আগামীকাল থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে তাপমাত্রা আবার কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) আবহাওয়া অধিদফতরের বিশেষজ্ঞ কমিটির বৈঠকে জানুয়ারি মাসের পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।
অধিদফতরের আবহাওয়াবিদ শাহানাজ সুলতানা বলেন, শৈত্যপ্রবাহের বিস্তৃতি কমেছে। শনিবারও এ ধারা থাকতে পারে। তবে আগামীকাল থেকে তাপমাত্রা আবার কমতে পারে।
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ মাসে দেশে দুই থেকে তিনটি মৃদু থেকে মাঝারি এবং এক থেকে দুটি মাঝারি থেকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হতে পারে। তীব্র শৈত্যপ্রবাহের সময় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসার আশঙ্কা রয়েছে। উত্তরাঞ্চল ও নদী অববাহিকার এলাকাগুলোয় শীত বেশি অনুভূত হতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে, যা অনেক সময় দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ঘন কুয়াশার কারণে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে আসবে। এতে শীতের অনুভূতি আরও তীব্র হতে পারে।
অধিদফতরের পরিচালক মো. মমিনুল ইসলাম বলেন, জানুয়ারি মাসে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ হতে পারে। এর মধ্যে দুই থেকে তিনটি হবে মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার। এতে তাপমাত্রা ৮-১০ ডিগ্রি কিংবা ৬-৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামতে পারে। এক থেকে দুটি শৈত্যপ্রবাহ হবে মাঝারি থেকে তীব্র, তখন তাপমাত্রা নেমে যেতে পারে ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।
তিনি বলেন, জানুয়ারি মাসে দিন ও রাতের গড় তাপমাত্রা মোটামুটি স্বাভাবিক থাকার কথা থাকলেও শৈত্যপ্রবাহের দিনগুলোতে জনজীবনে স্থবিরতা নেমে আসতে পারে।
এদিকে রোববার (৩ জানুয়ারি) দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দেশের তিন স্থানে এ তাপমাত্রা আছে। সেই স্থানগুলো হলো নওগাঁর বদলগাছি, পাবনা ও রাজশাহী। গতকাল দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল যশোরে, ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেই হিসাবে, আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বেড়েছে। গত দুই দিন থেকেই ধারাবাহিকভাবে দেশের তাপমাত্রা বাড়ছে।
সময়ের আলো/জেডআই