৪৯তম বিশেষ বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা (এমসিকিউ টাইপ) অনুষ্ঠিত হবে শুক্রবার (১০ অক্টোবর)। পরীক্ষার আগে নতুন কিছু নির্দেশনা দিয়েছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)।
বিসিএসের প্রবেশপত্র আবারও ডাউনলোড ও প্রিন্ট করার অনুরোধ জানিয়েছে পিএসসি। নতুন ডাউনলোড করা প্রবেশপত্রই পরীক্ষার কক্ষে প্রবেশের ক্ষেত্রে কার্যকর বলে বিবেচিত হবে। আগামীকাল শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত লিখিত পরীক্ষা (এমসিকিউ টাইপ) অনুষ্ঠিত হবে।
গত ৭ অক্টোবর পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাসুমা আফরীনের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। অবশ্য বিজ্ঞপ্তিটি পিএসসির ওয়েবসাইটে বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) প্রকাশ করা হয়েছে।
পরীক্ষার আসনবিন্যাস, সময়সূচি ও শিক্ষার্থীদের জন্য পিএসসির বিশেষ নির্দেশনা:
পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই সকাল ৯টা ৩০ মিনিটের মধ্যে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে হবে। ৯টা ৩০ মিনিটের পর কোনো পরীক্ষার্থী হলে প্রবেশ করতে পারবেন না। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তরপত্র বিতরণ করা হবে। উত্তরপত্রের চারটি সেট থাকবে, যেমন সেট ১, ২, ৩ ও ৪।
প্রশ্নপত্র বিতরণের পর পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত (দুপুর ১২টা) কোনো পরীক্ষার্থী পরীক্ষার কক্ষ ত্যাগ করতে পারবেন না।
পরীক্ষাকেন্দ্রে বইপুস্তক, সব ধরনের ঘড়ি, মুঠোফোন, ক্যালকুলেটর, সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস, ব্যাংক কার্ড বা ক্রেডিট কার্ড সদৃশ কোনো ডিভাইস, গহনা ও ব্যাগ আনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
পরীক্ষার সময় পরীক্ষার্থীরা কানের ওপর কোনো আবরণ রাখবেন না, কান খোলা রাখতে হবে। কানে কোনো ধরনের হিয়ারিং এইড ব্যবহারের প্রয়োজন হলে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শপত্রসহ কমিশনের অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে।
পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষার হল পরিবর্তনের কোনো আবেদন বিবেচনা করা হবে না। প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কমিশন থেকে শ্রুতিলেখক নিয়োগের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কমিশনের মনোনীতরা ছাড়া অন্য কেউ শ্রুতিলেখক হিসেবে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী প্রার্থীদের জন্য শ্রুতিলেখকদের ক্ষেত্রে প্রতি ঘণ্টার পরীক্ষার জন্য ১০ মিনিট অতিরিক্ত সময় দেওয়া হবে এবং অন্য প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে প্রতি ঘণ্টার পরীক্ষার জন্য পাঁচ মিনিট অতিরিক্ত সময় দেওয়া হবে।
পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষার হল পরিবর্তনের কোনো আবেদন বিবেচনা করা হবে না। এ পরীক্ষায় ২০০টি এমসিকিউ প্রশ্ন থাকবে। পরীক্ষার্থী প্রতিটি শুদ্ধ উত্তরের জন্য ১ নম্বর পাবেন। তবে ভুল উত্তর দিলে প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য মোট প্রাপ্ত নম্বর থেকে ০.৫০ (শূন্য দশমিক পাঁচ শূন্য) নম্বর করে কাটা হবে। পরীক্ষার জন্য পূর্ণ সময় দুই ঘণ্টা।
এদিকে, ৪৯তম বিশেষ বিসিএসে অংশ নিতে আবেদন করেছেন ৩ লাখ ১২ হাজার চাকরিপ্রার্থী। সেই হিসাবে প্রতিটি ক্যাডার পদের বিপরীতে লড়বেন প্রায় ৪৫৬ জন চাকরিপ্রার্থী।
সময়ের আলো/এআর