ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় আবারও হামলা চালাবেন ট্রাম্প?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে নিয়ে কখনো হুমকি দিচ্ছেন, আবার কখনো যুদ্ধের অবসানের আশাবাদ জানাচ্ছেন। দেশটির মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির

2026-11-07T17:11:17+00:00
2026-11-07T17:11:17+00:00
 
  শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬,
২৩ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
আন্তর্জাতিক
ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় আবারও হামলা চালাবেন ট্রাম্প?
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:১১ পিএম 
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে নিয়ে কখনো হুমকি দিচ্ছেন, আবার কখনো যুদ্ধের অবসানের আশাবাদ জানাচ্ছেন। দেশটির মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির বড় পরাজয়ের পর তার বক্তব্যে এমন দ্বৈত অবস্থান আরও স্পষ্ট হয়েছে। নির্বাচনে ভরাডুবির পেছনে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধেরও ভূমিকা ছিল বলে স্বীকার করেছেন তিনি। এখন প্রশ্ন উঠেছে, ট্রাম্প কি আবারও ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালাবেন, নাকি আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথে হাঁটবেন?

মঙ্গলবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর থেকে ইরান নিয়ে একেক সময় একেক ধরনের বক্তব্য দিচ্ছেন ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ইরানের বাকি অংশ ‘ধ্বংস’ করতে হতে পারে। এমন কিছু করা হলে তা শিগগিরই জানা যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এর পরদিন শুক্রবার ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ওপর ‘সীমিত হামলা’ চালায় মার্কিন বাহিনী। একই দিন ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা জানায়, হরমুজ প্রণালিতে অবস্থিত কেশম দ্বীপে আবারও দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে।

তবে সেদিনই আবার ট্রাম্প জানান, ইরানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের আলোচনা চলছে। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘ইরানের সঙ্গে আমরা অনেক অগ্রগতি অর্জন করেছি।’

বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল পুনরায় চালুর আগে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ইরানের দেওয়া শর্ত এবং মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের দলের বড় পরাজয়—দুই বিষয়ই মার্কিন প্রেসিডেন্টকে কঠিন পরিস্থিতিতে ফেলেছে। এখন পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা নিয়ে দ্বিধায় রয়েছেন তিনি।

মাঠপর্যায়ে আসলে কী ঘটছে, যুক্তরাষ্ট্র কি আবার ইরানে হামলা চালাবে, আর সামনে কী হতে পারে—এসব প্রশ্নের উত্তর খোঁজা হয়েছে এই প্রতিবেদনে।

তেহরানের সঙ্গে কি আলোচনা করছে ওয়াশিংটন?

শুক্রবার একাধিকবার ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমরা এখন তাদের সঙ্গে আলোচনা করছি। তারা একটি চুক্তি করতে চায়।’ তবে আলোচনার বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।

শনিবার কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ছড়িয়ে পড়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার খবর নাকচ করেন। তার সতর্কবার্তা, এ ধরনের দাবি শুধু তাদেরই সুবিধা করে দেয়, যারা যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করতে চায়।

কেশম দ্বীপে আবার কেন হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র?

শুক্রবার ইরানের কেশম দ্বীপে মার্কিন সামরিক হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন ট্রাম্প। অন্যদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, দ্বীপটির সুজা এলাকায় দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে।

এর আগে চলতি সপ্তাহের শুরুতে দ্বীপটিতে ‘প্রতিরক্ষামূলক হামলা’ চালানোর কথা জানিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। কেশম দ্বীপকে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ নৌঘাঁটি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সেখানে ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণ ও উৎক্ষেপণের জন্য ভূগর্ভস্থ স্থাপনাও রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, তারা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণব্যবস্থাকে লক্ষ্যবস্তু করছে। সোমবার নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক মার্কিন কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা এপিকে বলেন, মার্কিন স্থাপনাগুলোর বিরুদ্ধে ইরানের ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার ঠেকাতেই এ হামলা চালানো হয়েছে।

এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি দেশটির সেনাবাহিনীর বরাত দিয়ে জানায়, কেশম দ্বীপের আকাশে একটি মার্কিন এমকিউ-৯ ড্রোন শনাক্ত করে ভূপাতিত করেছে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষাবাহিনী।

দ্বীপটিতে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাওয়ার খবরের পর মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক অভিযান পরিচালনাকারী যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, সেখানকার পরিস্থিতি ‘তুলনামূলক শান্ত’।

ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় কি আবার হামলা হবে?

যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় প্রস্তুতি নিচ্ছে তেহরান। পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর আশপাশের বাসিন্দাদের মধ্যে আয়োডিন ট্যাবলেট বিতরণ করছে ইরান। যুক্তরাজ্যের সংবাদপত্র দ্য টাইমস দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে।

ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘ট্রাম্পকে আর বিশ্বাস করা যায় না। তিনি এ অপরাধ করে বসতে পারেন।’

তিনি আরও জানান, প্রতিটি যুদ্ধের সময় ইরান পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর ২ থেকে ৩ কিলোমিটার এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে আয়োডিন ট্যাবলেট বিতরণের চেষ্টা করেছে।

বিকিরণের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে থাইরয়েড গ্রন্থি সুরক্ষায় আয়োডিন ট্যাবলেট ব্যবহার করা হয়।

দ্য টাইমস আরও জানায়, ইরানের এক রাজনৈতিক সাংবাদিকের দাবি, সাম্প্রতিক এক ব্রিফিংয়ে কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে যে দেশটির অত্যন্ত সুরক্ষিত পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন স্থাপনায় মার্কিন হামলার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। ওই পাহাড়ের নিচে বিশাল সুড়ঙ্গ ও বিভিন্ন স্থাপনার জটিল নেটওয়ার্ক রয়েছে বলে ধারণা করা হয়। 


এদিকে ইরানের সংবাদ সংস্থা ইয়াং জার্নালিস্টস ক্লাব (ওয়াইজেসি) শুক্রবার জানায়, দেশটির স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ দক্ষিণাঞ্চলীয় বুশেহর শহরের বাসিন্দাদের মধ্যেও আয়োডিন ট্যাবলেট বিতরণ করছে। শহরটিতে ইরানের একমাত্র সচল পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র অবস্থিত।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের ‘রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস’ কর্মসূচি শুক্রবার ঘোষণা দিয়েছে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, সংশ্লিষ্ট স্থাপনা, সরঞ্জাম ও ব্যক্তিদের বিষয়ে তথ্য দিলে সর্বোচ্চ ২ কোটি ডলার পুরস্কার দেওয়া হবে। পাশাপাশি প্রয়োজনে তথ্যদাতাকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থাও করা হতে পারে।

পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে কেন দ্বিধায় ট্রাম্প? 

এর পেছনে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং ইরানের পাল্টা কৌশল।

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নিয়ে নিজ দেশেই তীব্র বিরোধিতার মুখে রয়েছেন ট্রাম্প। সাধারণ ভোটারদের পাশাপাশি তার নিজের রিপাবলিকান পার্টির মধ্যেও এ নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে। মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ হারানোর পর সেই চাপ আরও বেড়েছে।

তবে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল পুনরায় চালু করা এবং শান্তি আলোচনা শুরুর আগে ইরানের দেওয়া শর্ত মেনে নিতে দীর্ঘদিন ধরেই অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছেন ট্রাম্প।

ইরানের শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে—দেশটির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া, জব্দ করা সম্পদ ছাড় করা, ইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহার এবং ভবিষ্যতে হামলা বন্ধের নিশ্চয়তা দেওয়া।

এখন এসব শর্ত মেনে নিয়ে সমঝোতার পথে হাঁটবেন, নাকি হামলা অব্যাহত রেখে দেশে আরও রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়বেন—এমন কঠিন সিদ্ধান্তের মুখে ট্রাম্প।

তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ও মিডল ইস্ট সায়েন্টিফিক অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ সেন্টারের উপপরিচালক হাসান আহমাদিয়ান এক্সে লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলোর বিভিন্ন ঘাঁটি ও স্থাপনায় আঘাত হানার মাধ্যমে ইরান ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে নিজ নিজ দেশে চাপে ফেলেছে। একই সঙ্গে ইরানের সঙ্গে সংঘাতের ক্ষেত্রে তাদের বিকল্পও সীমিত করে দিয়েছে।

