অর্থপাচার মামলায় খালাস পেলেন তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক

আইন-আদালত

অর্থ পাচারের অভিযোগে মানি লন্ডারিং আইনে করা মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও ব্যবসায়ী গিয়াসউদ্দিন আল মামুনকে সাত বছরের

2025-03-06T17:20:14+00:00
2025-03-06T17:24:32+00:00
 
  বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬,
১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
আইন-আদালত
অর্থপাচার মামলায় খালাস পেলেন তারেক রহমান
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ, ২০২৫, ৫:২০ পিএম  আপডেট: ০৬.০৩.২০২৫ ৫:২৪ পিএম
অর্থপাচার মামলায় খালাস পেলেন তারেক রহমান
অর্থ পাচারের অভিযোগে মানি লন্ডারিং আইনে করা মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও ব্যবসায়ী গিয়াসউদ্দিন আল মামুনকে সাত বছরের কারাদণ্ড থেকে খালাস দিয়েছেন আপিল বিভাগ। 

বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বেঞ্চ এ রায় দেন। 

গত বছরের ১০ ডিসেম্বর এ মামলায় গিয়াসউদ্দিন আল মামুনের পক্ষে আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হলে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ অনুমতি দেয়। রায় ঘোষণার সময় আপিলকারীর পক্ষে আইনজীবী এস এম শাহজাহান ও অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জাকির হোসেন উপস্থিত ছিলেন। 

গত ১৭ বছর ধরে লন্ডনে অবস্থানরত তারেক রহমান দেশে ফিরে আত্মসমর্পণ না করায় এ মামলায় আপিলের সুযোগ পাননি। তারপরও আদালত মামুনের পাশাপাশি তারেক রহমানকে অভিযোগ থেকে খালাস দিয়েছে বলে জানান আইনজীবী জাকির হোসেন। 

তিনি বলেন, তারেক রহমানকে হাইকোর্ট যে সাত বছর সাজা এবং ২০ কোটি টাকা জরিমানা করেছিল, তা থেকে উনাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। 

এর কারণ ব্যাখ্যা করে এ আইনজীবী বলেন, আপিল বিভাগ সাক্ষী পর্যালোচনায় মামলার বিষয়াদি আলোচনা করে মামলার কোনো ইনগ্র্যাডিয়েন্ট না পাওয়ায় উনাকে (তারেক রহমান) এ মামলার দায় হতে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া উনার যে অবস্থান এবং সম্মান ক্ষুণ্ন হয়েছে, সেটাকে ফেরত দিতে বলা হয়েছে।

২০০৯ সালের ২৬ অক্টোবর ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট থানায় মানি লন্ডারিং আইনে মামলাটি দায়ের করেছিল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এরপর ২০১০ সালের ৬ই জুলাই তারেক রহমান ও গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হয়। ২০১১ সালের ৮ আগস্ট এ মামলায় তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, টঙ্গীতে প্রস্তাবিত ৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের কাজ পাইয়ে দেওয়ার জন্য নির্মাণ কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান খাদিজা ইসলামের কাছ থেকে গিয়াস উদ্দিন আল মামুন ২০ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার ৮৪৩ টাকা নেন। সিঙ্গাপুরে এ টাকা লেনদেন হয়। এরপর মামুন ওই অর্থ সিঙ্গাপুরের ক্যাপিটাল স্ট্রিটের সিটি ব্যাংক এনএতে তার নামের ব্যাংক হিসাবে জমা করেন। এ টাকার মধ্যে তারেক রহমান তিন কোটি ৭৮ লাখ টাকা খরচ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

তারেক রহমান ২০০৮ সাল থেকে যুক্তরাজ্যে রয়েছেন। সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও আওয়ামী লীগ আমলে তার বিরুদ্ধে কয়েক ডজন মামলা হয়। এর মধ্যে প্রায় ৪০টি মামলায় তিনি খালাস পেয়েছেন।


Loading...
Loading...
আইন-আদালত- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: