নিহতের ১ মাস পর আংটি দেখে পরিচয় সনাক্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানী

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে যাত্রাবাড়ি এলাকায় গুলিতে নিহত এক মরদেহের প্রায় এক মাস পর আঙ্গুলের আংটি পরিচয় সনাক্ত হল সরকার পতনের এক

2024-09-04T07:59:17+00:00
2024-09-04T07:59:17+00:00
 
  শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬,
২০ আষাঢ় ১৪৩৩
শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
রাজধানী
নিহতের ১ মাস পর আংটি দেখে পরিচয় সনাক্ত
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বুধবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ৭:৫৯ এএম 
নিহতের ১ মাস পর আংটি দেখে পরিচয় সনাক্ত
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে যাত্রাবাড়ি এলাকায় গুলিতে নিহত এক মরদেহের প্রায় এক মাস পর আঙ্গুলের আংটি পরিচয় সনাক্ত হল সরকার পতনের এক দফা দাবিতে গিয়ে প্রাণ হারানো তারেকের (১৮)।  গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে মরদেহ পরিচয় সনাক্ত করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গ থেকে মরদেহটি নিয়ে যান স্বজনরা। আংটিসহ হাত-পায়ের নখ, গালে ছোট গর্ত ও মাথার চুল দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।

নিহত তারেকের চাচাতো ভাই গিয়াস উদ্দিন বলেন, পরিবার গ্রামে থাকলেও সে একা একটি মেসে থাকতো তারেক। গত ৫ই আগস্ট সকাল ১১টার দিকে টেইলর্সে নাস্তা করে সেখান থেকে বের হয়েছিল তারেক বেলা ১২টা ৩৭ মিনিটের পর থেকে তার ফোন বন্ধ পাচ্ছিল সহকর্মীরা। তবে তার সহকর্মীরা বিষয়টি পরিবারকে জানায়নি। আর তার সাথে পরিবারেরও যোগাযোগ খুব কম হতো। ১৫ই আগস্টের পর পরিবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করে তারেকের সাথে। তারেক কে না পেয়ে তাদের মনে সন্দেহ জাগে। পরে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায়, হাসপাতালে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। ঢাকা মেডিকেলের বিভিন্ন ওয়ার্ডেও খোঁজা হয় তারেককে। তবে কোথাও তার সন্ধান মেলেনি। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে এসে সব বেওয়ারিশ লাশের ছবি তুলে স্বজনদেরকে পাঠানো হয়। সেসব ছবির ভিতর থেকে একটি মরদেহ তারেকের বলে প্রাথমিকভাবে সনাক্ত করেন তারা। গত রোববার গ্রাম থেকে তারেকের বাবা মো. রিয়াজ ঢাকায় আসেন। রোববারেই ঢাকা মেডিকেলের মর্গে সরাসরি মরদেহ দেখানো হয় এবং তিনিও তার ছেলের মরদেহ সনাক্ত করেন।

গিয়াস উদ্দিন আরও বলেন, রোববার মরদেহ শনাক্ত করার পর পুলিশের কাছে মরদেহ বুঝে পাওয়ার দাবি করি, তখন পুলিশ লাশের ডিএনএ করার কথা বলেন এবং ৫-৭ মাস সময় লাগবে বলে জানায়। এরপরেই মূলত মরদেহ বুঝিয়ে দেয়ার কথা বলে। উপায়ন্ত না পেয়ে ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের সাথে যোগাযোগ করলে মঙ্গলবার তাদের সহযোগিতায় মরদেহ বুঝে পাই। পরবর্তীতে দাফনের জন্য মরদেহ গ্রামের বাড়ির নিয়ে যাওয়া হয়। তাদের বাড়ি ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ওমরপুর গ্রামে। সেখানে একটি টেইলার্সের কর্মচারী ছিল তারেক।

স্বজনা জানান, তারা জানতে পারেন যাত্রাবাড়ী এলাকায় ৫ আগস্ট দুপুরে গুলিবিদ্ধ হয়েছিল তারেক। তখন আন্দোলনকারী ছাত্ররা তারেককে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে ওই দিনই মারা যায় সে। তার বুকের ডানপাশে একটি গুলি চিহ্ন রয়েছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গের ইনচার্জ রামু চন্দ্র দাস বলেন, আন্দোলনে নিহত একটি মরদেহ সনাক্ত করে স্বজনরা। পরে তাদের কাছে মরদেহ বুঝিয়ে দেওয়া হয়। আরও ৫টি এখনও ঢাকা মেডিকেলের মরচুয়্যারিতে রয়েছে।

সময়ের আলো/আরএস/



Loading...
Loading...
রাজধানী- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: