মাসব্যাপী অভিযানেও থামেনি লড়াই, কোন দিকে এগোচ্ছে ইয়েমেন যুদ্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

সরকারি বাহিনীর হামলায় হুতিদের ক্ষয়ক্ষতি হলেও পাল্টা আঘাতে সৌদি আরব ও ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীকেও চাপে রাখছে গোষ্ঠীটি। সংঘাত কমার কোনো

2026-11-05T19:51:00+00:00
2026-11-05T19:51:00+00:00
 
  বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬,
২১ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
আন্তর্জাতিক
মাসব্যাপী অভিযানেও থামেনি লড়াই, কোন দিকে এগোচ্ছে ইয়েমেন যুদ্ধ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:৫১ পিএম 
ইয়েমেনের হুতি নিয়ন্ত্রিত রাজধানী সানায় একটি প্রদর্শনীতে ‘শহিদ যোদ্ধা’ হিসেবে বর্ণিত ব্যক্তিদের প্রতিকৃতির পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন এক ব্যক্তি। ছবি : আল-জাজিরা
সরকারি বাহিনীর হামলায় হুতিদের ক্ষয়ক্ষতি হলেও পাল্টা আঘাতে সৌদি আরব ও ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীকেও চাপে রাখছে গোষ্ঠীটি। সংঘাত কমার কোনো লক্ষণ দেখছেন না বিশ্লেষকেরা। 

ইয়েমেনের হুতি নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল পুনর্দখলে গত ৫ অক্টোবর বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত দেশটির সরকার। ‘অপারেশন ডন অব ইয়েমেন’ নামের এই অভিযানের লক্ষ্য ছিল রাজধানী সানাসহ হুতিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা সব এলাকা পুনরুদ্ধার করা। সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোটের সমর্থনে অভিযান শুরু হলেও এক মাস পর সংঘাতের গতিপথ এখন দীর্ঘস্থায়ী ক্ষয়যুদ্ধের দিকে যাচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

ইয়েমেনের রাজধানী সানা ২০১৪ সালের শেষ দিক থেকে হুতিদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ওই বছরের সেপ্টেম্বরে রাজধানী দখলের মধ্য দিয়ে গৃহযুদ্ধের সূচনা করে গোষ্ঠীটি। এক দশকের বেশি সময় ধরে চলা এই সংঘাতে কখনো লড়াই বেড়েছে, কখনো কমেছে। তবে নতুন অভিযান শুরুর পর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আবারও সংঘর্ষ তীব্র হয়েছে। 

সানার ৪০ বছর বয়সী বাসিন্দা মোহাম্মদ আহমেদ জানান, গত ৫ অক্টোবর নতুন অভিযান শুরুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর তার পরিবার উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তায় পড়ে। কোন পক্ষ জয়ী হবে, তা নিয়ে তার উদ্বেগ ছিল না। বরং ঘনবসতিপূর্ণ রাজধানীর আশপাশে বা ভেতরে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছিলেন তিনি।

অভিযান শুরুর এক মাস পর সানায় পরিস্থিতি অনেকটা শান্ত রয়েছে। তবে মাঝেমধ্যে বিমান হামলা হচ্ছে। অন্যদিকে দক্ষিণ ইয়েমেনের তাইজ ও লাহিজসহ কয়েকটি প্রদেশে হুতিরা নতুন করে ভূখণ্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। সেখানে এখনো সংঘর্ষ চলছে।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযানের শুরুর দিকে যে গতি দেখা গিয়েছিল, তা কিছুটা কমেছে। তবে বিশেষজ্ঞ ও গবেষকদের ধারণা, এই অভিযান ইয়েমেনের যুদ্ধে নতুন এক পর্যায়ের সূচনা করেছে। দুই পক্ষই দীর্ঘস্থায়ী ক্ষয়যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ছে।

হুতিদের কৌশলের তিন ভিত্তিতে আঘাত

সৌদি ডাইমুমাহ সেন্টার ফর স্টাডিজের প্রধান তুর্কি আল-গোবলান আল জাজিরাকে বলেন, অতীতে হামলা মোকাবিলায় কৌশল পরিবর্তন, দুর্গম ভৌগোলিক অবস্থান, গোপন সরবরাহ ও আড়াল নেটওয়ার্ক এবং বেসামরিক মানুষকে মানবঢাল হিসেবে ব্যবহারের মাধ্যমে টিকে ছিল হুতিরা।

তবে নতুন অভিযান তাদের সেই কৌশলের তিনটি প্রধান ভিত্তিতে আঘাত করেছে বলে মনে করেন তিনি। 

তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথম ভিত্তি হলো জ্বালানি ও সরবরাহব্যবস্থা। এর মাধ্যমে হুতিদের সামরিক যান চলাচল, গোলাবারুদ পরিবহন এবং নতুন সেনা সদস্যদের যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়।

