শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর বিজয় উল্লাস করেছেন দেশের শোবিজ অঙ্গনের তারকারা। অনুষ্ঠানের শুরুতেই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে প্রাণ বিসর্জন দেওয়া শহিদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন ও তাদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। আনন্দ-উৎসবে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (বিএফডিসি) চলচ্চিত্র শিল্পী, নির্মাতা, কলাকুশলীরা অংশ নিয়েছেন।
মঙ্গলবার বিএফডিসি প্রাঙ্গণে বক্তৃতা করেন চলচ্চিত্র নির্মাতা এজে রানা, বদিউল আলম খোকন, আবুল কালাম আজাদ, খিজির হায়াত খান, গোলাম মোস্তফা শিমুল, ফিল্ম ক্লাবের প্রেসিডেন্ট শামসুল আলম, চিত্রগ্রাহক আসাদুজ্জামান মজনু, চিত্র সম্পাদক একরামুল হক, ফাইট ডিরেক্টর আরমান, চিত্রনায়ক মেহেদী, বিএফডিসির কর্মচারী সমিতির সভাপতি হান্নান, নৃত্য পরিচালক সাইফুল ইসলাম, অভিনেতা বিলাস খান, সিনিয়র সাংবাদিক ইমরুল শাহেদ, আহমেদ তেপান্তর, মোস্তফা মতিহার, রঞ্জু সরকার, সুরকার মুরাদ নূর প্রমুখ।
চলচ্চিত্র নির্মাতা বদিউল আলম খোকন বলেন, স্বৈরাচার পতনে রাজপথে ছাত্র-জনতা যে সাহসী ভূমিকা রেখেছে তাতে আমরা নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্ন দেখছি। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের পক্ষ থেকে সংগ্রামী এ বীরদের অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানাই। সেই সঙ্গে আন্দোলনে প্রাণ বিসর্জন দেওয়া সব শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। সব শহিদ ও ছাত্রনেতাদের ধন্যবাদ জানিয়ে খল অভিনেতা শিবা সানু বলেন, এখন আমাদের সব সেক্টরে সংস্কার করতে হবে। সেন্সর বোর্ড, জুরিবোর্ড, শিল্পকলা একাডেমিসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান থেকে স্বৈরাচারের দোসরদের অপসারণ করে সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিদের পদায়ন করতে হবে।
চলচ্চিত্র নির্মাতা খিজির হায়াত খান বলেন, আমাদের বিজয় যেন কেউ ছিনিয়ে নিতে না পারে সে বিষয়ে আমাদের সজাগ ও সচেতন থাকতে হবে। সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে। এ কাজ তখনই সম্ভব হবে যখন সব সেক্টর থেকে আওয়ামী দালালদের বিদায় করা যাবে।
সময়ের আলো/আরএস/