চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বর্তমানে বাংলাদেশে দুই কোটিরও বেশি মানুষ কিডনি রোগে ভুগছেন। সচেতনতা ও সঠিক সময়ে চিকিৎসায় কিডনি রোগ প্রতিরোধ সম্ভব। ডায়ালাইসিসের আগেই কিডনি ট্রান্সপ্লান্টেশন করা গেলে রোগীর সুস্থতার সম্ভাবনা বেশি।
শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকেলে পাবনার বনগ্রামে অবস্থিত কিডনি ফাউন্ডেশনের ৯ম বার্ষিক সভা ও বৈজ্ঞানিক সেমিনারে এসব তথ্য জানানো হয়।
সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতাল ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কিডনি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. হারুন অর রশিদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশে কিডনি রোগীর সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। প্রাথমিক পর্যায়ে কিডনি রোগ চিহ্নিত করা গেলে রোগী সহজেই সুস্থ হতে পারে।
ইনস্টিটিউটের পাবনার সভাপতি অধ্যাপক ডা. সাকিব উজ জামান আরেফিনের সভাপতিত্বে সেমিনারে কিডনি চিকিৎসা ও প্রতিস্থাপনের নীতিমালা, চিকিৎসার বিভিন্ন সুবিধা অসুবিধা তুলে ধরার পাশাপাশি নবীন চিকিৎসকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন ডা. আবু সাঈদ, অধ্যাপক ডা. খাজা নাজিমুদ্দিন, অধ্যাপক ডা. এ এইচ এম রওশন, কিডনি ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক টিনি ফেরদৌস রশিদ।
ইনসেপ্টা ও কিডনি ফাউন্ডেশনের যৌথ আয়োজনে ব্যয়বহুল কিডনি রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় সচেতনতা সৃষ্টিতে এ সায়েন্টিফিক সেমিনারে পাবনার ৬০ জন নবীন চিকিৎসক ছাড়াও শতাধিক কিডনি রোগী ও রোগীর স্বজন অংশ নেন।
এ সময় কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট সচেতনতা, অ্যাকিউট কিডনি ইনজুরি, ফ্যাটি লিভার ডিজিস, গ্লোমেরুলোনেফ্রাইটিস আধুনিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে ধারণা দেয়া হয়।
এফআর