দ্বিতীয়ত, বাব আল-মান্দেব প্রণালি ও ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূলের সামুদ্রিক এলাকায় হুতিদের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে। এসব এলাকা বিকল্প বহিরাগত সরবরাহপথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাব আল-মান্দেব লোহিত সাগর ও আরব সাগরকে যুক্ত করেছে। সৌদি আরবের তেল রফতানি এবং চীনসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের পণ্য ইউরোপে পরিবহনের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। 

তৃতীয়ত, সানার আশপাশের কয়েকটি গোত্র আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের সমর্থনে সংঘবদ্ধ হওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এতে ইরান-সমর্থিত হুতিদের গোত্রগুলোর ওপর নির্ভরশীলতা দুর্বল হচ্ছে।

আল-গোবলান বলেন, তিনটি ভিত্তিতে একসঙ্গে আঘাত এলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে সেই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার সক্ষমতা। তার মতে, হুতিদের ক্ষয়ক্ষতির গতি এখন তাদের পুনরুদ্ধারের সক্ষমতাকে ছাড়িয়ে গেছে।

তিনি বলেন, বারবার ক্ষতির ফলে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা কমে গেলে ক্ষয়যুদ্ধ আর চূড়ান্ত বিজয়ের বিপরীত কিছু থাকে না; বরং বিজয় অর্জনের উপায় হয়ে ওঠে। 

২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে সানা দখলের পর থেকে উত্তর ও পশ্চিম ইয়েমেনের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে হুতিরা। এরপর থেকে সংঘাতের কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি।

ইয়েমেনের আবাদ স্টাডিজ অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের চেয়ারম্যান আবদুস সালাম মোহাম্মদ বলেন, নতুন অভিযান হুতিদের সেনা ও সামরিক সক্ষমতা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সরিয়ে নিতে বাধ্য করেছে। এতে তারা প্রাণঘাতী হামলার ঝুঁকিতে পড়েছে।

তিনি বলেন, তাইজ ও ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূলে বিমান হামলায় হুতিদের অনেক মাঠপর্যায়ের কমান্ডার এবং শত শত যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। এসব ক্ষয়ক্ষতির মধ্যেও হুতিরা কিছু এলাকায় নিয়ন্ত্রণ বাড়িয়েছে। তবে সরকারি বাহিনী বিমানশক্তি ও স্থলসেনাদের সমন্বিত অভিযান চালিয়ে গেলে এসব অর্জন বেশিদিন স্থায়ী নাও হতে পারে।

গত মাসে ইয়েমেন সরকার দাবি করে, ২৪ ঘণ্টায় তাদের বাহিনীর অভিযানে ১ হাজার ৫৪০ জন হুতি যোদ্ধা নিহত বা আহত হয়েছেন। গত সপ্তাহের শেষ দিকে সরকার জানায়, ৫ অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত ১৬ হাজার ১০০ হুতি সদস্য ও কমান্ডার নিহত বা আহত হয়েছেন। 

তবে হুতিরা হতাহতের এই সংখ্যা নিশ্চিত করেনি। এরই মধ্যে তারা সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দর লক্ষ্য করে প্রতিদিন ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। এসব হামলায় একাধিক বিমানবন্দর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং দেশটির আকাশপথে বিমান চলাচল ব্যাহত হয়েছে।


দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের আশঙ্কা

সানা সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের গবেষণা ব্যবস্থাপক ইয়াজিদ আল-জেদ্দাউই আল জাজিরাকে বলেন, গত ৩০ দিনে সরকারি বাহিনীর অভিযান শক্তির ভারসাম্যে বড় কোনো পরিবর্তন আনতে পারেনি। ফলে সংঘাত ক্রমেই দীর্ঘস্থায়ী ক্ষয়যুদ্ধের দিকে এগোচ্ছে।

তিনি বলেন, ইয়েমেনের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির মধ্যেই এখন সংঘাত সীমাবদ্ধ নেই। এটি বৃহত্তর আঞ্চলিক উত্তেজনা এবং ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে।

আল-জেদ্দাউইয়ের মতে, ইরান হুতিদের কৌশলগত প্রভাব বিস্তারের একটি মাধ্যম হিসেবে দেখে। অন্যদিকে সৌদি আরব গোষ্ঠীটির সামরিক সক্ষমতা কমিয়ে আনা এবং বাব আল-মান্দেবের মতো গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায়।

তিনি আরও বলেন, সংঘাতের তীব্রতা, দুই পক্ষের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি মেনে নেওয়ার প্রস্তুতি এবং উত্তেজনা বাড়ানোর প্রবণতা পরিস্থিতিকে ক্রমেই এমন অবস্থায় নিয়ে যাচ্ছে, যেখানে এক পক্ষের অর্জন অন্য পক্ষের পরাজয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি দাবি করেছেন, নতুন করে সংঘাত শুরুর পর ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের বিমান হামলাসহ মোট হামলার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৯৩৯।

