জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত ‘নারী’ কবিতায় বলেছিলেন, ‘বিশ্বে যা কিছু মহান সৃষ্টি-চির কল্যাণকর- অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর।’ কবিতার এই দুটি লাইনে নরীর গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। দেশের জনসংখ্যারও অর্ধেক নারী। তাই অর্ধেক জনসংখ্যাকে ঘরে বসিয়ে রেখে দেশের উন্নয়ন সম্ভব না। এ জন্য নারীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। দেশের নারী সমাজকে স্বাবলম্বী করতে বা উদ্যোক্তা হতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখছে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প বা এসএমই খাত। অর্থাৎ নারীকে গৃহিণী থেকে উদ্যোক্তা হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে এসএমই খাত।
ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প নারী উন্নয়নের একটি শক্তিশালী হাতিয়ার, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি লিঙ্গ সমতা ও সমাজের টেকসই পরিবর্তন নিশ্চিত করে। সরকার, বেসরকারি খাত ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সমন্বিত প্রচেষ্টা এ খাতের সম্ভাবনাকে পূর্ণতা দিচ্ছে। বাংলাদেশে মোট উদ্যোক্তার কম-বেশি এক-তৃতীয়াংশ নারী। নারী উদ্যোক্তা তৈরির ক্ষেত্রে বিশ্বের অন্য অনেক দেশের তুলনায় এগিয়ে আছে বাংলাদেশ।
পরিবার, আর্থ-সামাজিক অবস্থান, ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ, পারস্পরিক সহযোগিতা, আর্থিক সহায়তা এবং ব্যবসায়িক পরিবেশের দিক থেকে অবস্থা অনুকূলে না থাকলেও নানা প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে বাংলাদেশের নারী উদ্যোক্তারা দৃঢ়তার সঙ্গে তাদের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী বর্তমানে দেশের ১১ দশমিক ৮৮ মিলিয়ন ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের মধ্যে ৬ দশমিক ৪৭ শতাংশ (০.৭৭ মিলিয়ন) নারী। নারী নেতৃত্বাধীন এসএমই কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে নারীর জন্য গ্রামীণ ও শহুরে উভয় অঞ্চলে দারিদ্র্য হ্রাসে ভূমিকা রাখে। নারীর উদ্যোগ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে, উদ্ভাবনকে এগিয়ে নিচ্ছে। সর্বোপরি নারীর অবদানের প্রেক্ষিতে দেশের জিডিপির প্রায় ২৫ শতাংশ অবদান রাখছে এসএমই খাত।
ইউমেন এন্ট্রাপ্রেনিউর অ্যাসেসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ওয়েব) সভাপতি নাসরিন ফাতেমা আউয়াল নারীর উন্নয়নে এসএমই খাতের গুরুত্বের বিষয় উল্লেখ করে সময়ের আলোকে বলেন, ‘বাংলাদেশের নারী সমাজের জীবনমান উন্নয়নে এসএমই খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। একসময় নারীদের শ্রম শুধু গৃহস্থালি কাজে ব্যবহার হতো। সেই শ্রমের আর্থিক মূল্যমান অর্থনীতিতে সংখ্যাতাত্ত্বিকভাবে হিসাব করা হতো না। দেশের নারীরা এখন ঘরের বাইরে এসে নিজেরাই সরাসরি প্রাতিষ্ঠানিক শ্রমের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন।
বর্তমানে উদ্যোক্তা হিসেবে তারা নিজেদের দক্ষতা, সৃষ্টিশীলতার প্রকাশ ঘটাচ্ছেন। পুরুষের চেয়ে একজন নারীর উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা খুবই কষ্টসাধ্য। এর পরও শুধু সাহস আর নতুন কিছু করার প্রচেষ্টায় নারীরা নিজে উদ্যোগ নিয়ে পণ্য উৎপাদন, বিপণনসহ কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কাজ করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশে একজন নারী উদ্যোক্তা এসএমই ফাউন্ডেশন, বিসিক, সরকারি-বেসরকারি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় নিজেদের প্রস্তুত ও উদ্ভাবিত পণ্য বিপণন করতে সক্ষম হয়েছেন। নারীরা এখন যেমন দেশের এসএমই খাতকে এগিয়ে নিচ্ছে, তেমনি সমাজের সব ক্ষেত্রে নিজেকে স্বাবলম্বী ও স্বনির্ভর করে তুলছে।’
অর্থায়নে নারীর প্রবেশাধিকার : মাইক্রোফাইন্যান্স, সরকারি সুবিধা বা এনজিও মাধ্যমে ঋণ নারী উদ্যোক্তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং উদ্যোগ সম্প্রসারণে সাহায্য করে। বাংলাদেশে কর্মজীবী নারীর সংখ্যা ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক ইউনিটগুলো মোট ৩০ দশমিক ৭৬ মিলিয়ন জনবল কর্মরত যার ১৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ (৫.১ মিলিয়ন) নারী। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) শ্রমশক্তি জরিপ অনুযায়ী শ্রমবাজারে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনগুলোর একটি হচ্ছে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারীর অংশগ্রহণ। ইতিবাচক বিষয় হচ্ছে, গ্রামীণ নারীদের শ্রমবাজারে অংশগ্রহণের হার শহরের নারীর তুলনায় বেশি।
নারীকে স্বনির্ভর করছে এসএমই খাত : এসএমই নারীদের স্বল্প পুঁজি দিয়ে ব্যবসা শুরু করার সুযোগ দেয়, যা আয় বৃদ্ধি ও আর্থিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করে। স্বল্প আয়ের অর্থনীতির দেশগুলোয় নারীরা ব্যবসার সুযোগ পেয়ে নয়, মূলত প্রয়োজনের তাগিদেই উদ্যোক্তা হন। তাই ব্যবসার যেকোনো ধরনের সুযোগ পেলেই এসব নারী সেটি কাজে লাগান। নারী উদ্যোক্তার এই বিপুল সম্ভাবনা শুধু শহরকেন্দ্রিক নয়। প্রত্যন্ত অঞ্চলেও দেখা মেলে হাজার হাজার নারী উদ্যোক্তার যারা সফলতার সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছেন এবং গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে।
নারীকে সামাজিক মর্যাদা ও নেতৃত্বে এনেছে এসএমই খাত : নারীরা ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে সামাজিকভাবে স্বীকৃতি পান, যা পুরুষতান্ত্রিক কাঠামোকে চ্যালেঞ্জ করে। নারীর অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ এবং উৎপাদনশীল সম্পদের ওপর তাদের মালিকানা এবং নিয়ন্ত্রণ দেশের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করে, দারিদ্র্য কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে এবং বৈষম্য হ্রাস করে। নারীর অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ থেকে প্রাপ্ত অর্থ স্থানীয় সম্প্রদায়ের জন্য ব্যয় হওয়ায় সম্পদের আবর্তন হয়।
পুরুষদের তুলনায় নারীরা তাদের উপার্জনের বেশি অংশ তাদের পরিবার এবং সম্প্রদায়ের জন্য উৎসর্গ করে। নারীদের আয় পরিবারের শিক্ষা, পুষ্টি ও স্বাস্থ্য ব্যয়ে বিনিয়োগ হয়, যা সমাজের সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করে।
