লাইট ইনডোর্স পদ্ধতিতে ড্রাগন চাষে ফলন তিনগুণ

বেনাপোল প্রতিনিধি

সারাদেশ

যশোরের শার্শা উপজেলায় ড্রাগন চাষে এসেছে নতুন উদ্যোগ। অভিনব পদ্ধতিতে মনিরুজ্জামান মনির নামের এক শৌখিন কৃষক উপজেলার বাগআঁচড়া ইউনিয়নের বসতপুর

2026-01-11T21:17:01+00:00
2026-01-11T21:17:01+00:00
 
  রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬,
৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
সারাদেশ
লাইট ইনডোর্স পদ্ধতিতে ড্রাগন চাষে ফলন তিনগুণ
বেনাপোল প্রতিনিধি
প্রকাশ: রোববার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:১৭ পিএম 
লাইট ইনডোর্স পদ্ধতিতে হচ্ছে ড্রাগন চাষ। ছবি : সংগৃহীত
যশোরের শার্শা উপজেলায় ড্রাগন চাষে এসেছে নতুন উদ্যোগ। অভিনব পদ্ধতিতে মনিরুজ্জামান মনির নামের এক শৌখিন কৃষক উপজেলার বাগআঁচড়া ইউনিয়নের বসতপুর গ্রামে অসময়ে ড্রাগন ফলের চাষে নেমেছেন। তিনি লাইট ইনডোর্স পদ্ধতি ব্যবহারে সুস্বাদু ড্রাগনের ফলন তিনগুণ বৃদ্ধি করেছেন। তার চাষ পদ্ধতি ব্যাপকভাবে সাড়া ফেলেছে এলাকাজুড়ে। তিনি এখন ড্রাগন চাষে নতুন প্রযুক্তির নায়ক হিসেবে পরিচিত।

এই ড্রাগন বাগানের মালিক মনিরুজ্জামান মনির সময়ের আলোকে বলেন, তিনি ইউটিউব দেখে লাইট ইনডোর্স পদ্ধতিতে ড্রাগন চাষে আগ্রহী হন। এই পদ্ধতিতে মূলত রাতে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করতে হয়, রাতকে দিন বানিয়ে রাখার মতো, অর্থাৎ রাতেও দিনের আলোর মতো আলোকিত করে রাখতে হয়। সন্ধ্যা থেকে রাত ১২টা ও রাত ৩টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত মোট ৯ ঘণ্টায় দুদফা লাইটগুলো জ্বলে। শীতকালে দিন ছোট হয়ে আসে তাই দিনের আলো কম হয়। প্রথমে তিনি ৭ বিঘা জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে ড্রাগন চাষ শুরু করলেও এখন চাষ করছেন ২৪ বিঘা জমিতে। 

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশে চাষ হওয়া ড্রাগন ফলের বাগান বেড়ে ওঠে মূলত দিনের আলোয়। তাই এমন পদ্ধতিতে চাষ করলে রাতেও ড্রাগনের গাছ ও ফলের বেড়ে ওঠা স্বাভাবিক বা ন্যাচারাল থাকে।


মনিরুজ্জামান মনিরের ড্রাগন চাষে লাইট ইনডোর্স পদ্ধতি ব্যবহার সম্পর্কে এলাকাবাসী জানান, অমৌসুমে উৎপাদন বাড়াতে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলেন চাষি মনির। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী এলইডি লাইট ব্যবহার করে রাতের এই কৃত্রিম আলোয় স্বাস্থ্যসম্মত ফলন তৈরি হচ্ছে। ড্রাগন বাগানটি সন্ধ্যা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আলোকসজ্জায় সজ্জিত হয়ে ওঠে। সারিবদ্ধ গাছে আলোকসজ্জা চোখধাঁধানো দৃশ্য তৈরি করে। যা আমেরিকা, সুইডেন, লন্ডনের মতো বড় ও আধুনিক শহরের আলোকিত দৃশ্যের মতো দেখায়। বসতপুর গ্রামের মোহনায় এই মনোমুগ্ধকর দৃশ্য দেখতে প্রতি রাতে শত শত দর্শনার্থী ভিড় করেন মনিরুজ্জামান মনিরের ড্রাগন বাগানে।

এ বিষয়ে শার্শা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দীপক কুমার সাহা জানান, উপজেলায় বর্তমানে প্রায় ৮৫ হেক্টর জমিতে ড্রাগনের আবাদ হচ্ছে। অমৌসুমে উৎপাদিত ফলটি উচ্চমূল্যে বিক্রি হচ্ছে। ২৪ বিঘা জমিতে লাইটিং সিস্টেম করে চাষির ভাষ্যমতে খরচ হচ্ছে প্রতি মাসে আড়াই লাখ টাকা। যেটা ব‍্যয় করতে হিমশিম খাচ্ছেন চাষি মনির। বিদ্যুতের খরচ কৃষির আওতায় আনতে পরলে এই পদ্ধতিতে চাষে অন্য চাষিরা উদ্বুদ্ধ হতো।

এফআর


  বিষয়:   যশোর  শার্শা উপজেলা  বেনাপোল  লাইট ইনডোর্স পদ্ধতি  ড্রাগন চাষ 


Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: