ভূমিকম্পে প্রাণহানির উচ্চ ঝুঁকিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম, কারণ কী

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয়

বড় ভূমিকম্পের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে বাংলাদেশ- গত বছরের নভেম্বরে হয়ে যাওয়া এই শতাব্দীর অন্যতম শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর থেকে এমন আভাস শোনা

2026-01-17T22:33:22+00:00
2026-01-17T22:33:22+00:00
 
  রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬,
২৮ আষাঢ় ১৪৩৩
রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
জাতীয়
ভূমিকম্পে প্রাণহানির উচ্চ ঝুঁকিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম, কারণ কী
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৩৩ পিএম 
প্রতীকী ছবি
বড় ভূমিকম্পের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে বাংলাদেশ- গত বছরের নভেম্বরে হয়ে যাওয়া এই শতাব্দীর অন্যতম শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর থেকে এমন আভাস শোনা যাচ্ছে। বাংলাদেশ ও দেশের সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় মোট ৫টি ভূমিকম্পের উৎস রয়েছে বলে জানানো হয়েছে পূর্বাভাসে।

এরমধ্যে ভূমিকম্পে ঢাকা ও চট্টগ্রাম প্রাণহানির উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানিয়েছে বিশেষজ্ঞরা। এর পেছনে মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে, অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং অবকাঠামোগত নির্মাণে যথাযথ মানদণ্ড অনুসরণ না করা। তার বলছেন, প্রস্তুতির ঘাটতি ডেকে আনতে পারে বড় বিপর্যয়। 

যে ৫টি ভূমিকম্পের উৎস রয়েছে সেগুলো থেকে রিখটার স্কেলে ৭.৫ থেকে ৮.৫ মাত্রার ভূমিকম্প উৎপন্ন হতে পারে বলে মত দিয়েছেন বিশ্লেষকরা। 

চট্টগ্রাম শহরের আর্থকোয়েক ড্যামেজ অ্যাসেসমেন্ট করে দেখা গেছে, যদি বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে ভূমিকম্প হয়, তবে চট্টগ্রামের ৪১টি ওয়ার্ডের ২ লাখ ৬২ হাজার ভবনের মধ্যে প্রায় ২ লাখ ভবনই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তবে ভূমিকম্প মোকাবিলায় এখনও কি কোনো পূর্ব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে?

ভূমিকম্প প্রকৌশল গবেষণা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রবিউল আলম বলেন, ভূমিকম্পের পর প্রথম দু একদিন হইচই হয়েছে। এরপর কেনো যেনো পুরোপুরি নিশ্চুপ হয়ে গেছে। সরকার বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ থেকে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

দায়সারাভাবে মাটি পরীক্ষা বা মাটি পরীক্ষা না করেই একের পর এক নির্মাণ হচ্ছে বহুতল ভবন। ভূমিকম্পে বড় ক্ষয়ক্ষতির প্রধান কারণ হতে পারে দুর্বল ফাউন্ডেশন, ঘটতে পারে তরলীকরণের মতো ঘটনা।


চুয়েট পুরকৌশল বিভাগের ভূ-কারিগরি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মো. আফতাবুর রহমান বলেন, এই ইনভেস্টিগেশনগুলো আমরা খুব লাইটলি কমন কনসেপ্টের ওপর বেইস করে করে ফেলি। কিন্তু আসলেই এই জায়গাতে আমাদের কিন্তু স্ট্রংলি লুক আফটার করতে হবে।  

নগর পরিকল্পনাবিদদের মতে একটি পরিকল্পিত শহরে ন্যূনতম ২৫ শতাংশ রাস্তা থাকা প্রয়োজন। কিন্তু অপরিকল্পিত নগরায়নের ফলে চট্টগ্রাম ও ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় সরু হয়ে পড়েছে অলিগলি। ফলে বড় কোনো দুর্ঘটনায় উদ্ধার কাজ পরিচালনা করাও হয়ে পড়বে দুরূহ।

চুয়েট স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. রাশিদুল হাসান বলেন, দুর্ভাগ্য হিসেবে আমাদের বর্তমানে দেশে জন পরিসর, খেলার মাঠ, প্রশস্ত ফুটপাত এগুলোর মাত্রা দিনকে দিন হ্রাস পাচ্ছে এবং দুর্যোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে। সরকারি দফতরগুলোকে এ বিষয়গুলো চূড়ান্তভাবে তাদের এখন কাজ করার সময় এসেছে।

সময়ের আলো/এসকে/ 


  বিষয়:   ভূমিকম্প প্রাণহানি  উচ্চ ঝুঁকি  ঢাকা  চট্টগ্রাম 


Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: