প্রকাশ: রোববার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৮ পিএম
জেলা প্রশাসক আল-মামুন মিয়া ও প্রেস বিজ্ঞপ্তি। ছবি : সংগৃহীতজয়পুরহাটে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের সভায় জিয়াউর রহমানের ছবি ব্যানারে না রাখা এবং এক বক্তার বক্তব্য ঘিরে হট্টগোলের ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে ছাত্রদল। এ ঘটনায় ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জেলা প্রশাসককে (ডিসি) অপসারণের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
শনিবার (৭ নভেম্বর) রাতে জয়পুরহাট জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক নাইম ইসলামের ফেসবুক পোস্টে দেওয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রতিবাদ জানানো হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে জয়পুরহাট জেলা প্রশাসন আয়োজিত অনুষ্ঠানের ব্যানারে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছবি না রাখা এবং এক বক্তার বক্তব্যে বারবার শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘জাতির পিতা’ হিসেবে সম্বোধন করার সময় জেলা প্রশাসক নীরব ভূমিকা পালন করেন। এ ঘটনায় জেলা ছাত্রদল তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে অবিলম্বে জয়পুরহাটের জেলা প্রশাসককে আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণের দাবি জানানো হয়। অন্যথায় দাবি আদায়ে পরবর্তীতে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল জয়পুরহাট জেলা শাখার সভাপতি এ কে এম গোলাম মাহফুজ শুভ ও সাধারণ সম্পাদক কে এম শাকিল হোসেনের নির্দেশনায় এই বিবৃতি প্রদান করা হয়। এতে স্বাক্ষর করেন জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নাঈম ইসলাম। মুঠোফোনে ছাত্রদল জেলা শাখার সভাপতি এ কে এম গোলাম মাহফুজ শুভ প্রেস বিজ্ঞপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে জেলা প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা জানান, ব্যানারটি জেলা প্রশাসক নিজেই নির্ধারণ করেছিলেন। তবে তারা আগে ব্যানার সম্পর্কে অবগত ছিলেন না। অনুষ্ঠানে এসে ব্যানারটি টাঙানো অবস্থায় দেখেছেন।
জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এ কে এম গোলাম মাহফুজ বলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনাসভার অনুষ্ঠানে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিবাদ করেছি। আমরা জেলা প্রশাসকের অপসারণ চাই এবং তার অপসারণের জন্য সময়সীমা বেঁধে দিয়েছি।
রোববার সকালে জেলা প্রশাসক আল-মামুন মিয়ার সরকারি মুঠোফোনে কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি, ফলে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
তবে এ ঘটনায় জেলা প্রশাসক দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেন।
সময়ের আলো/এনএন