প্রকাশ: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ২:৪৮ এএম
ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। ছবি : সংগৃহীত সব ধর্মের অংশগ্রহণে মানবিক ও সাম্যভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাজধানীর বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে ‘ঢাকা ওয়ানগালা ২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
পরিচয় বিভাজনের কারণ হতে পারে না উল্লেখ করে ডেপুটি স্পিকার বলেন, আমাদের পরিচয়ের ক্ষেত্রে পাহাড়, সমতল, জাতি-গোষ্ঠী কিংবা ধর্ম কোনো বিভাজনের কারণ হতে পারে না। আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক, আমরা বাংলাদেশি। সবার সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করে সাম্য, স্বাধীনতা ও মানবিক মর্যাদাভিত্তিক একটি বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে হবে এবং সেই লক্ষ্যেই বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে। প্রত্যেক ধর্মই সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টি লাভের কথা বলে। যার যার ধর্মীয় অনুশাসন যথাযথভাবে পালন করলে সমাজব্যবস্থা আরও সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ হবে।
ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, দেশে আইনের শাসন ও গণতন্ত্র ফিরে আসায় সম্প্রতি দুর্গাপূজা অতীব আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপিত হয়েছে এবং মানুষ পূর্ণ ধর্মীয় স্বাধীনতা উপভোগ করছে। দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করে তিনি জানান, তার আমলে প্রতিষ্ঠিত ১০টি কালচারাল একাডেমি এ ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখছে এবং এই কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
আয়োজকদের দাবির প্রেক্ষিতে তিনি বনানী এলাকায় একটি কালচারাল একাডেমি ও একটি গির্জা প্রতিষ্ঠার আশ্বাসের কথা জানান। পাশাপাশি, আগামী বড়দিন-২০২৬ উপলক্ষে খ্রিষ্টীয় ধর্মাবলম্বীদের চাওয়া ২ কোটি টাকার বিপরীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৩ কোটি টাকা অনুদানের নির্দেশ দিয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন এবং প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিজম থেকে মুক্ত হওয়ার পর আমরা একটি নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ পেয়েছি। ভবিষ্যতে প্রত্যেকের মানবিক মর্যাদা, সাম্য ও নাগরিক অধিকার সুনিশ্চিত করতে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে চাই। এই গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে তিনি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
সময়ের আলো/আতা