বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা শাখার সদস্য সচিব মাহদী হাসানকে গ্রেফতারের ঘটনায় থানা ঘেরাও করেছে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। পরে খবর পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে যায় সেনাবাহিনীর একটি দল।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাতে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার সামনে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, এদিন রাত সাতটায় শহরের শায়েস্তানগর এলাকা থেকে বৈষম্যবিরোধী নেতা মাহদী হাসানকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে সদর মডেল থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। পরে তার গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়লে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা থানার সামনে জড়ো হতে থাকেন। এসময় থানার মূল ফটকের বাইরে উত্তেজনা দেখা যায়। একপর্যায়ে নানা স্লোগান দেয় উত্তেজিত নেতাকর্মীরা। খবর পেয়ে সেনাবাহিনীর একটি দল ঘটনাস্থলে আসলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
রাত পৌনে ১০টা পর্যন্ত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীদের থানার সামনে অবস্থান করতে দেখা গেছে।
প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার রাতে জুলাই যোদ্ধা ও শায়েস্তাগঞ্জ সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি এনামুল হক নয়নকে আটক করে পুলিশ। পরদিন শুক্রবার দুপুরে তাকে ছাড়িয়ে আনতে গেলে শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি আবুল কালামের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয় মাহদী হাসানের।
ওই ঘটনার একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। যেখানে মাহদী হাসানকে বলতে শোনা যায়, আমরা এই সরকার গঠন করেছি। আপনি আমাদের প্রশাসনের লোক। আমাদের ছেলেকে ধরে নিয়ে এসেছেন? তিনি জানতে চান, কেন তার ভাইকে আটক করা হয়েছে? তারা ভেসে এসেছেন কিনা? উত্তেজিত কণ্ঠে তিনি বলেন, আমাদের এখানে ১৭ জন শহিদ হয়েছে। বানিয়াচং থানা আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম। এসআই সন্তোষকে আমরা জ্বালিয়ে দিয়েছিলাম।
ভিডিও ভাইরাল হলে দেশজুড়ে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা হয়।
এফআর