
অভিনেত্রী ফ্লোরেন্স পুগ সম্প্রতি ‘দ্য লুইস থেরউক্স পডকাস্ট’-এ তার ক্যারিয়ারের যৌন দৃশ্য শুটিং নিয়ে অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন এবং জানিয়েছেন কিভাবে ইন্টিমেসি কোঅর্ডিনেটররা তার কাজকে আরও স্বস্তিদায়ক ও নিরাপদ করে তুলেছেন।
ফ্লোরেন্স বলেন, ‘ইন্টিমেসি কোঅর্ডিনেটররা চলচ্চিত্রের যৌন দৃশ্যে শিল্পীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তারা শুটিংকে সহজ ও স্বাভাবিক করে তোলে। এই প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি হয় না এবং সবাই স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করতে পারেন।’
অভিনেত্রী স্বীকার করেন যে, আগের সময়ে কোঅর্ডিনেটর ছাড়া যৌন দৃশ্য শুটিং করতে গিয়ে তিনি কিছুটা অসুবিধার সম্মুখীন হয়েছেন। ‘কখনও কখনও এমন পরিস্থিতি তৈরি হতো, যেখানে কাউকে নিরাপত্তা দেওয়ার মতো কেউ থাকতো না। এটি খুবই অস্বস্তিকর ছিল এবং আমার কাজ উপভোগ করতে পারিনি,’ বলেন তিনি।
তবে এখন, ফ্লোরেন্স পুগ ইন্টিমেসি কোঅর্ডিনেটরদের সঙ্গে কাজ করে অভিজ্ঞতার পরিবর্তন অনুভব করছেন। ‘এখন আমি চমৎকার অভিজ্ঞতা পাচ্ছি। তারা খুবই পেশাদার এবং যৌন দৃশ্যে শুটিংকে নিরাপদ, সহজ ও সুসংগঠিত করে তোলে। এর ফলে আমি এখন আরও আত্মবিশ্বাসী ও নিশ্চিন্তে কাজ করতে পারি,’ বলেন তিনি।
ফ্লোরেন্স আরো উল্লেখ করেন যে, অনেক সময় নারী অভিনেত্রী হিসেবে ঘনিষ্ঠ দৃশ্য শুটিংয়ে কিছুটা অস্বস্তি বা অসুবিধা হতে পারে। তিনি এক আবেগপ্রবণ দৃশ্যের উদাহরণ দিয়ে বলেন, যেখানে তাকে বারবার শুট করতে হয়েছিল এবং সে সময় তার সহশিল্পী পরিচালককে জানিয়ে দেন যে দৃশ্যটি আর করার প্রয়োজন নেই, যা তার জন্য এক বড় সহায়তা ছিল।
তিনি আরও বলেন, ‘আমি নিজে কখনো বলতে পারতাম না, কারণ তখন মনে হতো টিম হয়তো ভাববে আমি নারীদের অস্বস্তি অনুভব করছি। কিন্তু আমার সহশিল্পী সেটি বললে, সহজেই সবাই সেটা মেনে নিল।’
ফ্লোরেন্স বিশ্বাস করেন ইন্টিমেসি কোঅর্ডিনেটররা শুধুমাত্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন না, তারা যৌন দৃশ্যের গল্প, সংবেদনশীলতা এবং নৃত্য উপাদানগুলোও সঠিকভাবে শিখতে সাহায্য করেন। ‘ভালো কোঅর্ডিনেটরদের সহায়তায় এখন আমি যৌন দৃশ্যগুলোর প্রতি আর কোনো অস্বস্তি অনুভব করি না। এটা আমার জন্য সত্যিই একটি ইতিবাচক পরিবর্তন,’ বলেন তিনি।
এএডি/