নারী উদ্যোক্তা তৈরিতে এগিয়ে বাংলাদেশ : নারী উদ্যোক্তা তৈরির ক্ষেত্রে বিশ্বের অনেক দেশের তুলনায় বাংলাদেশ এগিয়ে রয়েছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকদের মধ্যে নারীর সংখ্যা হিসেবে ৫৪টি স্বল্প আয়ের দেশের মধ্যে ৬ নম্বরে অবস্থানে বাংলাদেশ। ‘মাস্টারকার্ড ইনডেক্স অব উইমেন এন্টারপ্রেনিউর’ (এমআইডব্লিউই) জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। জরিপে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে বর্তমানে উদ্যোক্তার ৩১ দশমিক ৬ শতাংশই নারী। প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যেই কাজ করে এ দেশের নারীরা নিজেদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলছেন। জরিপের ফলাফলে উল্লেখ করা হয়েছে, উগান্ডায় নারী উদ্যোক্তা ৩৪ দশমিক ৮ শতাংশ, বাংলাদেশে ৩১ দশমিক ৬ শতাংশ এবং ভিয়েতনামে ৩১ দশমিক ৪ শতাংশ।
নারীরা ঋণ নিয়ে বাঁশ ও মাটির তৈরি তৈজসপত্র, ব্লক-বুটিকের কাজ ইত্যাদি ক্ষেত্রে তাদের অর্থ লগ্নি করছেন। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত পরিসংখ্যানে দেখা যায়, এক বছরে দেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ৬৮ লাখ ৭ হাজার ৫২২টি এসএমই উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দিয়েছে ১৫৯৫ দশমিক ১০ বিলিয়ন টাকা, যা স্বনির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ১৬১০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন টাকার ৯৯ দশমিক ১ শতাংশ। আর এ ঋণের অধিকাংশই হচ্ছেন নারী উদ্যোক্তারা। নারী উদ্যোক্তাদের ব্যাংক ঋণ পাওয়া সহজ করতে জামানত ছাড়াই ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের। জাতীয় শিল্পনীতি ২০১৬-এ বলা হয়েছে, এসএমই খাতে ঋণের কমপক্ষে ১৫ শতাংশ নারী উদ্যোক্তার মধ্যে বিতরণ করতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকেরও নির্দেশনা রয়েছে পুনঃঅর্থায়ন ঋণের কমপক্ষে ১০ শতাংশ নারী উদ্যোক্তাদের দিতে হবে।
নারী উদ্যোক্তার পণ্য দেশের গণ্ডি পেরিয়ে যাচ্ছে বিদেশে : নারী উদ্যোক্তারা ফ্যাশন, ওষুধ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্লাস্টিক, তৈরি পোশাক, চামড়া, ফার্নিচার, কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য, হালকা প্রকৌশল, সফটওয়্যার ও ইলেকট্রনিকস খাতের পণ্য বেশি তৈরি করেন। নারী উদ্যোক্তারা শুধু পণ্য বা সেবা সরবরাহ করছেন তা নয়, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও করেছেন। নারীর উৎপাদিত পণ্য দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশের বাজারে যাচ্ছে। ক্ষুদ্রঋণ নিয়ন্ত্রক সংস্থা এমআরএর তথ্য মতে, দেশের ক্ষুদ্রঋণের ৩ কোটি ৪৫ লাখ নারী গ্রাহক প্রায় ৬৩ হাজার কোটি টাকার ঋণ নিয়ে বিভিন্ন উদ্যোগ পরিচালনা করছেন। এ ছাড়া দেশব্যাপী অনেক নারী ছোট ছোট দোকান পরিচালনা করে সংসার চালাচ্ছেন।
নারী উদ্যোক্তা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে এসএমই ফাউন্ডেশন : এ বিষয়ে এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ার হোসেন চৌধুরী সময়ের আলোকে বলেন, নারী উদ্যোক্তাদের সহায়তার জন্য এসএমই ফাউন্ডেশন সবসময় তৎপর। এসএমই ফাউন্ডেশন নতুন নারী উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং বিদ্যমান নারী উদ্যোক্তাদের সার্বিক ব্যবসায়িক সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে তাদের উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় সম্পৃক্তকরণের লক্ষ্যে নিরন্তর কাজ করছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে এসএমই ফাউন্ডেশনে ‘নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন’ নামে একটি বিশেষায়িত উইং-বিভাগ তৈরি করা হয়। নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন উইংয়ের প্রধান উদ্দেশ্য হলো মূলধারার অর্থনৈতিক কার্যক্রমে নারীদের সম্পৃক্তকরণের মাধ্যমে তাদের আর্থ-সামাজিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিতকরণ। এসএমই নীতিমালা এবং জাতীয় শিল্পনীতি বাস্তবায়নে প্রধান বাস্তবায়নকারী সংস্থা-সহযোগী বাস্তবায়নকারী সংস্থা হিসেবে কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন উইংয়ের প্রাধিকারভুক্ত কাজ। এ ছাড়া এসডিজি, শিল্পনীতি এবং এসএমই নীতিমালার লক্ষ্য-উদ্দেশ্যের সঙ্গে সংগতি রেখে নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন সম্পর্কিত কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন উইং।’
এসএমই ফাউন্ডেশন এ পর্যন্ত ৫০ হাজারের অধিক উদ্যোক্তাকে বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রদান করেছে যার প্রায় ৬০ শতাংশ নারী উদ্যোক্তা। ফাউন্ডেশন থেকে ইতিমধ্যে ১১টি জাতীয় এসএমই পণ্য মেলা এবং ৯০টি আঞ্চলিক পণ্য মেলা আয়োজন করা হয়েছে যেখানে অংশগ্রহণকারীদের প্রায় ৬০ শতাংশ ছিলেন নারী উদ্যোক্তা। ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে নারী উৎপাদিত ঐতিহ্যবাহী পণ্যের মান উন্নতকরণ করা হয় এবং ক্রেতা-বিক্রেতা সম্মিলনের মাধ্যমে পণ্যের বাজার সংযোগ করা হয়। এ ছাড়া ফাউন্ডেশনের পৃষ্ঠপোষকতায় কিছু কিছু নারী উদ্যোক্তাকে আন্তর্জাতিক মেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেওয়া হয় এবং এর ফলে নির্বাচিত নারী উদ্যোক্তার সঙ্গে বায়ার সংযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে ফাউন্ডেশন অদ্যবধি স্বল্পসুদে প্রায় ৯৬৬ কোটি টাকা প্রায় সাড়ে ৯ হাজার উদ্যোক্তাদের মধ্যে বিতরণ করেছে যেখানে অন্তত ২৫ শতাংশ নারী উদ্যোক্তা ঋণ পেয়েছেন।
অর্থনীতিবিদরা যা বলছেন : গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন এ বিষয়ে সময়ের আলোকে বলেন, ‘নারী নেতৃত্বাধীন এসএমই উদ্যোগের অর্থায়ন কর্মসূচির জন্য নির্দিষ্ট বাজেট বরাদ্দ করা, নারী উদ্যোক্তাদের জন্য কমপক্ষে ১৫ শতাংশ এসএমই ঋণ বরাদ্দের বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা কার্যকর, নারী উদ্যোক্তাদের জন্য জামানতহীন ঋণ প্রকল্প প্রসার এবং নারী উদ্যোক্তাদের জন্য আর্থিক জ্ঞান ও ব্যবসা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সমর্থন করা আবশ্যক। নীতি ও নিয়ন্ত্রক পরিবেশের উন্নয়নে, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এবং ওয়ান-স্টপ সার্ভিস সেন্টারের মাধ্যমে এসএমইদের জন্য লাইসেন্সিং, নিবন্ধন এবং নবায়ন প্রক্রিয়া সরলীকরণের জন্য সম্পদ বরাদ্দ করা, বিদ্যমান আইন ও প্রবিধানের ব্যাপক পর্যালোচনা পরিচালনা করা এবং অপ্রয়োজনীয় জটিলতা ও বাধা দূর করা, এসএমই উন্নয়নে জড়িত সরকারি মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর মধ্যে উন্নত সমন্বয় ও যোগাযোগ নিশ্চিত করা এবং এসএমই নীতি বাস্তবায়ন ও প্রভাবের নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়নের জন্য ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা জরুরি।
সময়ের আলো/এমএইচ