এখন পাল্টা হামলার পরিধি আরও বাড়ানোর হুমকি দিচ্ছে তেহরান। ইঙ্গিত দিচ্ছে, উপসাগরীয় অঞ্চলের বাইরের দেশগুলোও পরবর্তী লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।

আহমাদিয়ানের মতে, সীমিত পরিসরের হামলা কীভাবে শেষ হবে, সে বিষয়ে ট্রাম্পের স্পষ্ট ধারণা নেই। এ অনিশ্চয়তাই তার ব্যক্তিগত দ্বিধা এবং ইরান ইস্যুতে তার ঘনিষ্ঠ মহলের মতপার্থক্য বাড়াচ্ছে।

তিনি বলেন, এর অর্থ এই নয় যে ট্রাম্প ইরানে হামলা চালাবেন না। তবে তিনি নিশ্চিত হতে চান, হামলাটি তার জন্য লাভজনক হবে কি না, সেখান থেকে সম্মানজনকভাবে বেরিয়ে আসার পথ থাকবে কি না এবং এর জেরে ইরান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে কি না।

আহমাদিয়ানের ভাষায়, ইরানের ‘কগনিটিভ ওয়ারফেয়ার’ বা মনস্তাত্ত্বিক কৌশল ট্রাম্পকে সীমিত যুদ্ধের পরিণতি নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে রেখেছে। আগামী জানুয়ারির আগেই তাঁকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

সামনে কী ঘটতে পারে?

পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে কেউই নিশ্চিত নন। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান—উভয় দেশই যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকার কথা বলছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস এক মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ইরানে বড় ধরনের সামরিক অভিযান আবার শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছে সেন্টকম। ওয়াশিংটনের নির্দেশের অপেক্ষায় রয়েছে তারা।

অন্যদিকে তেহরান সতর্ক করেছে, যুক্তরাষ্ট্র আবার যুদ্ধ শুরু করলে এবার আগের চেয়ে আরও বড় পরিসরে পাল্টা জবাব দেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডারের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টার এক মুখপাত্র বলেন, ‘নতুন করে আগ্রাসন চালানো হলে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানে হামলায় সহায়তা করে—এমন যেকোনো দেশ বা শক্তি ইসলামি প্রজাতন্ত্রের বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে পারে।’

এর আগে ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, আবার যুদ্ধ শুরু হলে উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে থাকা কেবল, ডেটা সেন্টার ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) স্থাপনাগুলোতেও হামলা চালানো হতে পারে।

তবে কঠোর বক্তব্যের পাশাপাশি কূটনৈতিক তৎপরতাও চলছে।

বৃহস্পতিবার কাতারের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নতুন পারমাণবিক ও শান্তি প্রস্তাব দিয়েছে ইরান। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এক জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন তেহরানের সাতটি দাবি মেনে নিলেই কেবল প্রস্তাবটি নিয়ে আলোচনা হবে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করছে।


সাবেক ইরানি কূটনীতিক হাদি আফগাহি আল জাজিরাকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রও নমনীয় হলে সমঝোতার পথ সহজ করতে পারে তেহরান। তার মতে, ট্রাম্প আসলে যুদ্ধ চান না। কারণ, নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে তাকে আরও বড় মূল্য দিতে হবে।

তবে আফগাহি সতর্ক করে বলেন, ট্রাম্পের চারপাশে এখনো একদল কঠোর অবস্থানপন্থী ব্যক্তি রয়েছেন। তাদের মধ্যে জ্বালানিমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীও রয়েছেন।

এদিকে শুক্রবার অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে এক উন্মুক্ত আলোচনায় কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান বিন জসিম আল থানি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে যুদ্ধ বন্ধে সমঝোতায় পৌঁছানোর আহ্বান জানিয়েছেন। তার পরামর্শ, চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য কোনো ‘নিখুঁত মুহূর্তের’ অপেক্ষায় থাকা উচিত নয়। 


সময়ের আলো/জেডি 
  বিষয়:   ইরান  পারমাণবিক স্থাপনা  হামলা  ট্রাম্প 


Advertisement
Loading...
Loading...
আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: