ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এএসএস সালেহ আহমেদ বলেছেন, ভূমিসেবা দেওয়ার ব্যাপারে কোনো ধরনের দুর্নীতি বরদাস্ত করা হবে না। এমনকি আপস করা হবে না। ভূমি মন্ত্রণালয়ের এখন মূল লক্ষ্য মানুষের সেবা দেওয়া। জনবান্ধব হিসেবে ভূমি মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্য দফতর ও সংস্থা কাজ করবে। যদি কোনো ধরনের দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া যায় তা হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সোমবার (২৫ আগস্ট) ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় তিনি এ কথা বলেন।
সভায় তিনি আরও বলেন, অনলাইন ভূমি ব্যবস্থাপনার ফলে ভুয়া জমি রেজিস্ট্রেশন ও জালিয়াতির সুযোগ কমে গেছে। অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ও ই-মিউটেশন সিস্টেমের কারণে মালিকানার তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে হালনাগাদ হচ্ছে। যে কারণে ভুয়া দলিল তৈরির সুযোগ অনেকাংশে কমে গেছে। শুধু তাই নয়, ভূমি-সংক্রান্ত অপরাধ প্রতিরোধ করা সম্ভব হচ্ছে।
সিনিয়র সচিব বলেন, প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশনা অনুযায়ী ভূমিসেবা ডিজিটালাইজেশন টিম গঠন করা হয়েছে। এই টিম বিভাগভিত্তিক কার্য পরিচালনা করে প্রতি সপ্তাহে অবহিত করেন। এ কথা আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না ভূমিসেবা প্রদানে আধুনিক বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে সেবাগ্রহীতার মধ্যে সন্তুষ্টির মাত্রা ক্রমশ বাড়ছে। মহানগর থেকে শুরু করে মাঠ পর্যায়ে সর্বত্র কার্যক্রম পরিদর্শন করা হয়েছে। একই সঙ্গে মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে। পরিদর্শনে প্রতিবেদনে যদি কারও বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে অসততা দেখা যায় কিংবা হয়রানির প্রমাণ পাওয়া যায় তা হলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, সরকারি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট গুরুত্ব মামলা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার স্বার্থে মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব প্যানেল আইনজীবী নিয়োগের ব্যাপারে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাওয়া গেছে। অবৈধ বালু ও মাটি উত্তোলন বন্ধে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।
এ ছাড়াও ভূমি ব্যবস্থাপনা ম্যানুয়াল মতামতের জন্য বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠানো হয়েছে। মতামত পাওয়া গেলে ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয় পাঠানো হবে। সভায় মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন অতিরিক্ত সচিবও উপস্থিত ছিলেন।
এমএইচ