ডিজিটাল প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান পাঠাওয়ের প্রায় ১ কোটি ৯০ লাখ ব্যবহারকারীর তথ্য নিজেদের দখলে থাকার দাবি করেছে একটি চক্র। এসব তথ্য প্রকাশ না করার বিনিময়ে পাঠাওয়ের কাছে ৪ লাখ ডলার দাবি করা হয়েছে।
সাইবার নিরাপত্তাবিষয়ক প্ল্যাটফর্ম ডেইলি ডার্ক ওয়েব বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এ-সংক্রান্ত একটি পোস্ট প্রকাশ করে। সেখানে ডার্ক ওয়েবে দেওয়া দাবির একটি স্ক্রিনশটও রয়েছে। তবে তথ্য ফাঁসের দাবিটি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
চক্রটির দাবি, তাদের কাছে থাকা তথ্যের মধ্যে ব্যবহারকারীদের মুঠোফোন নম্বর, ই-মেইল, জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ছবি, অবস্থান, ফেসবুক পরিচিতি ও বাসার ঠিকানা রয়েছে। প্রায় ১৩৩ গিগাবাইট তথ্য, ২৫ কোটি রেকর্ড এবং ৫৯১টি তথ্যভাণ্ডার থাকারও দাবি করা হয়েছে।
পাঠাও জানিয়েছে, ৪ অক্টোবর সাইবার নিরাপত্তাজনিত একটি ঘটনা শনাক্ত হওয়ার পর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে তাদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিস্টেম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। এতে বিভিন্ন সেবা বিঘ্নিত হলেও পরে সেগুলো চালু করা হয়েছে।
পাঠাওয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ঘটনার সময় নাম, ই-মেইল ঠিকানা ও ফোন নম্বরসহ কিছু ব্যক্তিগত তথ্য দুর্বৃত্তদের হাতে গেছে বলে তারা জানতে পেরেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের সহায়তা নেওয়া হয়েছে।
সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ তানভীর হাসান জোহা বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের দ্রুত স্বাধীন ডিজিটাল ফরেনসিক তদন্ত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সার্ভার, অ্যাকসেস লগসহ সংশ্লিষ্ট সব ডিজিটাল আলামত সংরক্ষণ করতে হবে এবং আইন অনুযায়ী নিয়ন্ত্রক ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে অবহিত করতে হবে।
এ বিষয়ে পাঠাওয়ের সিইও ফাহিম আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
সময়ের আলো/এমকে