মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, মুরগি পালন আগাগোড়া প্রাইভেট সেক্টরে ছিল। কৃষকের বাড়িতেই মুরগি রাখা হতো। কৃষকের চেয়ে বড় প্রাইভেট সেক্টর আর কি হতে পারে। কৃষকের বাড়িতে মহিলারই মুরগি লালন-পালন করতো। এ সেক্টর আরও বড় করতে হলে মহিলা খামারিদের সংখ্যা বাড়াতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকালে ঢাকার অদূরে পূর্বাচলে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে তিন দিনব্যাপী ১৩তম আন্তর্জাতিক পোলট্রি শো এবং সেমিনার ২০২৫ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।
ওয়ার্ল্ড’স পোল্ট্রি সায়েন্স এসোসিয়েশন বাংলাদেশ শাখার উদ্দেশ্যে ফরিদা আখতার বলেন, ফিডের ক্ষেত্রে আমরা যখন দেখি অনেক কাজ হচ্ছে, তার প্রেক্ষিতে আমরা বলতেই পারি আপনাদের এগিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। আপনাদের এগিয়ে যাওয়া মানে বাংলাদেশ এগিয়ে যাওয়া।
তিনি বলেন, আমাদের দায়িত্ব হলো ক্ষুদ্র খামারিদের রক্ষা করা। ক্ষুদ্র খামারিদের সংখ্যা বাড়লে এর গুরুত্ব অনেক বেশি। কারণ এখানে তাদের জীবন-জীবিকা জড়িত।
ফিডের দাম বেশি উল্লেখ করে তিনি বলেন, আসুন আমরা সব পক্ষ একত্রিত হয়ে দাম কমানের চেষ্টা করি। আপনারাই প্রোটিন সরবারহ করে আমাদের চাহিদা মিটাচ্ছেন।
শিশুদের নিরাপদ খাদ্য; নিরাপদ পোল্ট্রি দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, পোল্ট্রিকে খারাপ কিছু খাওয়ানো হলে তা আবার খাদ্যের সাথে মিশে মানুষের পেটে যাচ্ছে। সে জন্যই অর্গানিক ফুড বিশ্বে নতুন চিন্তার দাড় উন্মুক্ত করেছে। অগার্নিক হওয়া মানে আধুনিক হওয়া; তাই অর্গানিক আরও বেশি বৈজ্ঞানিক।
ওয়ার্ল্ড’স পোল্ট্রি সায়েন্স এসোসিয়েশন বাংলাদেশ শাখার সভাপতি মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. তোফাজ্জেল হোসেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ড. মো. আবু সুফিয়ান, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুক।
প্রসঙ্গত, ওয়ার্ল্ড’স পোল্ট্রি সায়েন্স এসোসিয়েশন বাংলাদেশ শাখা ও ‘বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল’ এই মেলার আয়োজন করেছে। আয়োজকরা জানিয়েছেন এটি দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় পোলট্রি মেলা।