সেনা-পুলিশসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা, তদন্তে পিবিআই

আদালত প্রতিবেদক

আইন-আদালত

রাজধানীর শাহ আলী থানা হাজতে যুবদল নেতা আসিফ সিকদারের মৃত্যুর ঘটনায় মিরপুরের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাকসুদুর রহমান, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা

2025-07-30T19:39:29+00:00
2025-07-30T19:41:07+00:00
 
  শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬,
২০ আষাঢ় ১৪৩৩
শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
আইন-আদালত
সেনা-পুলিশসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা, তদন্তে পিবিআই
পুলিশ হেফাজতে যুবদল নেতার মৃত্যু
আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশ: বুধবার, ৩০ জুলাই, ২০২৫, ৭:৩৯ পিএম  আপডেট: ৩০.০৭.২০২৫ ৭:৪১ পিএম
ফাইল ছবি
রাজধানীর শাহ আলী থানা হাজতে যুবদল নেতা আসিফ সিকদারের মৃত্যুর ঘটনায় মিরপুরের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাকসুদুর রহমান, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শরিফুল ইসলাম, মেজর মুদাব্বিরসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা মামলাটি তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। 

বুধবার (৩০ জুলাই) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ মো. জাকির হোসেন এ আদেশ দেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী ফরহাদ হোসেন নিয়ন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

তিনি বলেন, গত ২৩ জুলাই মৃত আসিফের মা স্বপ্না বেগম নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু নিবারণ আইনে এ মামলাটি দায়ের করেন। শুনানি শেষে বিচারক বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আদেশ অপেক্ষমাণ রাখেন। এদিন মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দিয়েছে আদালত।


মামলার অপর আসামিরা হলেন- মিরপুর জোনের অতিরিক্ত পুলিশ উপকমিশনার (এডিসি) জাকারিয়া, সহকারী পুলিশ কমিশনার এমদাদুল হক, শাহ আলী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মতিউর রহমান, ক্যাপ্টেন তাম্মাম, সায়েন্স ল্যাব সেনাক্যাম্পের সিনিয়র অরেঞ্জ অফিসার সিরাজ, আবুল কালাম আজাদ লেলিন, পুলিশের সোর্স খলিল ও ফরিদ ওরফে সিএনজি ফরিদ।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০ জুলাই রাত দেড়টার দিকে বাদীর শাহ আলী থানাধীন নিউ সি ব্লকের ১ নম্বর সেকশনের ২২ নম্বর রোডের ১১ নম্বর বাসায় পুলিশ, সেনাবাহিনী ও সাদা পোশাক পরা পুলিশ প্রবেশ করে। বাসার বিভিন্ন জিনিস তছনছ করে তারা বাদীর ছেলে শাহ আলী থানার ৯৩ নম্বর ওয়ার্ডের যুবদলের সেক্রেটারি আসিফ সিকদারকে আটক করে। বাসার মধ্যেই আসিফের হাত-পা বেঁধে অমানুষিক নির্যাতন শুরু করে তারা। মারধর করতে করতে রাত ৩টার দিকে তাকে থানায় নেওয়া হয়। ফজরের নামাজের পর থানা থেকে বাদীর বাসায় ফোন আসে। ফোনে বলা হয়, আসিফ প্রস্রাব-পায়খানা করে তার কাপড়চোপড় নষ্ট করে ফেলেছেন। তার জামাকাপড় পরিবর্তন করা দরকার। বাদী ও তার বাসার সবাই মিলে থানায় যান। নতুন কাপড়চোপড় দেন। কিন্তু ছেলেকে পুলিশ দেখতে দেয়নি। 


থানা থেকে বলা হয়, আসিফকে ‘ইলেকট্রিক শক’ দেওয়া হয়েছে। বাদীকে থানা থেকে চলে যেতে বলা হয়। অন্যথায় তাদের ওপর গুলি চালানো হবে বলে হুমকি দেয় পুলিশ। বাদী তার বাসার লোকজন নিয়ে ভয়ে থানা থেকে বাসায় চলে যান। দুপুর ১টার দিকে থানা থেকে ফোন করে জানানো হয়, আসিফ মারা গেছেন। 

অভিযোগে আরও বলা হয়, পুলিশ, সেনাবাহিনী এবং পুলিশের সোর্স ও অন্যরা পরস্পর যোগসাজশে নির্মমভাবে হত্যা করার পর বাদী থানায় গেলে থানা থেকে লাশ নিয়ে ময়নাতদন্ত ছাড়া দাফন করার হুমকি দেওয়া হয়। বাদী পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি খুরশিদ মিয়া আলম, সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম, কার্যকরী কমিটির সদস্য শামসুজ্জামান দিপু।


সময়ের আলো/এসটিও


  বিষয়:   পুলিশ হেফাজত  যুবদল নেতা  মৃত্যু  আসিফ সিকদার  মামলা  শাহ আলী থানা 


Loading...
Loading...
আইন-আদালত- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: