বিপিএল যাত্রাটা একেবারেই সুখকর হলো না নোয়াখালীর। একের পর এক ম্যাচে হেরেই চলেছে দলটি। এ নিয়ে ৫ ম্যাচের সবকটিতেই হেরেছে হায়দার আলীর দল।
বিপিএলে দিনের প্রথম ম্যাচে নোয়াখালীর দেয়া ১৩৪ রানের লক্ষ্য হেসেখেলেই পেরিয়ে গেছে ঢাকা ক্যাপিটালস। জয়ে বড় অবদান নাসির হোসেনের।
২১ বলে ফিফটি হাঁকিয়ে এবারের আসরের দ্রুততম ফিফটির রেকর্ডও গড়েছেন ঢাকার এই ক্রিকেটার। এ নিয়ে টানা ৫ম ম্যাচ হারলো নোয়াখালী এক্সপ্রেস।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে নোয়াখালীকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় ঢাকা ক্যাপিটালস। মাত্র ৪০ রান তুলতেই ৫ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে দলটি। লোয়ার অর্ডারে হায়দার আলীর ৪৭ রানে ভর করে কোনোমতে ১৩০ পেরোয় নোয়াখালী।
জবাব দিতে নেমে শুরুতেই দুই ওপেনার রহমানউল্লাহ গুরবাজ এবং আব্দুল্লাহ আল মামুনের উইকেট হারিয়ে ফেলে ঢাকা ক্যাপিটালস। দলের ১৪ রানের মাথাতে বিদায় নেন গুরবাজ এবং মামুন। ৬ বলে ১ রান করেছেন মামুন। অন্যদিকে ২ বল মোকাবেলা করে রানের খাতা খোলার আগেই বিদায় নিয়েছেন গুরবাজ।
শেষ দিকে ইমাদ ওয়াসিম-নাসির হোসেনের ব্যাটে চড়ে জয়ের বন্দরে চলে যায় ঢাকা।
এরপর তিনে নেমে তাণ্ডব চালিয়েছেন নাসির হোসেন। একের পর এক বাউন্ডারি হাঁকিয়ে রান তুলেছেন নাসির। ফিফটি পর্যন্ত গিয়েছেন একদম সুপারসনিক প্লেনে চেপে।
মাত্র ২১ বলে ফিফটি করে ফেলেন নাসির। এবারের আসরের দ্রুততম ফিফটি এল নাসিরের ব্যাট থেকেই। এর আগে ২৩ বলে ফিফটি হাঁকিয়ে এই রেকর্ড দখলে রেখেছিলেন কাইল মায়ার্স।
ফিফটির পর কিছুটা কমেছে নাসিরের রানের গতি। তবে থামেনি একদমই। চারে নামা ইরফান শুক্কুর ১১ বলে ১২ রান করেছেন। পাঁচে নেমে নাসিরের সাথে যোগ দেন ইমাদ ওয়াসিম। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে এগিয়েছেন ইমাদও। দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে সেঞ্চুরির দিকে ছুটেছেন নাসির।
শেষ পর্যন্ত নাসির-ইমাদের ব্যাটে চড়েই জয়ের বন্দরে চলে যায় ঢাকা ক্যাপিটালস। ৫০ বলে ৯০ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলে শেষ পর্যন্ত টিকে ছিলেন নাসির। ১৬ বলে ২৯ রান করে টিকে ছিলেন ইমাদ।
নোয়াখালী এক্সপ্রেসের হয়ে ২ উইকেট নেন হাসান মাহমুদ। ১ উইকেট তুলেছেন জহির খান।
সময়ের আলো/এআর