নারায়ণগঞ্জের জালকুড়িতে মঙ্গলবার পোশাক শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষ। মিরপুরে অবরোধ ঠেকাতে পুলিশের সতর্ক অবস্থান। নারায়ণগঞ্জের শিবু মার্কেটে এপিসি নিয়ে অবস্থান নেয় আইনশৃঙ্খলাবাহিনী। ছবি : সময়ের আলোন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন এখনও থামেনি। মঙ্গলবার রাজধানীর মিরপুর, গাজীপুর, সাভারের আশুলিয়া ও নারায়ণগঞ্জে বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে উত্তপ্ত ছিল শিল্পাঞ্চল। কোথাও ইটপাটকেল নিক্ষেপ, কাঁদানে গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড; কোথাও মহাসড়কে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ। মিরপুরে এক পুলিশ সদস্যকে একা পেয়ে লাঠিপেটার ঘটনাও ঘটেছে। আন্দোলনের জেরে গাজীপুর ও আশুলিয়ায় বেশিরভাগ কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
মিরপুরে ফের সংঘর্ষ : মঙ্গলবারও রাজধানীর মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সেই সঙ্গে সাময়িক সময়ের জন্য বন্ধ রাখা হয় মেট্রোরেলের দুটি স্টেশন। সংঘর্ষের সময় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। আটক করা হয় কয়েকজনকে। মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে মিরপুর-১১ নম্বর এলাকায় পোশাকশ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের সূত্রপাত। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে দুপক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ চলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মিরপুর-১১ নম্বর মেট্রোস্টেশনের পশ্চিম পাশে পুলিশ সদস্যরা অবস্থান নিয়েছিলেন। অন্যদিকে মিরপুর-১০ নম্বর, নান্না মার্কেট এলাকার বিভিন্ন গলি ও মিরপুর-১২ নম্বরের দিক থেকে দলে দলে শ্রমিকরা এসে বিক্ষোভে যোগ দেন। একপর্যায়ে তারা তিন দিক থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে। দুপক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। কয়েকজনকে লাঠিপেটা করে পুলিশ। শ্রমিকরা সড়কে কাঠের আসবাব জড়ো করে আগুন ধরিয়ে বিক্ষোভ দেখান। পরে আন্দোলনকারীরা বিভিন্ন অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে আসে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে সকালে মিরপুর-১১ নম্বর এলাকায় সড়কে অবস্থান নেন পোশাকশ্রমিকরা। পুলিশ তাদের সরিয়ে দিতে গেলে সংঘর্ষের রূপ নেয়। এ সময় আন্দোলনকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। জবাবে পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দিতে টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে। সংঘর্ষ চলাকালে কয়েকজনকে পুলিশ আটক করে।
সংঘর্ষের জেরে মিরপুর-১১ থেকে মিরপুর-১০ ও পল্লবীগামী সড়কে যান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এতে আশপাশের এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। তবে বেলা সাড়ে ১১টার পর থেকে পরিস্থিতির উন্নতি হতে থাকে এবং ধীরে ধীরে সড়কে যানবাহন চলাচল বাড়তে শুরু করে। একপর্যায়ে যান চলাচল সম্পূর্ণ স্বাভাবিক হয়ে আসে।
এদিকে সংঘর্ষ চলাকালে নিরাপত্তা বিবেচনায় সকাল ১০টা ২২ মিনিট থেকে বন্ধ রাখা হয় মিরপুর-১১ নম্বর মেট্রোরেল স্টেশন। পরে পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে এলে স্টেশনটি আবার চালু করা হয়।
এ বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (পিওএম-দক্ষিণ) মোহাম্মদ তৌহিদুল আরিফ বলেন, পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনে দুষ্কৃতকারীরা অনুপ্রবেশ করেছে। শ্রমিক নেতারা আগের দিন আমাদের জানিয়েছেন, শ্রমিকরা আন্দোলন থেকে সরে আসবেন। এরপরও যারা বিক্ষোভ চালিয়ে যাবেন, তারা মূলত শ্রমিক নন, বরং দুষ্কৃতকারী। যারা এখন আন্দোলনে নামবেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে শ্রমিক আন্দোলনকে কেন্দ্র করে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে মিরপুরের বিভিন্ন পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
