পেনশন ফাইল অনুমোদনের জন্য ঘুষ গ্রহণকালে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) জালে ধরা পড়েছেন যশোর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলম। এ সময় তার কক্ষ থেকে ঘুষের এক লাখ ২০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় যশোর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে থেকে তাকে ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক যশোর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আল-আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
যশোরের বসুন্দিয়া খানপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. নুরুন্নবী জানান, তার স্ত্রী শিরিনা আক্তার যশোরের ঝিকরগাছার কাউরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন। গত বছর ২৩ আগস্ট তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার পেনশন ফাইল অনুমোদনের জন্য শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলম এক লাখ ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। এছাড়াও তার এক বন্ধুর পেনশনের জন্যও টাকা দাবি করেন ওই কর্মকর্তা।
ফলে নুরুন্নবী এক লাখ বিশ হাজার টাকা সংগ্রহ করে দুদক যশোর সমন্বিত কার্যালয়ে বিষয়টি অবহিত করেন। এরপর বুধবার বিকেলে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে ওই ঘুস প্রদানের পর দুদক কর্মকর্তারা তাকে হাতে নাতে গ্রেফতার করেন।
দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক যশোর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আল-আমিন জানান, ভুক্তভোগীর অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি দুদক প্রধান কার্যালয়কে জানানো হয়। এরপর অনুমোদন সাপেক্ষে বুধবার বিকেলে দুদকের একটি টিম জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ে অবস্থান নেয়। শিক্ষা কর্মকর্তাকে ঘুস প্রদানের পর দুদক সদস্যরা ঘুষের টাকাসহ তাকে হাতেনাতে আটক করেন।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় দুদক যশোর কার্যালয়ে মামলা করা হয়েছে এবং আটক প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে থানায় সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে।
এফআর