ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ প্রার্থীর পক্ষ নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীকে ভয়ভীতি ও স্বজনদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোসহ বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আশরাফুল আলমের বিরুদ্ধে। ওসিকে দ্রুত প্রত্যাহারের দাবিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও পুলিশ মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন গোপালগঞ্জ-১ আসনে অংশ নেওয়া স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. কাবির মিয়া।
কাবির মিয়া গত ১৭ ডিসেম্বর লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, মুকসুদপুর থাকার ওসি মো. আশরাফুল আলম নির্বাচনী আচরণ বিধি উপেক্ষা করে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ ফারুক খানের পক্ষ নিয়ে কাজ করছেন।
কাবির মিয়া অভিযোগে আরও বলেন, তার আত্মীয় ব্যবসায়ী ও নির্বাচন পরিচালনার সমন্বয়কারী এ. কে. এম. ফায়েকুজ্জামানকে ওসি হুমকি দিয়ে বলেন, এলাকা ছেড়ে না গেলে মিথ্যা সাজানো মামলায় জড়ানো হবে। একইভাবে আরও ৫/৬ জন আত্মীয়কে হুমকি দিয়েছেন ওসি আশরাফুল আলম।
অভিযোগে বলা হয় কোনো আইন আদালতের তোয়াক্কা করছেন না ওসি।
ওসির মদদে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী মো. নাজমুল শেখকে বেয়াইনীভাবে সোন ওয়ারেন্ট দেখিয়ে, গত ১৯ নভেম্বর মুকসুদপুর থানার মামলা করেন। মামলা নম্বর-২। ওই মামলায় গত এক ডিসেম্বর হাইকোর্ট থেকে ৬ সপ্তাহের জামিন নিয়ে আসেন ভুক্তভুগি নাজমুল। জামিনের ছয়দিনের মাথায় ওসি আশরাফুল আলম তাকে ফের একই মামলায় গ্রেফতারের পর জেলে পাঠায়। এরপর গত ১২ ডিসেম্বর মো. নাজমুল শেখকে রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করে।
অভিযোগে বলা হয়, প্রতিপক্ষ প্রার্থী মোহাম্মদ ফারুক খান ওসির সঙ্গে আতাত করে তাদের পালিত সন্ত্রাসীদের দিয়ে এলাকায় ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি তৈরি করেছে।
তাই ওসি আশরাফুল আলমকে প্রত্যাহার করে শান্তিপূর্ণ-গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করার জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হস্তক্ষেপ চান গোপালগঞ্জ-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. কাবির মিয়া।
সময়ের আলো/জেডআই