প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:১৬ এএম আপডেট: ০৫.১১.২০২৬ ৩:১৬ এএম
যাদের একটি রিকশা তারাই শুধু ফরম সংগ্রহ করতে পেরেছেন। ছবি : সংগৃহীত রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত ই-রিকশার দৌরাত্ম্য কমিয়ে সড়কে শৃঙ্খলা আনতে নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। বুধবার ডিএসসিসি সকাল ১০টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত ফরম বিক্রি করে। এদিন সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত মোট ১ হাজার ফরম বিক্রি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। তবে যাদের একটি রিকশা তারাই শুধু ফরম সংগ্রহ করতে পেরেছেন।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে প্রথম পর্যায়ে পাঁচশ থেকে ১ হাজার কিংবা সর্বোচ্চ ২ হাজার ই-রিকশা নির্ধারিত শর্ত পূরণ করলে সেগুলোকে নিবন্ধনের অনুমোদন দেওয়া হবে।
বুধবার সকাল থেকে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি জমা দিয়ে লাইন ধরে ১০০ টাকার বিনিময়ে এ ফরম সংগ্রহ করেন রিকশার মালিক ও চালকরা। তবে কেবল আবেদন করলেই মিলবে না নিবন্ধন। ই-রিকশাকে নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী প্রস্তুত করে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অনুমোদন বা ক্লিয়ারেন্স নিতে হবে। এরপর স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক জারিকৃত ‘সিটি করপোরেশন এলাকায় তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত রিকশা (ই-রিকশা) চলাচল বিধিমালা, ২০২৬’-এর শর্ত পূরণ সাপেক্ষে সিটি করপোরেশনে আবেদন জমা দিলেই শুরু হবে নিবন্ধন প্রক্রিয়া।
নিবন্ধনের আবেদনকারীকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। নির্ধারিত ফি জমাদান-সাপেক্ষে আবেদনপত্রের সঙ্গে যেসব প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে। এর মধ্যে জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) সত্যায়িত অনুলিপি, সদ্য তোলা দুই কপি পাসপোর্ট আকারের ছবি, ফি জমার মূল রসিদ ও নির্ধারিত ফরমে ফিটনেস সার্টিফিকেট।
এদিকে ই-রিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণে ঢাকা দক্ষিণ সিটি এলাকাকে চারটি জোনে ভাগ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি জোনে কতটি ই-রিকশা চলতে পারবে, তা নির্ধারণ করা হবে। আজ বৃহস্পতিবার সিটি করপোরেশন ও বাংলাদেশ পুলিশের যৌথ সভায় জোনের সীমানা এবং এলাকাভিত্তিক ই-রিকশার সম্ভাব্য সংখ্যা চূড়ান্ত করবে। এ ছাড়া নির্ধারিত মডেল অনুযায়ী ই-রিকশা তৈরি ও মেরামতের জন্য নির্দিষ্ট ওয়ার্কশপ ঠিক করে দেওয়া হবে। অবৈধ বিদ্যুৎ-সংযোগের মাধ্যমে ব্যাটারি চার্জ বন্ধ করতে ওয়ার্ড বা থানা পর্যায়ে নির্ধারিত চার্জিং স্টেশন স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে।
সময়ের আলো/প্রিন্ট/এমকে