বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘সবাই জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছেন। যারা দুই-একজন স্বাক্ষর করেননি, আশা করি তারা ভবিষ্যতে করবেন। এটি উন্মুক্ত রাখা আছে। জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের পর শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।’
সালাহউদ্দিন বলেন, ‘জুলাই সনদ স্বাক্ষরিত হয়েছে। যতদিন বাংলাদেশের ইতিহাস থাকবে, ততদিন এটি জাতির জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে। আজকের শহীদদের আত্মত্যাগ, রক্তদান, এই জাতির আকাঙ্ক্ষা ও জনপ্রত্যাশা—সবকিছুর কেবল শুরু হলো।’
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য আরও বলেন, ‘এই সনদের বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই আমরা একটি গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক সংস্কারের রাষ্ট্রকাঠামো অর্জন করতে পারবো। সেই কাঠামোর মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হবে। শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে, রাষ্ট্রের সব ক্ষেত্রে ভারসাম্য বজায় থাকবে।’
নির্বাচন প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘নির্বাচন কীভাবে হবে, সেটি সংবিধানে লেখা আছে। এখানে বিভ্রান্তির কোনো সুযোগ নেই। এরপরও প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে বসতে চাইলে অবশ্যই বসা হবে।’
এদিকে, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ও সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলোকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘সমস্ত রাজনৈতিক দল, সংস্কার কমিশনে যারা কাজ করেছেন, নেতৃত্ব দিয়েছেন, এবং সংস্কার কমিশনে যারা দীর্ঘদিন ধরে দিনের পর দিন কাজ করে আজকে সবার সামনে রেখেছেন, সেজন্য আমি আমাদের দলের সালাহউদ্দিন আহমেদ এবং সমস্ত রাজনৈতিক দলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।’
এর আগে জুলাই সনদে বিএনপির পক্ষ থেকে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ সনদে স্বাক্ষর করেন।
এ ছাড়া, স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ডা. জাহিদ হোসেন, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক চীফ হুইপ জয়নুল আবদীন ফারুক, মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির প্রমুখ।
সময়ের আলো/এনএ