স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আজিজুর রহমান মুসাব্বিরকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
রাজধানীর তেজগাঁওয়ে তেজতুরী বাজার এলাকায় বুধবার (৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত নেতার সঙ্গে থাকা আরও একজন গুলিবিদ্ধ হন। তিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে।
এক বিবৃতিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন জানায়, সরাসরি গুলি করে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা নতুন নয়। সাম্প্রতিক সময়ে এ ধরনের সহিংস ঘটনার পুনরাবৃত্তি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এর আগে যশোরে বিএনপির এক নেতাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। পাশাপাশি রাজধানীতে জুলাই অভ্যুত্থানের সম্মুখসারীর যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার ঘটনাও ঘটেছে।
এতে বলা হয়, জুলাই ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে এ ধরনের হত্যাকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এসব ঘটনার দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের। বরং বিচারহীনতার সংস্কৃতিই এ ধরনের সহিংসতার পথ সুগম করছে বলে অভিযোগ করা হয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সম্ভাব্য গণভোটকে ভণ্ডুল করতে পতিত ফ্যাসিস্ট শক্তি দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ডগুলো সেই অপচেষ্টারই অংশ।
এ অবস্থায় ফ্যাসিবাদবিরোধী সব শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। একই সঙ্গে এ ধরনের সহিংস ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে আরও কার্যকর ও দৃশ্যমান ভূমিকা রাখার দাবি জানানো হয়।
/এমএইচআর