প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১:৫৪ পিএম আপডেট: ০৩.১১.২০২৬ ২:১৬ পিএম
ছবি : সংগৃহীত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে অন্যদের উৎসাহিত করার আগে তিনি নিজেই নিজের বাসায় সোলার প্যানেল স্থাপন করেছেন। বাসায় ব্যবহারের পর অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহও করছেন তিনি।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে দুই দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ সোলার এক্সপো-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, সৌরবিদ্যুতের সম্প্রসারণে সরকারি ও বেসরকারি খাতকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। এ খাতে প্রয়োজনীয় অর্থায়নের পাশাপাশি যন্ত্রপাতির দাম কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সৌর প্যানেল, ইনভার্টার ও ব্যাটারির আমদানি এবং দেশীয় উৎপাদন উৎসাহিত করতে কর ও শুল্ক সুবিধাও দেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো নয়, সাধারণ মানুষের বিদ্যুৎ ব্যবহারের খরচ কমানোও অগ্রাধিকার। এ জন্য সরকারি-বেসরকারি অফিস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, শিল্পকারখানা, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও বাসাবাড়ির অব্যবহৃত ছাদ সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে কাজে লাগানোর প্রত্যাশা করছে সরকার।
তিনি বলেন, নেট মিটারিং ব্যবস্থায় সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করে নিজস্ব চাহিদা মেটানোর পর যারা অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করবেন, তাদের কাছ থেকে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সা দরে বিদ্যুৎ কিনবে সরকার। এ ক্ষেত্রে প্রণোদনাও দেওয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সবকিছু পরিকল্পনামাফিক এগোলে গ্রীষ্ম মৌসুম শুরুর আগেই জাতীয় গ্রিডে ৩ থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ যুক্ত করা সম্ভব হবে।
সৌরবিদ্যুৎ সম্প্রসারণে অর্থায়ন সহজ করতে সরকার প্রাথমিকভাবে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার তহবিল বরাদ্দ করেছে জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, পর্যায়ক্রমে প্রয়োজন অনুযায়ী অর্থের সংস্থান করা হবে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীরা যাতে অর্থের অভাবে পিছিয়ে না পড়েন, তা নিশ্চিত করতে চায় সরকার।
তিনি বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ২০ শতাংশ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।
সময়ের আলো/এসএকে