ঢাকার মালিবাগে সোহাগ পরিবহনের কাউন্টারে ও কোম্পানির মালিকের বাসায় হামলার অভিযোগে করা মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের বহিষ্কৃত নেতা বিল্লাল হোসেনসহ দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুইদিন জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
রোববার (৭ সেপ্টম্বর) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন মাজিস্ট্রেট আদালতে আসামিদের হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রমনা মডেল থানার এসআই মোস্তাফিজুর রহমান নাহিদ আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন।
অপরদিকে আসামিদের পক্ষের আইনজীবী রাজিব সরকার রিমান্ডের আবেদন বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম রিমান্ড ও জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে দুই দিন জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দিয়ে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে গত শনিবার বিল্লাল হোসেনকে ঢাকার হাতিরঝিল থানার আমবাগান এলাকা থেকে এবং কেরানীগঞ্জ থানার মডেল টাউন এলাকা থেকে বাপ্পিকে গ্রেফতার করে র্যাব।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, সোহাগ পরিবহনের কাউন্টারের সামনে বিল্লাল হোসেনের সহযোগী আকাশ ও রুমন ধূমপান করছিলেন। তাই সোহাগ পরিবহনের তিন কর্মচারী তাদের সরে গিয়ে ধূমপান করতে বললে তারা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। পরে প্রধান বিল্লালের নেতৃত্বে অন্যরা ধারাল অস্ত্র নিয়ে সোহাগ পরিবহনের মালিকের বাড়ির গ্যারেজের সামনের নিরাপত্তা প্রহরীর কক্ষের কাচ ভেঙে ফেলেন।
এ সময় সোহাগ কোম্পানির মালিকের ভাই ও কোম্পানির পরিচালক আলী হাসান তালুকদার, তার গাড়িচালক মাসুদ, কোম্পানির কর্মী হাসান তপন, ফরহাদ হোসেন, নাইমুর রহমান আদিব ও মাসুদকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে আহতহয়।
হামলাকারীরা সোহাগ পরিবহনের দুটি কাউন্টারে ঢুকে ভাঙচুর করেন। এতে পাঁচ লাখ টাকার ক্ষতি হয়। তারা দুটি কাউন্টার থেকে টিকিট বিক্রির ১৭ হাজার ৫৭০ টাকা লুট করেন। হামলার ঘটনার পর স্বেচ্ছাসেবক দলের রমনা থানার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের আহ্বায়ক বিল্লাল হোসেনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এসকে/