গাজীপুরে মহাসড়ক অবরোধ-সংঘর্ষ
গাজীপুরে গতকাল পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলন ও অসন্তোষের জেরে ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন স্থানে শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ, আগুন ও ভাঙচুরের চেষ্টা চালালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সাউন্ড গ্রেনেড ও শক্তি প্রয়োগ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দুপুর ২টার পর থেকে মহাসড়কগুলোতে যান চলাচল স্বাভাবিক আনেন। তবে আন্দোলনের কারণে মঙ্গলবারও ৫০টির বেশি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
মঙ্গলবারের সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গাজীপুর মহানগরীর নাওজোড় এলাকায় প্যানিসিয়া লিমিটেড ও দিগন্ত সোয়েটার কারখানার শ্রমিকরা সড়ক ও উড়ালসড়কের পশ্চিম পাশে অবস্থান নেন। এ সময় তারা বাঁশ দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি ও বর্জ্য ফেলে মহাসড়কে আগুন ধরিয়ে দেন। এতে জয়দেবপুর চৌরাস্তা থেকে নাওজোড় মোড় এবং গাজীপুর-সিলেট মহাসড়কের ভোগড়া বাইপাস এলাকায় যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। এ ছাড়া কোনাবাড়ী, মৌচাক, তেলিচালা, কালিয়াকৈরের পল্লীবিদ্যুৎ ও চন্দ্রা এলাকায় শ্রমিকরা মহাসড়কে নামার চেষ্টা করলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
গাজীপুরের কালিয়াকৈর চন্দ্রায় সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের মালিকানাধীন ইন্টারস্টফ কারখানার শ্রমিকরা বের হওয়ার চেষ্টা করলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় বিএনপি নেতারা তাদের ঘিরে রাখেন, ফলে তারা মহাসড়কে উঠতে পারেনি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ২৫টির বেশি সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এতে চারদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও দুপুর ১২টার পর থেকে মহাসড়কে যান চলাচল ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করে।
এদিকে সকাল ১০টার দিকে গাজীপুরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীদের নিয়ে পোশাক কলকারখানার শ্রমিকদের বুঝানো চেষ্টা করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন। এ সময় গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শওকত হোসেন সরকারসহ মহানগরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন বলেন, গার্মেন্টস খাত অস্থিতিশীল করতে নিষিদ্ধ সংগঠনের লোকজন শ্রমিকদের উসকে দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন। নয়ন বলেন, সরকারকে ব্যর্থ করার জন্য গুপ্ত নিষিদ্ধ সংগঠন শ্রমিকদের উসকে দিয়ে গার্মেন্টস খাতকে অস্থিতিশীল করছে।
বেলা ৩টার দিকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কাশিমপুর থানা ঘেরাওয়ের চেষ্টা করেন বিক্ষুব্ধ পোশাক শ্রমিকরা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলে প্রায় ১ ঘণ্টা। শ্রমিকদের অভিযোগ, সোমবার দুপুরে কাশিমপুর থানার জিসান নামের এক বাবুর্চি পুলিশের পোশাক পড়ে শ্রমিকদের ওপর হামলা করে। সেই হামলার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ার ফেসবুকে ভাইরাল হয়। এ নিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে কাশিমপুর থানার সামনে অবস্থান নেয় পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। এসময় পুলিশ কয়েকটি সাউন্ড নিক্ষেপ করলে শ্রমিকরা থানার সামনে থেকে বেরিয়ে যায়।
গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন জানান, মঙ্গলবাল সকালে গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় অর্ধশতাধিক কারখানায় শ্রমিকরা কারখানার ভেতরে প্রবেশ করেন। কিন্তু পরে তারা কাজে যোগদান না করে কারখানা থেকে বেরিয়ে আসেন। এ কারণে অনেক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, সকাল ৮টার আগে কালিয়াকৈরের মৌচাক এলাকায় কিছু শ্রমিক মহাসড়ক অবরোধের চেষ্টা করলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কোনো ধরনের সংঘাত ছাড়াই তাদের বুঝিয়ে সরিয়ে দিয়েছে। মহাসড়কের প্রতিটি পয়েন্টে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