সোমবার দেশটির প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিল ‘অপারেশন ডন অব ইয়েমেন’ এবং এর লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। তাদের ঘোষিত লক্ষ্য হলো হুতিদের ‘অভ্যুত্থান’ বন্ধ করা, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পুনরুদ্ধার এবং দেশের পুরো ভূখণ্ডে সরকারের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা।

ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূলে সরকারপন্থী জয়েন্ট ফোর্সের মুখপাত্র কর্নেল ওয়াদাহ আল-দুবাইশ বলেন, সম্প্রতি তাইজে হুতিরা সামরিক অগ্রগতি অর্জন করেছে। তবে এর জন্য তাদের বড় মূল্য দিতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, হুতিদের এই সম্প্রসারণ বড় ধরনের ঝুঁকি। গত এক মাসে গোষ্ঠীটি যে ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে, তা আগের কয়েক বছরের সম্মিলিত ক্ষতির চেয়েও বেশি।

ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী জানিয়েছে, তারা তাইজ প্রদেশের ধুবাব জেলা এবং বাব আল-মান্দেবের কাছের গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানগুলো পুনর্দখল করেছে।

আল-দুবাইশের ভাষ্য, গত এক দশকে বিভিন্ন যুদ্ধবিরতির সুযোগ নিয়ে হুতিরা যুদ্ধের প্রস্তুতি ও শক্তি সংগঠিত করার সময় পেয়েছে। তিনি বলেন, হুতিরা ইয়েমেনের সব পক্ষের জন্য হুমকি। এই হুমকি মোকাবিলায় সবার ঐক্যবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন।

এদিকে রোববার ইয়েমেন সরকার জানায়, উত্তরাঞ্চলীয় আল-জাওফ প্রদেশের রাজধানী আল-হাজমের পূর্ব দিকে সামরিক অবস্থান ও কৌশলগত উঁচু এলাকা পুনর্দখল করেছে সরকারি বাহিনী। 

হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা এখনো অটুট

‘অপারেশন ডন অব ইয়েমেন’ শুরুর পর থেকে ইয়েমেনের সরকারি নিয়ন্ত্রণাধীন অঞ্চল কিংবা সৌদি আরব—কোনোটিই হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঝুঁকিমুক্ত নয়।

গোষ্ঠীটি নিয়মিত ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে। এসব হামলায় বিভিন্ন সময়ে ক্ষয়ক্ষতি, প্রাণহানি ও আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ হামলাগুলোর একটিতে শাবওয়া প্রদেশে সরকারি নিরাপত্তা বাহিনীর অন্তত ৭০ জন নতুন সদস্য নিহত হয়েছেন।

ইয়াজিদ আল-জেদ্দাউই বলেন, হুতিদের অব্যাহত হামলা প্রমাণ করে, তাদের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা এখনো কার্যকর ও শক্তিশালী রয়েছে।

তবে তার মতে, শুধু তাদের হাতে কতটি ক্ষেপণাস্ত্র আছে, সেটিই মূল প্রশ্ন নয়। বরং গোয়েন্দা তথ্য, লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণে সহায়তা, যন্ত্রাংশ, প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং অস্ত্রের মজুত পুনরায় পূরণের ক্ষেত্রে তারা কী ধরনের বহিরাগত সহায়তা পাচ্ছে, সেটিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

আল-জেদ্দাউই বলেন, হামলার সময়, সংখ্যা, নির্ভুলতা এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা ইঙ্গিত দেয়, হুতিদের নিজস্ব সক্ষমতার বাইরেও একটি বিস্তৃত সহায়তাব্যবস্থা কাজ করছে।

তবে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলাকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করেছেন তুর্কি আল-গোবলান। তার মতে, অভিযান চলার মধ্যে এ ধরনের হামলা চালানো মানেই হুতিদের সামরিক শক্তি বা সুসংগঠিত যুদ্ধকৌশলের প্রমাণ নয়। 

তিনি বলেন, স্থলযুদ্ধে চলাচলের সক্ষমতা কমে যাওয়ার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে দূরপাল্লার হামলার ওপর নির্ভর করতে পারে হুতিরা। একই সঙ্গে বিভিন্ন যুদ্ধক্ষেত্রে নিজেদের মধ্যে সংহতি ধরে রাখা, রাজনৈতিক প্রভাব তৈরি এবং যুদ্ধের উদ্যোগ এখনো তাদের হাতে রয়েছে— এমন ধারণা দেওয়ার চেষ্টাও হতে পারে এসব হামলা।


সময়ের আলো/ইউএমএইচ

  বিষয়:   ইয়েমেন  সংঘাত  যুদ্ধ  সরকার  হুতি 


Advertisement
Loading...
Loading...
আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: