প্রকাশ: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:২৮ পিএম
সংগৃহীত ছবিশেয়ারবাজারে লেনদেনের পরিমাণ বাড়লেও বিনিয়োগকারীদের জন্য স্বস্তির খবর ছিল না গত সপ্তাহে। পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে চার দিনই দরপতনের মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই)। এতে বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দর কমার পাশাপাশি এক সপ্তাহে বাজার মূলধন থেকে হারিয়ে গেছে ৭ হাজার ১১১ কোটি টাকা। তবে দরপতনের এই পরিস্থিতিতেও বেড়েছে দৈনিক গড় লেনদেন।
ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত সপ্তাহে লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ২৫০টির শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে। বিপরীতে দাম বেড়েছে ১০৯টির। আর ২৭টি প্রতিষ্ঠানের দর অপরিবর্তিত ছিল।
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়ায় ৬ লাখ ৭৪ হাজার ৪৭৬ কোটি টাকা। আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে এই মূলধনের পরিমাণ ছিল ৬ লাখ ৮১ হাজার ৫৮৭ কোটি টাকা। সেই হিসাবে এক সপ্তাহে বাজার মূলধন কমেছে ৭ হাজার ১১১ কোটি টাকা।
বাজার মূলধনের পাশাপাশি কমেছে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স। সপ্তাহজুড়ে সূচকটি হারিয়েছে ৩৩ দশমিক ১৯ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক ৬১ শতাংশ। একই সময়ে শরিয়াহভিত্তিক কোম্পানিগুলোর সূচক ডিএসই শরিয়াহ কমেছে ১৯ দশমিক ৭৩ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৮৪ শতাংশ। আর বাছাই করা ৩০টি কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক কমেছে ১৬ দশমিক ৫৪ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক ৭৯ শতাংশ।
অন্যদিকে দরপতনের মধ্যেও লেনদেনের পরিমাণে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। গত সপ্তাহে ডিএসইতে প্রতিদিন গড়ে ৪৫০ কোটি ৭ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের সপ্তাহে দৈনিক গড় লেনদেন ছিল ৩৮৫ কোটি ২০ লাখ টাকা। অর্থাৎ দৈনিক গড় লেনদেন বেড়েছে ৬৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা বা ১৩ দশমিক ৮৮ শতাংশ।
লেনদেনের শীর্ষে ছিল ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি)। কোম্পানিটির শেয়ার প্রতিদিন গড়ে ২০ কোটি ৯৫ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে, যা ডিএসইর মোট লেনদেনের ৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ব্র্যাক ব্যাংকের দৈনিক গড় লেনদেন ছিল ২০ কোটি ১৭ লাখ টাকা। আর ১৩ কোটি ৬৪ লাখ টাকা নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে ছিল প্রাইম ব্যাংক।
লেনদেনের শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের অন্যগুলো হলো সিটি ব্যাংক, সায়হাম টেক্সটাইল, মতিন স্পিনিং, আনোয়ার গ্যালভানাইজিং, প্রাইম ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, বেক্সিমকো ফার্মা ও শাহজিবাজার পাওয়ার।
সময়ের আলো/কেএইচও