আড়ং আয়োজন করেছে ‘উইন্টার ওয়ান্ডারল্যান্ড ২০২৫ : কারুশিল্পের উৎসব’, যেখানে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্প, সৃষ্টিশীল কারিগর, শীতের খাবার, সংগীত এবং ডিজিটাল অভিজ্ঞতা মিলেমিশে তৈরি করেছে এক প্রাণবন্ত উৎসবের পরিবেশ।
ডিসেম্বরজুড়ে আড়ং তেজগাঁও আউটলেট রূপ নিয়েছে বর্ণিল কার্নিভালে, যেখানে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের কারুশিল্পী ও ক্রেতারা একসঙ্গে উপভোগ করছেন জামদানি, নকশীকাঁথা, হ্যান্ড এমব্রয়ডারি, গহনা, রিকশা আর্টসহ নানা ঐতিহ্যবাহী শিল্পরূপ।
প্রায় পাঁচ দশক ধরে গ্রামীণ কারুশিল্পীদের দক্ষতা ও গল্পকে সামনে নিয়ে আসা আড়ং এই উৎসবের মাধ্যমে তাদের সৃষ্টিকে আরও উজ্জ্বলভাবে তুলে ধরেছে।
উৎসব চলাকালে আউটলেটটি রাত ১১টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।
উইন্টার ওয়ান্ডারল্যান্ড ২০২৫-এ পুরো ডিসেম্বর ভাগ করা হয়েছে বিভিন্ন থিমে, যাতে রয়েছে পিঠা উৎসব, ঠান্ডা বিটস, বিয়ে উৎসব এবং দেশের জনপ্রিয় শিল্পীদের অংশগ্রহণে বিশেষ গ্র্যান্ড ফিনালের আয়োজন। পরিবারবান্ধব এই কার্নিভালে রয়েছে পিঠা, ফুচকা, চটপটি, কাবাবসহ স্ট্রিট ফুডের ফুড কার্ট; শিশুদের জন্য আকর্ষণীয় কিডস জোন; টেরাকোটা টেলসের কার্নিভাল গেমস; ডু-ইট-ইয়োরসেলফ ক্রাফট কর্নার এবং প্রতিদিনের লাইভ মিউজিক।
পাশাপাশি দর্শনার্থীদের জন্য রাখা হয়েছে aarong.com-এর নতুনভাবে সাজানো ডিজিটাল অভিজ্ঞতা জোন, যেখানে প্ল্যাটফর্মটির আধুনিক উপস্থাপনা উপভোগ করা যাবে আরও নিবিড়ভাবে।
এ আয়োজনে অংশ নিয়েছে ব্র্যাকের বিভিন্ন সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ। যার মধ্যে রয়েছে—আড়ং অরিজিনসের উচ্চমানের খাদ্যপণ্য, গ্রামীণ কৃষকদের সহায়তায় আড়ং ডেইরির উন্নতমানের দুগ্ধজাত পণ্য, ব্র্যাক হেলথকেয়ারের সহজলভ্য স্বাস্থ্যসেবা এবং স্থানীয় সংস্কৃতিনির্ভর ইকো-ট্যুরিজম উদ্যোগ ‘অতিথি’।
আড়ংয়ের টেকসই উন্নয়ন ও সামাজিক প্রভাবের অঙ্গীকারকে আরও দৃঢ়ভাবে উপস্থাপন করে এই আয়োজন, যেখানে প্রতিটি পণ্যের পেছনের সৃষ্টিশীল কারুশিল্পীর সঙ্গে গ্রাহকদের সংযোগ তৈরি হয় আরও গভীরভাবে।
এফআর