২০২১ ও ২০২২ সালে বিজয় দিবসের কুচকাওয়াজে ‘মৃত্যুঞ্জয়’ নামে বঙ্গবন্ধুর একটি ভাস্কর্য প্রদর্শিত হওয়ার পর ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছিল। এবার জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হলো ভাস্কর্যটি। ‘মৃত্যুঞ্জয়’ স্থাপনের জন্য রাজধানীর বিজয় সরণি মোড়ের সড়ক দ্বীপ নির্বাচন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্ববধানে ভাস্কর্যটি সেখানে স্থাপন করা হয়। আর ভাস্কর্য স্থাপনের স্থানটির নাম দেওয়া হয় ‘মৃত্যুঞ্জয়ী প্রাঙ্গণ’।
শুক্রবার (১০ নভেম্বর) সকালে ‘মৃত্যুঞ্জয়ী প্রাঙ্গণ’ এর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সকাল ১০টার কিছু সময় আগে প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন অনুষ্ঠান স্থলে আসেন। এই সময় দর্শক সারিতে থাকা একদল শিশুকে ঢেকে মঞ্চের দুই পাশে নিজের কাছাকাছি নিয়ে আসেন তিনি। সবাই মিলে বেলুন উড়িয়ে করতালির মাধ্যমে উদ্বোধন করা হয় ‘মৃত্যুঞ্জয়ী প্রাঙ্গণ’র। এসময় প্রধানমন্ত্রী ‘মৃত্যুঞ্জয়ী প্রাঙ্গণ’ ঘুরে দেখেন এবং পরে সেখানে উপস্থিত শিক্ষার্থী এবং সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে ছবি তোলেন।
‘মৃত্যুঞ্জয়ী প্রাঙ্গণ’ এর মাঝখানে বঙ্গবন্ধুর বিশাল ভাস্কর্য সাত দেওয়ালের ম্যুরালসহ স্থাপন করা হয়েছে। ম্যুরালে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে।
ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে অন্যান্য আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধসহ বাঙালি জাতির মুক্তির সংগ্রামে জাতির পিতার নেতৃত্ব ও অবদান তুলে ধরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক নির্মিত এই প্রাঙ্গণের দেয়ালে চিত্রিত হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতার এই ভাস্কর্যটি নিছক একটি ভাস্কর্য নয়, এটি একটি ইতিহাস। আমাদের দেশকে জানার জন্য এটি একটি ইতিহাস।’
সময়ের আলো/জেডআই