বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস বেতন স্কেলের আলোকে বেতন-ভাতা ও স্বতন্ত্র নিয়োগবিধি প্রণয়নের দাবিতে সারাদেশের বিচার বিভাগীয় কর্মচারীদের মতো দুই ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন করেছেন ঢাকার অধস্তন আদালতের কর্মচারীরা।
সোমবার (৫ মে) সকাল ৯ টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।
কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন ঢাকার জেলা জজ আদালত, মহানগর দায়রা জজ আদালত, বিশেষ জজ আদালত, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতসহ অন্যান্য আদালতের কর্মচারীরা। এ সময় তারা তাদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে বক্তব্য প্রদান করেন। কর্মসূচি চলাকালে বিভিন্ন আদালতের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পরে।
এর আগে ৪ এপ্রিল বাংলাদেশ বিচার বিভাগীয় কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কর্মসূচির কথা জানান অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. রেজোয়ান খন্দকার ও সাধারণ সম্পাদক কাজী মো. সালাউদ্দিন।
উল্লেখ্য, বিচার বিভাগীয় কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশন দীর্ঘদিন ধরে বিচার বিভাগের বিভিন্ন বৈষম্যের চিত্র তুলে ধরে নিরসনের দাবি তুলছেন। তাদের মতে, ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক হওয়ার পর শুধু বিচারকদের জন্য ছয়টি গ্রেড রেখে পৃথক পে-স্কেলসহ নিয়োগ বিধিমালা প্রণয়ন করা হলেও সহায়ক কর্মচারীদের ওই পে-স্কেলের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। বিচারকদের সঙ্গে আদালতের সহায়ক কর্মচারীরা একই দফতরে কাজ করেন। জুডিশিয়াল সার্ভিস পে-স্কেলের আলোকে বিচারকদের বেতন-ভাতা হলেও সহায়ক কর্মচারীরা জনপ্রশাসনের আলোকে বেতন-ভাতা পেয়ে থাকেন। এ ছাড়া অনেক কর্মচারী আক্ষেপ ও হতাশা নিয়ে একই পদে ৩৮ থেকে ৪০ বছর চাকরি করে পদোন্নতিবঞ্চিত থেকে অবসরে যাচ্ছেন।
আরআর