আজ ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস। শিক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানানোর দিন এটি। শিক্ষকরা সমাজ ও জাতি গঠনের মূল কারিগর। তাদের হাত ধরেই শিশুরা আলো পায়, গড়ে ওঠে মানবতা ও জ্ঞানের ভিত্তি। শিক্ষকরা অন্ধকার থেকে মানুষকে আলোর পথে নিয়ে যান। সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে উদযাপিত হবে।
শিক্ষক শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান দেন না, শেখান কীভাবে মানুষ হতে হয়। তবু জীবনের ব্যস্ততায় আমরা প্রায়ই ভুলে যাই তাদের সেই নিঃস্বার্থ ভালোবাসার কথা।
শিক্ষক সভ্যতার অগ্রদূত, জাতির বিবেক এবং মানুষ গড়ার কারিগর। তার হাতে রচিত হয় প্রজন্মের চিন্তা, নৈতিকতা ও চরিত্রের ভিত্তি। তাই তাকে বলা হয় গুরু যিনি অন্ধকার থেকে আলোর পথে নিয়ে যান। জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে তারা তৈরি করেন সৎ, নৈতিক ও সচেতন নাগরিক। শুধু পাঠ্যবই নয়, জীবন গড়ার পথও দেখান তারা। তাই শিক্ষককে মানুষ গড়ার কারিগর বলা হয়।
বিশ্ব শিক্ষক দিবস ১৯৯৫ সাল থেকে প্রতি বছর ৫ অক্টোবর বিশ্বব্যাপী পালিত হয়ে আসছে। ইউনেস্কোর মতে, শিক্ষা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে শিক্ষকদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ দিবস পালিত হয়। বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ১০০টি দেশে এ দিবসটি পালিত হয়, যেখানে এডুকেশন ইন্টারন্যাশনাল ও এর সহযোগী ৪০১টি সংগঠন মূল ভূমিকা রাখে।
১৯৯৩ সালে প্যারিসে ইউনেস্কোর ২৬তম সাধারণ অধিবেশনে ৫ অক্টোবর দিনটিকে ‘বিশ্ব শিক্ষক দিবস’ হিসেবে ঘোষণার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরের বছর, অর্থাৎ ১৯৯৪ সালে প্রথমবারের মতো দিবসটি পালিত হয়।
সময়ের আলো/কেএইচও