বাংলাদেশের ইতিহাসে তিনিই একমাত্র মা, যিনি সন্তানের পূর্ণ অভিভাবকত্ব পেয়েছেন। বলছি অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের কথা। আদালতের নির্দেশেই গত সোমবার মা হিসেবে সন্তানের পূর্ণ অভিভাবকত্ব পেয়েছেন এ অভিনেত্রী। এদিন নাবালক সন্তানের অভিভাবকত্ব নির্ধারণে নীতিমালা প্রণয়নে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আগামী ৪ আগস্টের মধ্যে এ কমিটিকে নীতিমালা দাখিল করতে। বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের দ্বৈত হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার রুলসহ এ আদেশ দেন।
আইনজীবী সারা হোসেন গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, এটি একটি অনেক বড় অর্জন। বাংলাদেশে যদিও নারীরা সন্তানদের হেফাজত পাচ্ছেন, একটি ঘটনা ছাড়া আর কাউকে অভিভাবকত্ব দেওয়া হচ্ছে না। আমাদের অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন তার সন্তানের অভিভাবকত্ব পেয়েছিলেন। এর বাইরে বাংলাদেশের ইতিহাসে আর কোনো উদাহরণ নেই যে নারীরা সন্তানের অভিভাবকত্ব পাচ্ছেন।
এ নিয়ে বাঁধন বলেন, ‘আইনটি পরিবর্তনের একটা প্রক্রিয়া শুরু হলো, এটি সবচেয়ে আনন্দের। আমি চাই বাংলাদেশের সব মেয়ের অধিকার থাকুক তার সন্তানের ওপর।’
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ৩০ এপ্রিল ঢাকার দ্বাদশ সহকারী জজ ও পারিবারিক আদালতের বিচারক ইসরাত জাহান একমাত্র কন্যাসন্তান মিশেল আমানি সায়রার অভিভাবকত্ব দিয়েছিলেন বাঁধনকে। বাঁধনকন্যা সায়রা এখন ক্লাস ফাইভের ছাত্রী।
সময়ের আলো/আরএস/