ঢাকার নয়াপল্টনে আগামীকাল বুধবার ‘তারুণ্যের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সমাবেশ’ করবে বিএনপির তিনি সংগঠন ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল। সমাবেশে ঢাকা, সিলেট, ফরিদপুর ও ময়মনসিংহ থেকে ১৫ লাখ তরুণের জমায়েত আশা করছেন আয়োজকরা।
সোমবার (২৬ মে) ঢাকায় বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী বলেন, আমরা চট্টগ্রামে তারুণ্যের মিলনমেলা দেখেছি। খুলনা ও বগুড়ায় আমাদের লক্ষ্য শতভাগ অর্জিত হয়েছে। ঢাকার সমাবেশে সব রেকর্ড ভেঙে ১৫ লাখ তরুণ-তরুণী যোগ দেবেন বলে আশা রাখছি।
ভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতা সংগ্রাম, স্বৈরাচারবিরোধী গণআন্দোলনসহ দেশের সব সংকটে তরুণ প্রজন্ম জাতিকে পথ দেখিয়েছে মন্তব্য করে জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়েই তরুণরা ছিলেন অগ্রসারির শক্তি। ভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতা সংগ্রাম, স্বৈরাচারবিরোধী গণআন্দোলন কিংবা ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা প্রতিটি লড়াইয়ের কেন্দ্রে ছিলেন তারুণ্যের সাহস, আত্মত্যাগ ও নেতৃত্ব। সেই গৌরবোজ্জ্বল
ধারাবাহিকতায়, রক্তক্ষয়ী জুলাই গণঅভ্যুত্থানেও তরুণরাই ছিলেন অগ্রণী ভূমিকায়। ইতিহাস আমাদের দেখিয়েছে যখনই দেশ সংকটে পড়েছে, তরুণরাই এগিয়ে এসে জাতিকে পথ দেখিয়েছে। বিএনপি এই ঐতিহাসিক সত্যকে সম্মান করে এবং বিশ্বাস করে, তরুণ প্রজন্মই এই দেশের ভবিষ্যৎ নীতিনির্ধারক ও গণতান্ত্রিক কান্ডারি।
সংবাদ সম্মেলনে স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে এক কোটি তরুণের কর্মসংস্থান করবে।
তরুণদের কাছে টানতে মে মাসজুড়ে কর্মসূচি ঘোষণা করে বিএনপির এই তিন সংগঠন। কর্মসূচি অনুযায়ী চারটি বড় বিভাগ ও শহরে ২ দিন করে মোট ৮ দিন সেমিনার ও সমাবেশ করছেন তারা। এর আগে চট্টগ্রাম, খুলনা আর বগুড়ায় সেমিনার ও সমাবেশ হয়েছে। সর্বশেষ আয়োজন বসছে রাজধানী ঢাকায়। ২৮ মে ঢাকা বিভাগীয় তারুণ্যের সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সমাবেশটি অনুষ্ঠিত হবে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে। এর আগেরদিন ২৭ মে তারুণ্যর ভাবনা জানতে অনুষ্ঠিত হবে সেমিনার।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এসএম জিলানী, ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব, সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির।
সময়ের আলো/এমএইচ