প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৩৫ পিএম
সংঘর্ষে আহত ব্যক্তিরা। ছবি : সংগৃহীতফরিদপুরের ভাঙ্গায় নদীর ঘাটে দুটি প্রতিমা বিসর্জন নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
বুধবার (২১ অক্টোবর) দিবাগত রাত তিনটার দিকে ভাঙ্গা পৌরসভার দুধ বাজার এলাকায় নদীর ঘাটে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে তিনজনকে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও একজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আর অন্যরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভাঙ্গা বাজার চালপট্টি হরিমন্দির যুব সংঘের উদ্যোগে এবং কুমারপট্টি তরুণ সংঘের উদ্যোগে ৫০ হাত দূরত্বে পাশাপাশি দুটি পূজামণ্ডপে শান্তিপূর্ণভাবে পূজা সম্পন্ন হয়। বুধবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে প্রথমে হরি মন্দির যুব সংঘের লোকজন প্রতিমা বিসর্জন দিতে নদীর ঘাটে যায়। কিছুক্ষণ পর কুমারপট্টি তরুণ সংঘের লোকজনও প্রতিমা বিসর্জন দিতে নদীর ঘাটে যায়।
এ সময় তরুণ সংঘের একটি প্রতিমা রাস্তার ওপর রাখলে হরি মন্দিরের সভাপতি স্বপন সাহা তাদের প্রতিমাটি সরিয়ে রাখতে বলেন। এ সময় তরুণ সংঘের সভাপতি সুব্রত রায় বলেন, সরকারি রাস্তার ওপর রেখেছি, কেন প্রতিমা সরাবো?
এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে কুমারপট্টি তরুণ সংঘের ২০/৩০ জন লোক লাঠিসোঁটা নিয়ে হরিমন্দির যুব সংঘের লোকজন ওপর অতর্কিত হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে। হামলায় হরি মন্দির যুব সংঘের সভাপতি স্বপন সাহাসহ অন্তত ১০ জন আহত হন।
এ সংঘর্ষের বিষয়ে কুমার পুট্টি তরুণ সংঘের পূজা মণ্ডপের দায়িত্বপ্রাপ্ত কাউকে কথা বলার মতো কোনো লোক পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় হরি মন্দিরের সভাপতি স্বপন সাহা বলেন, আমিসহ আমার স্ত্রী, ভাই ও আমাদের ১০-১২ জন লোক আহত হয়েছে। সামান্য ঘটনা নিয়ে তরুণ সংঘের সভাপতি সুব্রত রায়ের নির্দেশে আমাদের ওপর হামলা করা হয়। এ ঘটনার বিচার দাবি করছি।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে রাতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উভয় পক্ষকে শান্ত করা হয়। তবে এ বিষয়ে থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সময়ের আলো/এনএন