
সময়ের আলো/আতা