যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তৈরি পোশাক রফতানিতে এক ধাপ পিছিয়েছে বাংলাদেশ। চলতি বছরের প্রথমার্ধ শেষে (জানুয়ারি–জুন) যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রফতানি পৌনে ৬ শতাংশ কমেছে। জুলাই মাস শেষে তা বেড়ে সাড়ে ৬ শতাংশে দাঁড়ায়। তবে, আগস্ট মাসে পতনের হার কমে ৪ দশমিক ৪৩ শতাংশ হয়। একই সময়ে চীন ও ভারত থেকে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাক রফতানি কমেছে যথাক্রমে ২৯ ও ২৬ শতাংশের বেশি। তবে, চীন বাংলাদেশকে টপকে দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে। ফলে, যুক্তরাষ্ট্রের পোশাকের বাজারে শীর্ষ রফতানিকারক ভিয়েতনামের পর এখন চীন, তৃতীয় বাংলাদেশ।
বর্তমানে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে তৈরি পোশাক রফতানির তফাত ২৪ কোটি ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের অফিস অব টেক্সটাইলস অ্যান্ড অ্যাপারেলের (অটেক্সা) প্রকাশিত হালনাগাদ তথ্য থেকে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।
এতে দেখা যায়, চলতি বছরের প্রথম ৮ মাসে যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানি কমেছে ৭ দশমিক ৪২ শতাংশ। এই সময়ে দেশটির ব্যবসায়ীরা আমদানি করেছেন ৪৯ বিলিয়ন বা ৪ হাজার ৯০০ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক।
অটেক্সার তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, চলতি বছরের প্রথম আট মাসে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি পোশাক আমদানি পরিমাণের দিক থেকে কমেছে ৮ দশমিক ৯৮ শতাংশ।
এ সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ৫৩৯ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রফতানি করেছে বাংলাদেশ, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪ দশমিক ৪৩ শতাংশ কম।
অন্যদিকে, পরিমাণের দিক থেকে বাংলাদেশ চলতি বছরের প্রথম আট মাসে ১৭৬ কোটি বর্গমিটার কাপড়ের তৈরি পোশাক রফতানি করেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় পৌনে ৩ শতাংশ কম।
এদিকে, চলতি বছরের প্রথম আট মাসে চীন যুক্তরাষ্ট্রে ৫৬৩ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রফতানি করেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় তাদের রফতানি কমেছে ২৯ দশমিক ৩৯ শতাংশ। একই সময়ে ভারতের রফতানি কমেছে ২৬ দশমিক ৪৪ শতাংশ।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শীর্ষ তৈরি পোশাক রফতানিকারক দেশ ভিয়েতনাম। চলতি বছরের প্রথম আট মাসে ১ হাজার ৯৮ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রফতানি করেছে তারা, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় দশমিক ৭৬ শতাংশ কম।
সময়ের আলো/মহু