গাজীপুর মহানগর পুলিশের (জিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বেলায়েত হোসেন বলেন, গাজীপুর মহানগরীর বগুড়া ও নাউজুর এলাকায় কিছু শ্রমিক সড়ক অবরোধের চেষ্টা করেন। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের সরে যাওয়ার অনুরোধ করে। কিন্তু তারা সরে না গেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের সরিয়ে দেয়। তিনি আরও বলেন, দুপুর ১২টার পর থেকে ঢাকা-ময়মনসিংহ ও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে যায়। বর্তমানে পরিস্থিতি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে।
নারায়ণগঞ্জে অবরোধ
নারায়ণগঞ্জে পোশাকশ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডে সিদ্ধিরগঞ্জের জালকুড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় শ্রমিকরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে।
এর আগে বেলা ৩টার দিকে ফতুল্লার কাঠেরপুল এলাকায় বিভিন্ন কারখানা থেকে বেরিয়ে শ্রমিকরা সড়কে নেমে আসেন। তারা লিংক রোডের শিবু মার্কেট এলাকায় অবরোধ করলে সড়কের উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
সেখানে জলকামান ও এপিসি (আর্মার্ড পারসোনেল ক্যারিয়ার) নিয়ে অবস্থান নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী বলেন, পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়েছে।
আশুলিয়ায় পাল্টাপাল্টি ধাওয়া
সাভারের আশুলিয়ায় গতকালও শ্রমিক বিক্ষোভ হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে আবদুল্লাহপুর-বাইপাইল সড়কের বিভিন্ন স্থানে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। তবে তাৎক্ষণিক কারও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
আশুলিয়া শিল্পাঞ্চল পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সকালে নির্ধারিত সময়ে আশুলিয়ার আবদুল্লাহপুর-বাইপাইল সড়কের আশপাশের বিভিন্ন কারখানায় শ্রমিকরা উপস্থিত হন। কয়েকটি কারখানার শ্রমিকরা কাজ বন্ধ করে বসে থাকেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কয়েকটি কারখানা ছুটি ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ।
দুপুরে হেমায়েতপুর থেকে সিংগাইর সড়কের পদ্মার মোড়ে জড়ো হন স্থানীয় কয়েকটি কারখানার শ্রমিকরা। পুলিশ তাদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে শ্রমিকরা সেখানে থেকে সরে বেলা সাড়ে ৩টার দিকে হেমায়েতপুর এলাকায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন।
সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নরসিংহপুর এলাকায় হা-মীম গ্রুপের একটি কারখানার সামনের সড়কের বিভিন্ন স্থানে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন শ্রমিকরা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তাদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে। পরে বিক্ষোভকারীরা ওই এলাকার বিভিন্ন গলিতে অবস্থান নেন। সকাল ১০টার দিকে আবদুল্লাহপুর-বাইপাইল সড়কের ইউনিক এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন শ্রমিকরা।
সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নিশ্চিন্তপুর এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, আবদুল্লাহপুর-বাইপাইল সড়কের পাশের একটি গলিতে শ্রমিক ও পুলিশ মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে। শ্রমিকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়ছেন। পুলিশ হ্যান্ডমাইকে বিক্ষোভকারীদের সরে যাওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছে। এর আগে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভের সময় কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়ে শ্রমিকদের সরিয়ে দেয় পুলিশ।
সময়ের আলো/প্রিন্ট/কেএইচও