
গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যাকাণ্ডের চতুর্থ বার্ষিকী বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর)। এ উপলক্ষে সুন্দরগঞ্জের বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের সাহাবাজ মাস্টারপাড়ায় তাঁর নিজস্ব বাসভবনে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ, কোরানখানি, দোওয়া মাহফিল ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে আলোচনা সভা।
এদিকে নিহত এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনের সহধর্মিণী সৈয়দা খুরশিদ জাহান স্মৃতি এবং সুন্দরগঞ্জের সর্বস্তরের মানুষ এই হত্যা মামলার আসামিদের ফাঁসির রায় দ্রুত কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় নিজ বাড়িতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন। জেলা জজ আদালত ২০১৯ সালের ২৮ নভেম্বর এমপি লিটন হত্যাকাণ্ডে জড়িত সাত আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডিতরা হলো- আব্দুল কাদের খান ও তার পিএস শামছুজ্জোহা এবং হান্নান, মেহেদী, শাহীন, রানা ও চন্দন কুমার রায়। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি চন্দ্রন কুমার রায় পলাতক রয়েছে। যেদিন তাকে গ্রেফতার করা হবে সেদিন থেকেই তার রায় কার্যকর হবে বলে বিচারক তার রায়ে উল্লেখ করেন। এমপি লিটন হত্যার ঘটনায় পুলিশ দুটি মামলা দায়ের করে। একটি অস্ত্র মামলা ও অপরটি হত্যা মামলা। অস্ত্র মামলার রায়েও একমাত্র আসামি আব্দুল কাদের খানের ১২ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে।