সৌরবিদ্যুৎ: আশার আলোতে অনেক আঁধার

রফিক রাফি

জাতীয়

জ্বালানি সংকটে সারা বিশ্বই এখন নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে ঝুঁকছে। ইতিমধ্যে উন্নত অনেক দেশ তাদের ব্যবহৃত জ্বালানির ৩০ শতাংশ পর্যন্ত নবায়নযোগ্য

2023-08-05T02:18:08+00:00
2023-08-05T02:18:08+00:00
 
  শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬,
৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
জাতীয়
সৌরবিদ্যুৎ: আশার আলোতে অনেক আঁধার
রফিক রাফি
প্রকাশ: শনিবার, ৫ আগস্ট, ২০২৩, ২:১৮ এএম   (ভিজিট : ১০৫৭)
জ্বালানি সংকটে সারা বিশ্বই এখন নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে ঝুঁকছে। ইতিমধ্যে উন্নত অনেক দেশ তাদের ব্যবহৃত জ্বালানির ৩০ শতাংশ পর্যন্ত নবায়নযোগ্য উৎস থেকে জোগান দিচ্ছে।

অপরদিকে বাংলাদেশ সাম্প্রতিক বছরে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের নানা উদ্যোগ নিলেও সে তুলনায় অর্জন নগণ্য। ২০২১ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ১০ শতাংশ নির্ধারণ করে তার এক-তৃতীয়াংশও বাস্তবায়ন করতে পারেনি। 

বিশে^র সবচেয়ে পরিবেশবান্ধব বিদ্যুতের একটি হচ্ছে-সৌরবিদ্যুৎ। দেশে সৌরবিদ্যুতের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ ও তা বাস্তবায়নে ধীরগতির কারণে কাক্সিক্ষত লক্ষ্য অধরাই থেকে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে বেসরকারি উদ্যোক্তরা সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে ঝুঁকছেন। আগামী ১ বছরের মধ্যে ১ হাজার মেগাওয়াট, ২০৩০ সালের মধ্যে চাহিদার ১৫ শতাংশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে ৪০ শতাংশ বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে কাজ করছে সরকার।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নানা প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। বেশ কিছু প্রকল্প পাইপলাইনে রয়েছে। অনেকে প্রকল্পের অনুমোদন নিয়েও উৎপাদনে আসেনি। মূল সমস্যা হচ্ছে সৌরবিদ্যুতের জন্য অনেক বেশি জমি লাগে কিন্তু জমি পাওয়া যায় না। আবার অনেক টাকা বিনিয়োগ প্রয়োজন। তবে চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভ নামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের গবেষণা বলছে, ১ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনে ৩ একর জমির প্রয়োজন হয়। 

অকৃষি জমিতে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের আইন করা হয়েছে। ছোট ও জনবহুল দেশ হলেও এ পরিমাণ অকৃষি জমি খুঁজে পাওয়া খুবই কঠিন নয়। সংগঠনটি বলছে, ভূমি মন্ত্রণালয়ের ১৯৮৪ সালের তথ্যানুযায়ী, দেশে ১৬ লাখ ৮৬ হাজার ২৫৪ একর খাসজমি আছে। এ খাসজমির ৫ শতাংশ ব্যবহার করে ২৮ হাজার ১০৬ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব। এর মধ্যে চট্টগ্রামে ২২ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব।

সংস্থাটি বলছে, ২০১৬ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উৎস থেকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে ৬ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ডলার পেয়েছে। ২০৪১ সালের মধ্যে ৪০ শতাংশ বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে উৎপাদনের জন্য ২৬ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন। এর বিপরীতে আন্তর্জাতিক অর্থদাতাদের কাছ থেকে প্রায় ৩৮ দশকি ৪৪ বিলিয়ন ডলার পাওয়া সম্ভব।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমানে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন খরচ আগের তুলনায় অনেক কমেছে। তেল গ্যাসের ব্যবসার সঙ্গে প্রভাবশালী মহল জড়িত, তাদের দৌরাত্ম্য নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে পরোক্ষ বাধা। নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিশ্চিতকল্পে একটি সুনির্দিষ্ট আইন ও সুস্পষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ প্রয়োজন। এ ছাড়া সরকারি-বেসরকারি ভবনের ছাদে রুফ টপ সোলার প্যানেল বসানো বাধ্যতামূলক করা দরকার। জমির সংকট কাটাতে বিভিন্ন জলবন্দর, বিমানবন্দর, ক্যান্টনমেন্টে খালি পরে থাকা অব্যবহৃত জমিকে কাজে লাগতে হবে। গ্রাম ও শহর সব জায়গাকে প্রকল্পগুলোর আওতায় আনতে হবে। গ্রাম ও শহরে সব জায়গায় সোলার প্যানেল বসাতে হবে। এ খাতে বাজেট এবং ভর্তুকি বাড়াতে হবে।

টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (স্রেডা) তথ্যানুযায়ী বর্তমানে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে মোট ১১৯৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে। এর মধ্যে সৌরশক্তি থেকে ৯৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে। জাতীয় গ্রিডের (অনগ্রিড) সঙ্গে যুক্ত আছে ৫৯৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। বাকিটা চলছে অফগ্রিডে, যার একটি বড় অংশ আসছে সোলার হোম সিস্টেম থেকে। সারা দেশে ৬০ লাখের বেশি সোলার হোম সিস্টেম স্থাপন করা হয়েছে। এ ছাড়া বায়ু থেকে ২ দশমিক ৯ মেগাওয়াট, হাইড্রো থেকে ২৩০ মেগাওয়াট, বায়োগ্যাস থেকে দশমিক ৬৯ মেগাওয়াট এবং বায়োম্যাস থেকে দশমিক ৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে।

বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সরকারি ও বেসরকরি উদ্যোগে এবং দেশি-বিদেশি যৌথ বিনিয়োগে দেশের সুবিধাজনক স্থানে বেশ কিছু সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে, পরিকল্পনাধীন আছে আরও কিছু প্রকল্প। বেসরকারি খাতে এ পর্যন্ত ৯টি বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের সঙ্গে আনসলিসিটেড পাওয়ার পারচেজ অ্যাগ্রিমেন্ট (পিপিএ) এবং ইমপ্লিমেন্টেশন অ্যাগ্রিমেন্ট (আইএ) স্বাক্ষর করেছে। দুটি সলিসিটেড প্রকল্প স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ ছাড়া ১০টি প্রকল্পকে আনসলিসিটেড প্রকল্প হিসেবে এলওআই ইস্যু করা হয়েছে। তিনটি সলিসিটেড প্রকল্পকে এলওআই ইস্যু করা হয়েছে। মোট ২৪টি প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন আছে।

এ ছাড়া সোলার পার্ক থেকে ১ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট, সোলার রুফটপ থেকে ৬৩৫ মেগাওয়াট, সোলার হোম সিস্টেম থেকে ১০০ মেগাওয়াট, সোলার সেচ প্রকল্প থেকে ৬৩৭ মেগাওয়াট, বায়ুবিদ্যুৎ থেকে ৬৩৭ মেগাওয়াট, বায়োমাস, বিশেষ করে ধানের তুষ থেকে ২৭৫ মেগাওয়াট, অ্যানিম্যাল ওয়েস্ট থেকে ১০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে। আরও ৬০ মেগাওয়াটের জলবিদ্যুৎ এবং ৩ মেগাওয়াটের হাইব্রিড বিদ্যুৎকেন্দ্রও নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভের প্রধান নির্বাহী এম জাকির হোসেন খান সময়ের আলোকে বলেন, শুধু দুর্নীতির কারণে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে এগোনো যাচ্ছে না। বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ফার্নেস ওয়েল থেকে একটা সুবিধা পাচ্ছে। এ ছাড়া ‘ক্যাপাসিটি চার্যের’ নামেও ব্যাপক সুবিধা পাচ্ছে। এ বেনিফিসিয়ারিরা নবায়নযোগ্য জ্বালানির অগ্রসরে প্রধান বাধা।

তিনি বলেন, আমাদের যে পরিমাণ অকৃষি জমি আছে তার ৫ শতাংশ ব্যবহার করে ২৮ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব ৬ মাস থেকে ১ বছরের মধ্যে। এতে বিদ্যুৎ আমাদের দরকার নেই, যতটুকু দরকার তার জন্য প্রয়োজন দ্রুত পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন। কয়লাবিদ্যুৎ থেকে সরে এসে ভারতসহ বিভিন্ন দেশ আন্তর্জাতিক ক্লাইমেট ফান্ড থেকে টাকা পাচ্ছে। সেই সুযোগ কেন আমরা নিচ্ছি না?

তিনি আরও বলেন, সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য ৪২টি পয়েন্টে অনুমতি নিতে হয়, ২ থেকে ৩ বছর লাগে অনুমতি পেতে। এটা ৬ মাসের মধ্যে পাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। কোন কোন জমিতে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাবে তা নির্ধারণ করে দিতে হবে, ম্যাপিং করে দিতে হবে। 

সৌরবিদ্যুৎ করার জন্য কোনো কোনো ক্ষেত্রে ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ ভ্যাট-ট্যাক্স দিতে হয়, এটা ৫ বছরের জন্য ১ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ করতে হবে। প্রতিযোগিতামূলক বাজার তৈরি করতে হবে, আন্তর্জাতিক কম্পোনিগুলোকে সুযোগ দিলে ক্যাপাসিটি তৈরি হবে। পিডিবি ছাড়াও যেন অন্যরা বিদ্যুৎ কিনতে পারে সেই ব্যবস্থা করতে হবে।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সাবেক অধ্যাপক ড. ইজাজ হোসেন সময়ের আলোকে বলেন, অপরিকল্পিত বিদ্যুতায়নের কারণে আমাদের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাত এগোচ্ছে না। এই খাতকে অগ্রাধিকার দিতে হবে এখনই।

এ বিষয়ে ভোক্তা অধিকার সংগঠন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি এম শামসুল আলম সময়ের আলোকে বলেন, সরকারকে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার ঘটাতে হলে সরকারের পলিসি পরিবর্তন করতে হবে। গ্রিড বিদ্যুৎ, ফসিল ফুয়েল বিদ্যুৎ উৎপাদনে যে কৌশল গ্রহণ করেছে, দ্রুত বিদ্যুৎ জ্বালানি সরবরাহ আইন করে এ খাতে প্রতিযোগিতা রহিত করেছে। বিদ্যুতের অতিরিক্ত দাম, সিস্টেম লস, অপচয়, বিইআরসির ক্ষমতা খর্ব করা-এগুলো থেকে সরকারকে বেরিয়ে আসতে হবে। কম দামে বিদ্যুৎ যেখান থেকে পাওয়া যায় সেখান থেকে নিতে হবে। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করলেই নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রতিযোগিতায় চলে আসবে।

তিনি বলেন, তেল, গ্যাস ও কয়লা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ অনেক বেশি। সে তুলনায় নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে উৎপাদন খরচ অনেক কম, কোনো ভর্তুকি দিতে হবে না। যেখানে গ্রিড বিদ্যুৎ কিনতে হচ্ছে ৯ টাকা সেখানে সৌরবিদ্যুতের খরচ পড়ছে সাড়ে ৭ টাকা। সরকারকে নবায়নযোগ্য জ্বালানির মার্কেট তৈরি করতে হবে। অগ্রাধিকার দিতে হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন সময়ের আলোকে বলেন, সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে প্রণোদনা দিচ্ছে। গ্রিড অফগ্রিড মিলিয়ে এখন ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। বেশিরভাগই সৌরবিদ্যুৎ। এখন বিভিন্ন জায়গায় ৫০ থেকে ১০০ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ স্টেশন করা হচ্ছে। আগামী ১ বছরের মাথায় ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সৌর থেকে যোগ হবে। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে ২০৩০ সালের মধ্যে ১৫ শতাংশ বিদ্যুৎ আসবে সৌর থেকে। ২০৪১ সালের মধ্যে মোট উৎপাদনের ৪০ শতাংশ নবায়নযোগ্যা জ্বালানি থেকে উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে।

তিনি বলেন, বিশ্বেই অনেক দেশ নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে এগিয়ে গেলেও বাংলাদেশ অতটা এগোতে পারেনি, কথাটা সত্য নয়। বাংলাদেশের সৌর ছাড়া অন্যভাবে অতটা সম্ভাবনা নেই। কিন্তু অন্য দেশের আছে। সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা দরকার, কিন্তু আমাদের জমির সমস্যা আছে।

পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক বলেন, আমাদের নবায়নযোগ্য জ্বালানির মধ্যে সৌর ছাড়া উৎস কম। হাইড্রোতে করার সুযোগ নেই, বায়ুবিদ্যুৎ করছি।

সৌরবিদ্যুতের প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন পেতে দীর্ঘ সময় লাগে-এ বিষয়ে তিনি বলেন, ৪-৫ বছর আগে ওয়ার্ক-অর্ডার দেওয়া হয়েছে, এমন প্রকল্পও এখনও উৎপাদনে আসতে পারেনি। সুতরাং দীর্ঘ সময় লাগে এসব কথা বাতুলতা। জমির সমস্যার কারণে অনেক সময় প্রকল্প বাস্তবায়নে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। নীতিমালায় বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র যেসব সুবিধা পায় সৌরবিদ্যুতের জন্যও একই সুবিধা দেওয়া হয়। আমরাও চাই, ভ্যাট-ট্যাক্স কমানো হোক। খরচ কমলে, উৎপাদন খরচ কমবে এবং সৌরবিদ্যুতের প্রসার বাড়বে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ সম্প্রতি বলেছেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারকে বাংলাদেশ সর্বাত্মকভাবে সমর্থন করে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশে নবায়ণযোগ্য জ্বালানির মধ্যে সৌরবিদ্যুতের সম্ভাবনাই বেশি। বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ ও বায়ু থেকে বিদ্যুৎ নিয়েও কাজ করা হচ্ছে। সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র বাস্তবায়নে প্রচুর জমি লাগে, যা বাংলাদেশের মতো ঘনবসতিপূর্ণ দেশে বড় আকারে সোলার প্রকল্প বাস্তবায়ন করা দুরূহ। প্রযুক্তির অবাধ বিচরণ ও গবেষণার দ্বারা এ চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করা যেতে পারে। সৌরবিদ্যুতের জন্য খসরা রোডম্যাপ-২০৪১ নিয়ে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে নবায়ণযোগ্য জ্বালানি থেকে ২৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ১০৮টি প্রকল্পের মাধ্যমে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে প্রায় ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন। যদিও নবায়নযোগ্য উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা এখন প্রায় ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট।

সময়ের আলো/আরএস/ 






  বিষয়:   সৌরবিদ্যুৎ 


Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: