কুড়িগ্রামে ঘন কুয়াশা ও ঠান্ডা বাতাসে স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। গত কয়েকদিন থেকে সূর্যের দেখা মেলেনি। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ। দুর্ভোগ বেড়েছে চরাঞ্চলের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর। জেলার রাজারহাট আবহাওয়া ও কৃষি পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, গত বৃহস্পতিবার থেকে জেলায় সবনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ওঠানামা করছে।
জেলা শাখার ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুল মতিন জানান, নয় উপজেলায় ২৫ হাজার শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। নগদ ৪০ লাখ টাকা মজুত আছে। আরও সহায়তা দেওয়া হবে।
রাজারহাট সদর উপজেলার ছিনাই ইউনিয়নের রিকশাচালক চাঁদ মিয়া বলেন, ‘শীতের কারণে আমি সকাল বেলা রিকশা নিয়ে কাজে যেতে পারি না। এতে করে সংসারে অভাব বাড়ছে।’
জেলা সদরের সদরের বেলগাছা ইউনিয়নের আলাল উদ্দিন বলেন, ‘আমি নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করি। শীতের কারণে কয়েকদিন থেকে মাছ ধরতে পারছি না।’
কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা খায়রুল ইসলাম বলেন, ‘অতিরিক্ত ঠান্ডায় আমার ছেলের কয়েকদিন থেকে ডায়রিয়া শুরু হয়েছে। পরে তাকে নিয়ে হাসপাতালে আসি।’
এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. স্বপন কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘জেলায় শীতজনিত রোগে আক্রান্তদের সংখ্যা দিন দিন বেড়ে চলছে। কিছু রোগী হাসপাতালের আউটডোরে চিকিৎসাসেবা নিচ্ছেন। যাদের অবস্থা গুরুতর তাদের হাসপাতালে ভর্তি দেওয়া হচ্ছে।’
সময়ের আলো/এএ/এনএ