দেশে নতুন আতঙ্কের নাম অ্যানথ্রাক্স

সময়ের আলো ডেস্ক

স্বাস্থ্য

অ্যানথ্রাক্স নিয়ে দেশে আবারও নতুন করে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। যদিও এটি নতুন রোগ নয়, আগেও বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়েছে।অ্যানথ্রাক্স হলো একটি

2025-10-05T11:23:36+00:00
2025-10-05T11:26:16+00:00
 
  শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬,
১৯ আষাঢ় ১৪৩৩
শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬
স্বাস্থ্য
দেশে নতুন আতঙ্কের নাম অ্যানথ্রাক্স
সময়ের আলো ডেস্ক
প্রকাশ: রোববার, ৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:২৩ এএম  আপডেট: ০৫.১০.২০২৫ ১১:২৬ এএম
প্রতীকী ছবি
অ্যানথ্রাক্স নিয়ে দেশে আবারও নতুন করে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। যদিও এটি নতুন রোগ নয়, আগেও বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়েছে। 

অ্যানথ্রাক্স হলো একটি ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ, যা প্রধানত অসুস্থ পশু থেকে মানুষে ছড়ায়। আক্রান্ত পশু হলো গরু, ছাগল, ভেড়া। মানুষ থেকে মানুষে সাধারণত সংক্রমণ হয় না, তবে ত্বকের ক্ষতের মাধ্যমে সামান্য ঝুঁকি থাকতে পারে। সংক্রমণ ঘটে স্পোরের মাধ্যমে খাবার, শ্বাসপ্রশ্বাস বা ত্বকের ক্ষতের মাধ্যমে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বলছে, অ্যানথ্রাক্স হলো ব্যাকটেরিয়া ‘ব্যাসিলাস অ্যানথ্রাসিস’-এর কারণে সৃষ্ট সংক্রমণ। প্রধানত পশু থেকে মানুষে ছড়ায়। আক্রান্ত পশু হলো গরু, ছাগল, ভেড়া।

মানুষের মধ্যে অ্যানথ্রাক্সের তিনটি প্রধান ধরন আছে।

কিউট্যানিয়াস অ্যানথ্রাক্স বা ত্বকজনিত ধরন সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। ক্ষত বা কাটা জায়গা দিয়ে স্পোর প্রবেশ করলে শুরুতে ছোট ফোঁটা বা চুলকানি হয়, পরে কালো কেন্দ্রযুক্ত ঘা তৈরি হয়। জ্বর, মাথাব্যথা বা বমিও হতে পারে।

গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল অ্যানথ্রাক্স দেখা যায় আক্রান্ত পশুর অপরিপক্ব মাংস খেলে। এতে পেটব্যথা, বমি, ডায়রিয়া এবং রক্তবমি দেখা দিতে পারে।

ইনহেলেশন অ্যানথ্রাক্স বা শ্বাসজনিত ধরন সবচেয়ে ভয়ানক। বাতাসে ভেসে থাকা স্পোর ফুসফুসে ঢুকলে দ্রুত শ্বাসকষ্ট, শক এবং মৃত্যুর কারণ হতে পারে। ইউরোপে নেশাজাতীয় ড্রাগ সেবনের মাধ্যমে ইনজেকশন অ্যানথ্রাক্সও দেখা গেছে।


সাধারণ সর্দি-জ্বরের সঙ্গে উপসর্গ মিলতে পারে, তাই আতঙ্কিত হওয়ার দরকার নেই। তবে সংক্রমণ সন্দেহ হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। দ্রুত অ্যান্টিবায়োটিক দিলে অধিকাংশ সংক্রমণ সেরে যায়।

অ্যানথ্রাক্স প্রতিরোধে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘অসুস্থ পশু জবাই, মাংস সংগ্রহ বা বিক্রি করা যাবে না। মৃত বা অসুস্থ পশুর দেহ নিরাপদে পুড়িয়ে ফেলতে হবে। আক্রান্ত এলাকায় জীবাণুমুক্তি ও কোয়ারেন্টিন জরুরি।’

বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন, ‘সচেতন থাকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কোনো পশু হঠাৎ অসুস্থ হলে তার মাংস ও চামড়া ব্যবহার করা যাবে না। প্রয়োজনে স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিরাপদ ব্যবস্থা নিতে হবে।’

অ্যানথ্রাক্স প্রতিরোধে সচেতনতা এবং সঠিক স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাই সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

সময়ের আলো/কেএইচও 


  বিষয়:   দেশ  নতুন আতঙ্ক  অ্যানথ্রাক্স 


Loading...
Loading...
স্বাস্থ্য- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: