কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সহিংসতার ঘটনায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ১ হাজার ৭০০ জন চিকিৎসা নিতে ভর্তি হয়েছেন। এদের অনেকেই প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাসায় ফিরে গেছেন। তবে এর মধ্যে জরুরি বিভাগে ৬০ জন ও চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ১৯ জন। এখনও চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আছেন ২৭৮ জন। এ ছাড়া সহিংসতার ঘটনায় ঢামেকে আরও তিনজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
ঢামেক সূত্র জানায়, ১৯ জুলাই চট্টগ্রামে গুলিবিদ্ধ হন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হৃদয় চন্দ্র (২০)। তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার সকালে মারা যান। ২০ জুলাই সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকা থেকে গুলিবিদ্ধ মনির হোসেনকে (৫০) ধানমন্ডি পপুলার হাসপাতালে আনা হলে গতকাল চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। একই দিনে যাত্রাবাড়ীর রায়েরবাগে গুলিবিদ্ধ নাসির হোসেন (৩২) চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল সকালে মুগদা হাসপাতালে মারা যান। মরদেহগুলো ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রয়েছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান সাংবাদিকদের জানান, কোটা আন্দোলনকে ঘিরে সহিংসতার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ঢামেকে ১ হাজার ৭০০ জন চিকিৎসা নেন। তাদের মধ্যে জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ৬০ জন। তা ছাড়া পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ১৯ জন।
সময়ের আলো/জিকে