আশুলিয়ার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় আগুনে পুড়িয়ে ফেলা ছয়জনের মধ্যে একজনের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে। শনাক্ত ব্যক্তির নাম আবুল হোসেন।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ নির্দেশ দিয়েছে, মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা করতে।
ট্রাইব্যুনাল ইতিমধ্যে আবুল হোসেনকে ‘জুলাই শহীদ’ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করারও নির্দেশ দিয়েছে। তার মরদেহ আশুলিয়ার আমবাগান গোরস্তানে দাফন করা হয়েছিল।
বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে ট্রাইব্যুনাল-২ এর তিন সদস্যের বেঞ্চ এই সিদ্ধান্ত দেন। বেঞ্চের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
আরও পড়ুন
নিহত আবুল হোসেনের স্ত্রী লাকি আক্তারের বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগর থানার ফুলঘর গ্রামে।
এর আগে, ২০২৩ সালের ৫ আগস্ট আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের নির্দেশে নিরীহ মানুষের ওপর গুলি চালানো হয়। যেখানে নিহত হন একাধিক ব্যক্তি। সেই রাতেই আশুলিয়া থানার কাছাকাছি নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের পাশে ‘পুলিশ’ লেখা একটি পিকআপ ভ্যানে অন্তত দুটি মরদেহ আগুনে পোড়ানো হয়। এছাড়া থানার সামনে আরেকটি মরদেহ পুড়ে পড়ে ছিল এবং পথচারী ব্রিজে উল্টো করে ঝোলানো অবস্থায় দুজন পুলিশ সদস্যের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এএডি/