
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ নভেম্বর থেকে সেন্টমার্টিনে পর্যটকদের যাতায়াত শুরু হওয়ার কথা থাকলেও অনুমতি না পাওয়ায় আজ কোনো পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল করছে না। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও অনুমোদন প্রক্রিয়া শেষ না হওয়ায় শনিবার (৩১ অক্টোবর) পর্যন্ত কোনো জাহাজকে চলাচলের অনুমতি দেয়নি কক্সবাজার জেলা প্রশাসন।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আশা করছেন, আগামী বৃহস্পতিবার বা শুক্রবার থেকে জাহাজ চলাচল শুরু হতে পারে।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদুর রহমান সায়েম বলেন, পর্যাপ্ত কাগজপত্র জমা না দেওয়ায় কোনো জাহাজকে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়নি।
আগামী বুধবার জেলা প্রশাসক সেন্টমার্টিনে গিয়ে অংশীজনদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এরপর জাহাজ চলাচলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
জাহাজ মালিকদের সংগঠন সি ক্রুজ অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম জানান, জাহাজ চলাচলের জন্য পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্র, নৌপরিবহন অধিদপ্তরের অনুমোদন, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) রুট পারমিট এবং জেলা প্রশাসকের অনুমতি প্রয়োজন। পাশাপাশি পর্যটকদের তথ্য সংগ্রহের জন্য ট্যুরিজম বোর্ডের সফটওয়্যারও এখনো প্রস্তুত হয়নি।
গত ২৭ অক্টোবর জারি করা সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ১ নভেম্বর থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত সেন্টমার্টিনে পর্যটকদের ভ্রমণ ও রাতযাপনের সুযোগ রয়েছে। প্রতিদিন সর্বোচ্চ সাড়ে তিন হাজার পর্যটক দ্বীপে যেতে পারবেন। তবে সরকার অনুমোদিত জাহাজে অনলাইন নিবন্ধনের মাধ্যমে নুনিয়ারছড়া বিআইডব্লিউটিএ জেটি ঘাট থেকে তাঁদের যাতায়াত করতে হবে।
এদিকে দ্বীপের পরিবেশ রক্ষায় বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় ‘কুকুরের আশ্রম’ এবং স্থায়ী ‘প্লাস্টিক এক্সচেঞ্জ স্টোর’ চালু করা হয়েছে। শনিবার প্রকল্প দুটির উদ্বোধন করেন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান কিশোর কুমার দাশ।
সময়ের আল/টিকে