প্রকাশ: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ২:১৭ পিএম
ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী ও বর্তমান কংগ্রেস সদস্য ইলহান ওমর। সংগৃহীত ছবিযুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের পঞ্চম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট থেকে জয় পেয়েছেন ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী ও বর্তমান কংগ্রেস সদস্য ইলহান ওমর। রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী জন নাগেলকে হারিয়ে টানা পঞ্চমবারের মতো প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে তার জয় নিশ্চিত হওয়ার খবর জানিয়েছে সিবিএস নিউজ।
মিনেসোটার পঞ্চম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্টের আওতায় রয়েছে মিনিয়াপোলিস ও আশপাশের শহরতলি। এলাকাটি মিনেসোটা এবং যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম ডেমোক্র্যাট-প্রধান নির্বাচনী এলাকা হিসেবে পরিচিত। ২০১৯ সাল থেকে এই আসনের প্রতিনিধিত্ব করে আসছেন ইলহান ওমর।
গত আগস্টে অনুষ্ঠিত ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রাথমিক নির্বাচনে জুলি টি লে, আবেনা ম্যাকেঞ্জি, লাটোনিয়া রিভস ও নেট শ্লুটারকে বড় ব্যবধানে পরাজিত করেন তিনি। এর আগে মে মাসে দলটির অঙ্গরাজ্য সম্মেলনেও ওমরের প্রতি সমর্থন জানানো হয়েছিল।
সোমালিয়া থেকে শরণার্থী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে আসা ইলহান ওমর দীর্ঘদিন ধরে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী বক্তব্যের লক্ষ্যবস্তু। প্রথমবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর ট্রাম্প তাকে নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার কথা বলেছিলেন। বিভিন্ন সময়ে তাকে ‘আবর্জনা’ বলেও আখ্যা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তার বিরুদ্ধে তদন্তের দাবিও জানিয়েছেন ট্রাম্প।
সম্প্রতি ওমরকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়। গত মাসে ওয়াশিংটন ডিসিতে তার বাসভবনে অভিযান চালান হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের তদন্তকারীরা। শৈশবে ওমরের প্রয়াত বাবা অভিবাসনসংক্রান্ত যেসব নথিপত্র জমা দিয়েছিলেন, সেগুলো নিয়ে তদন্তের অংশ হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এই অভিযানকে ক্ষমতার অপব্যবহার বলে সমালোচনা করেছেন ইলহান ওমর। তার অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে লক্ষ্যবস্তু করতে কেন্দ্রীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে ব্যবহার করার ক্ষেত্রে এটি নজিরবিহীন পদক্ষেপ।
অন্যদিকে রিপাবলিকান প্রার্থী জন নাগেল আগে মিনেসোটা স্টেট প্যাট্রলে দায়িত্ব পালন করেছেন। নির্বাচনী প্রচারে সরকারি অর্থের অপব্যবহার ঠেকাতে কঠোর পদক্ষেপ, মেডিকেয়ার ও মেডিকেইড কর্মসূচি সুরক্ষা, সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা আইন সংস্কার এবং সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি। পাশাপাশি জাতীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকারও ছিল তার।
সময়ের আলো/ইউএমএইচ