দেশভাগের পর চালু হলো আসাম-ঢাকা নৌপথ, ব্রহ্মপুত্র দিয়ে আসছে ৫৪০ টন মিথানল

নিজস্ব প্রতিবেদক

অর্থনীতি

দেশভাগের প্রায় আট দশক পর ভারতের আসামের ডিব্রুগড় থেকে বাংলাদেশের ঢাকার নৌপথ আবার চালু হয়েছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) ডিব্রুগড়ের বগীবিল

2026-10-06T14:47:50+00:00
2026-10-06T14:47:50+00:00
 
  মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬,
২১ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
অর্থনীতি
দেশভাগের পর চালু হলো আসাম-ঢাকা নৌপথ, ব্রহ্মপুত্র দিয়ে আসছে ৫৪০ টন মিথানল
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৪৭ পিএম 
ডিব্রুগড়ের বগীবিল থেকে ৫৪০ মেট্রিক টন মিথানল নিয়ে ‘ডিএলবি পাতকাই’ নামের একটি জাহাজ বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে। ছবি : সংগৃহীত
দেশভাগের প্রায় আট দশক পর ভারতের আসামের ডিব্রুগড় থেকে বাংলাদেশের ঢাকার নৌপথ আবার চালু হয়েছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) ডিব্রুগড়ের বগীবিল থেকে ৫৪০ মেট্রিক টন মিথানল নিয়ে ‘ডিএলবি পাতকাই’ নামের একটি জাহাজ বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে।

ডেকান হেরাল্ডের প্রতিবেদনে বলা হয়, আসামের নামরূপে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন আসাম পেট্রো-কেমিক্যালস লিমিটেডের উৎপাদিত মিথানলের চালানটির গন্তব্য ঢাকার পানগাঁও বন্দর। জাহাজটি জাতীয় জলপথ-২ ধরে ব্রহ্মপুত্র নদ দিয়ে প্রায় ৭৬৮ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে পৌঁছাবে। এরপর ভারত-বাংলাদেশ প্রটোকল রুট ব্যবহার করে নারায়ণগঞ্জ হয়ে পানগাঁও বন্দরে যাবে। পুরো যাত্রাপথ প্রায় ১ হাজার ৩০০ কিলোমিটার।

জাহাজটির যাত্রা উদ্বোধন করেন ভারতের নৌপরিবহন ও জলপথমন্ত্রী সর্বানন্দ সান্যাল। অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।


সান্যাল বলেন, ‘আমাদের দাদা-দাদিরা ডিব্রুগড় ঘাটে স্টিমারের হুইসেল শুনে বড় হয়েছেন। ৭০ বছর ধরে, যখন ঘাটটি বন্ধ ছিল, সেই হুইসেল আর শোনা যায়নি, জাহাজও আসেনি।

‘আজ আবার একটি জাহাজ ডিব্রুগড় থেকে রওনা হচ্ছে। নদী কখনো আমাদের ব্যর্থ করেনি। কয়েক দশক ধরে যা ছিল না, তা হল একে পুনরুজ্জীবিত করার সদিচ্ছা।’

ব্রিটিশ আমলে কলকাতা হয়ে চা, কাঠ ও কয়লা পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ছিল এই নৌপথ। ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর পথটি বন্ধ হয়ে যায়। ১৯৫৬ সালে ডিব্রুগড়ের নদীবন্দরও বন্ধ করে দেওয়া হয়।

ভারতীয় কর্মকর্তারা মনে করছেন, নতুন এই নৌপথ উত্তর-পূর্ব ভারতের পণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে নেওয়ার সম্ভাবনা বাড়াবে। বাংলাদেশে নিয়মিত মিথানল পাঠানোর পরিকল্পনাও রয়েছে ভারতের।

হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, ‘উত্তর-পূর্বাঞ্চল আর ভারতের প্রান্তসীমা নয়। এটি পূর্বের দিকে ভারতের প্রবেশদ্বার।’

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে নৌবাণিজ্য সম্প্রসারণে ১৯৭২ সালে স্বাক্ষরিত প্রটোকলকে এই উদ্যোগের ভিত্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে।


সময়ের আলো/এমকে
  বিষয়:   দেশভাগ  আসাম-ঢাকা নৌপথ  ব্রহ্মপুত্র  মিথানল 


Advertisement
Loading...
Loading...
অর্থনীতি- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: