পেঁয়াজের বাজারে অরাজকতা থামেনি বরং শনিবারের পর রোববার বাজার আরো চাড় হয়েছে। খুচরা বাজারে দেশি পেঁয়জের কেজি ৩০০ টাকা ছুঁইছুঁই করছে। অধিকাংশ খুচরা বাজারে এক কেজি পেঁয়াজ ২৭০ থেকে ২৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। আবার কোনো কোনো বাজারে ৩০০ টাকাতেও দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হতে দেখা গেছে। আর আমদানিকৃত ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৪০ থেকে ২৫০ টাকায়। একই হারে বেড়েছে পাইকারি বাজারেও।
রোববার (১০ ডিসেম্বর) পাইকারি বাজারে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ২৩০ থেকে ২৪ টাকায়। আর আমদানিকৃত পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ২০০ থেকে ২২০ টাকায়।
এদিকে হঠাৎ করেই দেশের বাজারে পেঁয়াজের বাজার টালমাটাল হওয়ায় অভিযান আরো জোরালো করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর। রোববার রাজধানী ঢাকাসহ একযোগে দেশের ৪০ জেলায় অভিযান চালিয়ে ৮০ ব্যবসায়ীকে ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অধিদফতর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
রোববার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ডাবল সেঞ্চুরি পার করে পেঁয়াজ এখন ত্রিপল সেঞ্চুরির দিকে। ঢাকার অধিকাংশ খুচরা বাজারে দেশী পেঁয়াজ ২৭০ থেকে ২৮০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। এদিকে দাম বেড়ে যাওয়ায় পেঁয়াজের বিক্রি কমে গেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। খুচরা বিক্রেতারাই বলছেন, আগে যেখানে পাড়া মহল্লার দোকানে দিনে ৩০-৪০ কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হতো, সেখানে দাম বেড়ে যাওয়ার পর এখন ১৫-২০ কেজি পেঁয়াজ বিক্রি করাই কঠিন হয়ে গেছে।
গত বৃহস্পতিবার ভারতের ডিরেক্টর জেনারেল অব ফরেন ট্রেড (ডিজিএফটি) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছিল, অভ্যন্তরীণ বাজারের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে তারা আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত পেঁয়াজ রপ্তানি করবে না। এর আগে গত ২৯ অক্টোবর ভারত প্রতি টন পেঁয়াজের রপ্তানি মূল্য ৮০০ ডলার নির্ধারণ করে দেয়, যা ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে বলা হয়েছিল। তার আগেই দেশটি পেঁয়াজ একেবারে রপ্তানি বন্ধ করে দিল। ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা শুক্রবার বাংলাদেশের গণমাধ্যমে প্রচারিত হলে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দাম হুহু করে বাড়তে থাকে।
এ অবস্থায় পেঁয়াজের দাম বাড়তি হওয়ায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার দোকানগুলোতে পেঁয়াজ কেনা ও বিক্রির পরিমাণ অনেকটাই কমে গেছে। কারণ এত বেশি দাম হওয়ায় সাধারণ ক্রেতারা পেঁয়াজ কিনছেন অল্প পরিমাণে।
কল্যাণপুর নতুন বাজারের মুদি দোকানদার কবীর হোসেন বলেন, বেশিরভাগ দোকানেই আগের পেঁয়াজ ছিল কিন্তু বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে পেঁয়াজের দাম বাড়ার খবর পেলে খুচরা ব্যবসায়ীরা আগের কম দামে কেনা পেঁয়াজেরও দাম বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু আমাদের মত অনেক ব্যবসায়ী যারা নতুন করে বেশি দামে পেঁয়াজ কিনে এনেছি, তারা বেশি দামেই বিক্রি করছি। কিন্তু অন্যরা আগের কম দামে কেনা পেঁয়াজই বেশি দামে বিক্রি করছে।
তিনি জানান, গত বৃহস্পতিবার দেশি পেঁয়াজ ছিল ১৩০ টাকা আর ভারতীয় পেঁয়াজ ছিল ১১০ টাকা কেজি। শনিবার বেড়ে দেশি পেঁয়াজের কেজি হয় ২৫০ টাকা, আর আমদানিকৃত পেঁয়াজের কেজি হয় ২২০ টাকা। আর রোববারে এসে দেশিটা ২৭০ থেকে ২৮০ আর ভারতীয় পেঁয়াজ ২২০ থেকে ২৪০ টাকা হয়েছে। ফলে ২ দিনের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কেজিতে বেড়েছে দ্বিগুনেরও বেশি। পেঁয়াজের দাম আকাশচুম্বী হওয়ায় কেনার আগ্রহ হারিয়েছে ক্রেতারা। সবমিলিয়ে আগের চেয়ে পেঁয়াজ বিক্রি অনেক কমে গেছে। আগে যে ক্রেতা ২ কেজি পেঁয়াজ নিতো সে ক্রেতাই এখন আধা কেজি, এক কেজি করে পেঁয়াজ নিচ্ছে।
আধা কেজি পেঁয়াজ নিয়ে ঘরে ফিরছেন ক্রেতা
এদিকে অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির কারণে ক্রেতারা পেঁয়াজ কেনা কমিয়ে দিয়েছেন। যে ক্রেতা আগে দুই কেজি পেঁয়াজ কিনতেন সে ক্রেতা এখন আধা কেজি পেঁয়াজ কিনে ঘরে ফিরছেন। রাজধানীর কল্যাণপুর ১১ নম্বর রোডের বাসিন্দা এসেছিলেন কল্যাণপুর নতুন বাজারে। বাজার করতে এসে পেঁয়াজ কিনেছেন আধা কেজি।
তিনি বলেন, বাজারে আসলে দুই এক কেজি করে পেঁয়াজ কিনি সবসময়, কিন্তু অতিরিক্ত দাম বৃদ্ধির কারণে পেঁয়াজ কিনলাম আধা কেজি। এত দামে আমাদের মত সাধারণ ক্রেতারা পেঁয়াজ কিনতে আসলেই পারে না। দরকার হয় পেঁয়াজ কম কিনবো, কম খাবো তবুও এত দামে পেঁয়াজ কিনবো না। আমাদের কৃষি নির্ভর দেশেও যদি পেঁয়াজের দাম এতটা বেড়ে যায় রাতারাতি, তাহলে বলতে হবে বাজার মনিটরিং নেই, নেই কোন রকমের নিয়ন্ত্রণ।
চট্টগ্রামে তিন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
চট্টগ্রাম ব্যুরো জানায়, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের একটি টিম নগরীতে পৃথক অভিযান চালিয়ে তিন প্রতিষ্ঠানকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে। রোববার নগরীর পাহাড়তলী বাজার এবং বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। এর মধ্যে বেশি দামে পেঁয়াজ বিক্রির দায়ে পাহাড়তলী বাজারে মেসার্স বাছামিয়া সওদাগরকে ২০ হাজার টাকা এবং মেসার্স কালু শাহ এন্টার প্রাইজকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পরে বায়েজিদ বোস্তামি থানা এলাকায় পরিচালিত হয় অভিযান। এসময় আমিন কলোনি এলাকায় ছৈয়দ স্টোর নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে টিসিবির তেল বিক্রির দায়ে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর চট্টগ্রামের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্লাহ। এ সময় সহকারী পরিচালক নাসরিন আক্তার ও রানা দেবনাথ উপস্থিত ছিলেন।
আনোয়ারায় পেঁয়াজের দাম বেশি রাখায় অর্থদণ্ড
আনোয়ারা (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি জানান, চট্টগ্রামের আনোয়ারায় পেঁয়াজের দাম বাড়তি করায় ফের অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালত। এসময় ৯টি মামলায় ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রোববার উপজেলার সত্তারহাট বাজারে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন এ অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযানের বিষয়ে তিনি বলেন, পেয়াজের অধিকতর মূল্য রাখায় উপজেলা প্রশাসনের বাজার মনিটরিং এর অংশ হিসেবে অভিযান পরিচালনা করে দোকানিদের মূল্য তালিকা না রাখাসহ বিভিন্ন অভিযোগে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুযায়ী ৯টি মামলায় ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
কুড়িগ্রামে পিয়াজের দাম ২৪০ টাকা
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি জানান, ভারত থেকে পিয়াজের আমদানি বন্ধ থাকার ঘোষণা শুনে কুড়িগ্রামে পিয়াজের অতিরিক্ত দাম বিক্রি করছে ব্যবসায়ীরা। প্রতি কেজি পিয়াজের দাম ২৪০-২৫০ টাকা দরে বিক্রি করছেন তারা। কোথাও কোথাও ২৮০ দরে পিয়াজ বিক্রির খবর পাওয়া গেছে। এতে করে ভোগান্তির মুখে পড়েছে সাধারণ মানুষজন।
কুড়িগ্রাম পৌর শহরের আদর্শ জিয়া বাজার, কাঠাঁলবাড়ী বাজার, চিলমারী হাট, ভোগডাঙা বাজারসহ বিভিন্ন পাইকারি ও খুচরা পিয়াজ ব্যবসায়ীরা চড়া দামে পিয়াজ বিক্রি করছেন। ক্রেতাদের কাছে ইচ্ছে মত দাম নিলেও ক্রেতারা নিরুপায়। উপায়ন্তর না পেয়ে বাধ্য হয়ে চড়া দামে পিয়াজ কিনছেন তারা। অনেকে পিয়াজ না কিনে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। আবার যারা এক কেজি পিয়াজ কিনতে এসেছেন দাম শুনে কেউ ১-২ কেজি কিনে বাড়ি ফিরছেন। হঠাৎ করে পিয়াজের আকাশচুম্বী দাম বাড়লেও বাজার মনিটরিং না থাকায় বিপদে আছেন সাধারণ মানুষজন।
দিনাজপুরে এলসি পেঁয়াজ ২৩০ থেকে নেমে ১৪০ টাকা
নিজস্ব প্রতিবেদক, দিনাজপুর জানান, বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের ভারতীয় এক ঘোষণায় দিনাজপুরে ঝাঁঝ বেড়েছে পেঁয়াজের। এতে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে দ্বিগুণ। বিক্রি হচ্ছিল কেজি ২৩০ টাকা দরে। তবে এমন পরিস্থিতিতে বাজার স্থিতিশীল রাখতে আজ রোববার দুপুরে শহরের বিভিন্ন পেঁয়াজের বাজারে অভিযান চালায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। যেখানে ক্রেতাদের অভিযোগ ছিলো বাজারে এলসি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২০০-২৩০ টাকায়। অভিযানের পর তা নেমে আসে ১৪০ টাকায়। দেশি পেঁয়াজ ২২০ থেকে নেমে আসে ১৭০-১৮০ টাকায়।
নারায়ণগঞ্জে পেঁয়াজের বাজারে কারসাজি
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, নারায়ণগঞ্জে পেঁয়াজের বাজারে অভিযান চালিয়ে অতিরিক্ত মূল্য আদায়ের অভিযোগে এক ব্যবসায়িকে লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। রোববার নগরীর দ্বিগুবাবুর বাজারে যৌথভাবে এ অভিযান চালায় জেলা প্রশাসন ও জেলা কৃষি বিপণন অধিদফতর। অভিযানে বাজারের পেঁয়াজের দোকানে দোকানে গিয়ে মূল্য তালিকা ও ক্রয়-বিক্রয় মূল্য যাচাই-বাছাই করেন গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা। পরে কয়েকটি দোকানে গরমিল পাওয়া গেলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা কৃষি বিপণন অধিদফতরের কর্মকর্তারা সেখানে গিয়ে উপস্থিত হন।
মিরসরাইয়ে ৪ ব্যবসায়ীকে জরিমানা
মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি জানান, চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে অতিরিক্ত দামে পেঁয়াজ বিক্রি করার অভিযোগে চার মুদি দোকানিকে ১২ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। রোববার মিরসরাই পৌর বাজারের কলেজ রোর্ডে শিমুল স্টোর, বাবু স্টোর, আল আমিন স্টোর ও মীর জ্যোতি ডিপার্টমেন্টাল স্টোরকে অতিরিক্ত দামে পেঁয়াজ বিক্রি করায় ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়েছে।
জানা গেছে, শুক্রবার ভারত থেকে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ ঘোষণা করায় মিরসরাইয়ের বিভিন্ন বাজারে আগে থেকে মজুদ করে রাখা পেঁয়াজ হঠাৎ ১৮০-২০০ টাকায় বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা।
ঠাকুরগাঁওয়ে ২ ব্যবসায়ীর জেল ও ৪ জনকে জরিমানা
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি জানান, পেঁয়াজের কৃত্রিম সঙ্কট তৈরি করে ক্রেতাদের থেকে বেশি দাম নেওয়ায় ঠাকুরগাঁওয়ে ২ ব্যবসায়ীকে সাত দিনের জেল এবং ৪ ব্যবসায়ীকে নগদ অর্থ জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গত শনিবার দুপুর থেকে রোববার পর্যন্ত দু দিনে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং জেলা কৃষি বিপনন কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় জেলার বিভিন্ন বাজারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে এ জেল ও জরিমানা প্রদান করা হয়।
সিলেটে অস্থির পেঁয়াজের বাজার
নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট থেকে জানান, দেশের মতো সিলেটের পিয়াদের বাজার অস্থির হয়ে উঠেছে। এক এক বাজারে এক এক মূল্যে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। সর্বনিম্ন ১৮০ টাকা থেকে ২২০ টাকা পর্যন্ত খুচরা দোকানে বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা বলছেন, বেশি দামে কেনার কারণে বেশি দামে তাদের বিক্রি করতে হচ্ছে। নগরীর কালীঘাট, সুবিদ বাজার, রিকাবি বাজার, আম্বরখানা ও বন্দরবাজারে পাইকারি বাজারে ১৫০ টাকা ১৬০ টাকা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজের বাজারের হ য ব র ল অবস্থা অবস্থা উত্তরণের সরকারি নজরদারি বাড়ানোর দাবি সংশ্লিষ্টদের।
হবিগঞ্জে পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের নির্দেশনা
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পেঁয়াজ ও নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজ ও সাংবাদিকদের নিয়ে এক বিশেষ সভার আয়োজন হয়। জেলা প্রশাসক দেবী চন্দের সভাপতিত্ত্বে বরিবার বিকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সিদ্ধান্ত হয় যে, পাইকারি এলসি পিঁয়াজের মূল্য কেজি প্রতি ১২০ টাকা, খুচরা এলসি পিঁয়াজের মূল্য কেজি প্রতি ১২৫ টাকা দামে বিক্রি করতে হবে। এছাড়া পাইকারি ব্যবসায়ী থেকে খুচরা বিক্রেতারা ১ অথবা ২ বস্তার বেশি পেয়াজ একসাথে ক্রয় করতে পারবেন না। ক্রেতাগণ খুচরা বিক্রেতার নিকট হতে একসাথে ১ কেজির বেশি পেঁয়াজ ক্রয় করতে পারবেন না।
সময়ের আলো/জিকে