যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীর ওপর নির্যাতনের মামলায় আইনজীবী স্বামীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশিদ এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডিত আইনজীবীর নাম মো. মনিরুল ইসলাম আকাশ। রায়ে তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, আকাশ আগের বিয়ে ও বাচ্চার তথ্য গোপন করে মিথ্যা প্রলোভনে তার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। ২০১৩ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক ১০ লাখ টাকা দেনমোহরে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর ২০১৩ সালের ১৪ মার্চ আকাশ বাদীর কাছে বাড়ি মেরামতের জন্য ৪ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। বাদী সরল বিশ্বাসে নিজের গহনা বিক্রি করে ও সঞ্চিত অর্থ থেকে ৪ লাখ টাকা আসামিকে দেন। কিছুদিন পর পুনরায় আসামি বাদীর কাছে ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন।
তখন বাদী বলেন, ‘আমার বাবা নেই। আমি এত টাকা কোথায় পাব? আমার জমানো টাকা তোমাকে আগে দিয়েছি।’ এরপর প্রায় প্রতি রাতেই বাদীকে যৌতুকের জন্য মারধর করতেন আসামি। সর্বশেষ ২০১৩ সালের ২৬ মে রাত ১০টার দিকে আসামি বাদীর বাসায় এসে দাবিকৃত যৌতুকের টাকা জোগাড় হয়েছে কি না, তা জিজ্ঞেস করেন। টাকা দিতে না পারলে বাদীকে ডিভোর্স দেওয়ার হুমকি দেন। এ অভিযোগে ফাহিমা বেগম লিজা বাদী হয়ে ঢাকার সিএমএম আদালতে মামলা করেন।
এফএইচ